ঢাকা    মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন
সর্বশেষ
মন্ত্রিসভায় ‘এক মন্ত্রী এক দপ্তর’ নীতি আনার পরিকল্পনা

মন্ত্রিসভায় ‘এক মন্ত্রী এক দপ্তর’ নীতি আনার পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার কলেবর আরও বাড়ছে। সে ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে। পাশাপাশি কয়েকটি দপ্তরে রদবদলের হওয়ার বিষয়টি সরকার ও বিএনপির উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করার পর আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।মূলত জনসেবা ও প্রশাসনের গতি বাড়াতে শিগগিরই এ সম্প্রসারণ হতে পারে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শেখ রবিউল আলম রবিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকেও সরানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আরও কয়েকজনকেও সরিয়ে একক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য হচ্ছে, যেসব মন্ত্রণালয়ে কাজের চাপ বেশি, সেখানে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা। একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব একটি মাত্র দপ্তরে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছেন তিনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। নতুন পদক্ষেপে কয়েকজন উপমন্ত্রী ও সংরক্ষিত নারী আসন থেকে একজন সদস্যকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিকরা। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও হাবিবুন্নবী খান সোহেল এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের নাম শোনা যাচ্ছে। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদ উপনেতা হিসেবে নিযুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে। আলোচনায় আছেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন, দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমান, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। একাধিক অঞ্চলও গুরুত্ব পেতে পারে।এরইমধ্যে বিএনপি সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (১ জুন) ডেইলি ক্যাম্পাসকে এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। দলটির মনোনয়নে পার্বত্য রাঙামাটি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান। রাঙামাটি আসনে প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে সর্বোচ্চ ব্যবধানে বিজয়ী হন তিনি। এরপর তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি পদত্যাগ করায় এ মন্ত্রণালয়েও নতুন মুখ আসবে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে অর্থ, বাণিজ্য, শিক্ষা ও পরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর কাঁধে থাকায় কাজের গতি ধীর হচ্ছে। এ চাপ সামলাতে এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো প্রধানমন্ত্রীর একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হতে পারে। ২০০১ সালেও বিএনপি সরকারের সময় প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৬০ জনে উন্নীত করা হয়েছিল। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও দলীয় সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ক্ষমতাবলে যেকোনো সময় এই নতুন নিয়োগ ও রদবদলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। অবশ্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘এ বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান ও সরকার প্রধান তারেক রহমানই ভালো বলতে পারবেন। তিনি কখন কাকে নেবেন, কোথায় দেবেন এটা তার এখতিয়ার।’সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো কোনো মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর অধীনে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকায় তারা কাজ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন। ফলে কাজে আরও গতি আনতে এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো হলে তা হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ক্ষমতাবলে যেকোনো সময় এই ঘোষণা আসতে পারে।
১৪ ঘন্টা আগে

ঢাকা ১১ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন মুখ মাহবুব হায়দার আরিফ

ঢাকা ১১ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন মুখ মাহবুব হায়দার আরিফ

রামগঞ্জে মোহাম্মদপুর ওলি বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল সম্পন্ন

রামগঞ্জে মোহাম্মদপুর ওলি বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল সম্পন্ন

চেক ডিজঅনার হলে করণীয় কী? জানুন আপনার আইনি অধিকার

চেক ডিজঅনার হলে করণীয় কী? জানুন আপনার আইনি অধিকার

রামগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদপুর ওলি বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল শুক্রবার

রামগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদপুর ওলি বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল শুক্রবার

২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট এমসিকিউ পরীক্ষার অনলাইন ফর্ম পূরণ

২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট এমসিকিউ পরীক্ষার অনলাইন ফর্ম পূরণ

তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী সমন্বয়কদের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ

তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী সমন্বয়কদের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ

ইরান যুদ্ধ, নাকি মজুত ব্যর্থতা—দেশে জ্বালানি তেলের সংকটে কার দায় কতটা?

ইরান যুদ্ধ, নাকি মজুত ব্যর্থতা—দেশে জ্বালানি তেলের সংকটে কার দায় কতটা?

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

ভোটের লড়াইয়ে নেই, তবুও ঢাকা-১৪ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মোঃ মহসিন পারভেজ

ভোটের লড়াইয়ে নেই, তবুও ঢাকা-১৪ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মোঃ মহসিন পারভেজ

নীরব শ্রদ্ধায় ভাসছে কবরস্থল: বেগম খালেদা জিয়ার কবরে মানুষের অবিরাম উপস্থিতি

নীরব শ্রদ্ধায় ভাসছে কবরস্থল: বেগম খালেদা জিয়ার কবরে মানুষের অবিরাম উপস্থিতি

‘শাকিব আগে ক্ষ্যাত ছিল’— মিষ্টি জান্নাত

‘শাকিব আগে ক্ষ্যাত ছিল’— মিষ্টি জান্নাত

বর্জ্য জমে থাকলে দ্রুত জানানোর আহ্বান ডিএসসিসির

বর্জ্য জমে থাকলে দ্রুত জানানোর আহ্বান ডিএসসিসির

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনী স্থগিতকে ঘিরে উত্তেজনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনী স্থগিতকে ঘিরে উত্তেজনা

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সুন্দরবনে তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সুন্দরবনে তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হারিকেন মিছিলের ঘোষণা এনসিপির জাতীয় যুবশক্তি

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হারিকেন মিছিলের ঘোষণা এনসিপির জাতীয় যুবশক্তি

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া

মন্ত্রিসভায় ‘এক মন্ত্রী এক দপ্তর’ নীতি আনার পরিকল্পনা

মন্ত্রিসভায় ‘এক মন্ত্রী এক দপ্তর’ নীতি আনার পরিকল্পনা

‘এমপি সাহেব আসবেন, তাই ফেরি আটকানো হয়’—যাত্রীদের অভিযোগ

‘এমপি সাহেব আসবেন, তাই ফেরি আটকানো হয়’—যাত্রীদের অভিযোগ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের অভিযোগে চট্টগ্রামে উত্তেজনা

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের অভিযোগে চট্টগ্রামে উত্তেজনা

বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের ‘পুশইন’ চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের ‘পুশইন’ চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

শিশুদের জন্য ‘গুড টাচ–ব্যাড টাচ’ শিক্ষা এখন জরুরি

বর্তমানে বাংলাদেশে শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। গ্রাম কিংবা শহর, স্কুল, মাদ্রাসা, প্রতিবেশী বা আত্মীয়,কোথাও যেন শিশুরা পুরোপুরি নিরাপদ নয়। প্রায় প্রতিদিনই গণমাধ্যমে শিশু নির্যাতনের খবর প্রকাশিত হচ্ছে। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধী হয় শিশুর পরিচিত কেউ।এই বাস্তবতায় শিশুদের ‘গুড টাচ–ব্যাড টাচ’শেখানো এখন আর শুধু সচেতনতার বিষয় নয়, বরং অত্যন্ত জরুরি নিরাপত্তা শিক্ষা।অনেক শিশু বুঝতেই পারে না যে তার সঙ্গে যা ঘটছে, তা অন্যায় বা নির্যাতন। অপরাধীরা সাধারণত শিশুর সরলতা ও ভয়কে কাজে লাগায়। কখনো ভালোবাসার অভিনয় করে, কখনো ভয় দেখিয়ে বা গোপন রাখার কথা বলে তারা শিশুকে চুপ করিয়ে রাখে। ফলে শিশুরা দীর্ঘ সময় নির্যাতনের শিকার হলেও কাউকে কিছু বলতে পারে না। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের শেখাতে হবে কোন স্পর্শ নিরাপদ আর কোন স্পর্শ তাকে অস্বস্তিকর, ভয় বা লজ্জার অনুভূতি দেয়।‘গুড টাচ’হলো এমন স্পর্শ, যা শিশুকে নিরাপদ ও স্বস্তিকর অনুভব করায় যেমন মা–বাবার আদর। আর ‘ব্যাড টাচ’হলো এমন স্পর্শ, যা শিশুর ব্যক্তিগত সীমারেখা ভঙ্গ করে এবং তাকে অস্বস্তিতে ফেলে।শিশুকে ‘গুড টাচ–ব্যাড টাচ’ শেখানো মানে তাকে ভয় পাইয়ে দেওয়া নয়; বরং তাকে সচেতন ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা।শিশুকে বুঝিয়ে বলতে হবে, তার শরীর তার নিজের। কেউ তার অনুমতি ছাড়া এমনভাবে স্পর্শ করতে পারে না, যাতে সে অস্বস্তি বোধ করে। একই সঙ্গে শিশুকে এটাও শেখাতে হবে যে খারাপ কোনো ঘটনা গোপন রাখা উচিত নয়।অনেক অভিভাবক মনে করেন, ছোট শিশুদের এসব শেখালে তারা ‘অতিরিক্ত বড়দের মতো’ হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বয়স উপযোগী ভাষায় নিরাপত্তা শিক্ষা দেওয়া শিশুর মানসিক বিকাশেরই অংশ। বরং সচেতন শিশুরা বিপজ্জনক পরিস্থিতি দ্রুত বুঝতে পারে এবং সাহায্য চাইতে শেখে।শুধু পরিবার নয়, স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শিশু নিরাপত্তা শিক্ষা জরুরি। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় থাকলে শিশুর আচরণগত পরিবর্তন সহজে বোঝা যায়। শিশুকে এমন পরিবেশ দিতে হবে, যেখানে সে নির্ভয়ে কথা বলতে পারে এবং জানে—তার কথা গুরুত্বের সঙ্গে শোনা হবে।শিশুকে শেখাতে হবে,কোনো আচরণ খারাপ লাগলে সঙ্গে সঙ্গে ‘না’বলতে, সেখান থেকে দূরে সরে যেতে এবং বিশ্বস্ত বড় কাউকে জানাতে।যেমন আমরা শিশুকে আগুন, রাস্তা বা অপরিচিত মানুষের ব্যাপারে সতর্ক করি, ঠিক তেমনি শরীরের নিরাপত্তা সম্পর্কেও সচেতন করা প্রয়োজন।শিশুদের নিরাপত্তা শিক্ষা এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্বগুলোর একটি।

শিশুদের জন্য ‘গুড টাচ–ব্যাড টাচ’ শিক্ষা এখন জরুরি
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন