বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখতে নিষেধ করায় মরিয়ম বেগম (২২) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
রোববার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে রামগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ব্রম্মপাড়া ওয়াপদা টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জহিরুল ব্রম্মপাড়া ছাড়া বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর থেকেই পলাতক জহিরুল।
দুই মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের পর ‘ও বাবা, ও বাবা’ বলে চিৎকার দিয়ে কান্নাকাটি করছেন মরিয়ম।
কখনো বিছানায় এবং আবার কখনো মেঝেতে শুয়ে কাতরাচ্ছেন তিনি। এসময় স্বামী জহিরুল বিছানার ওপর বসে বকাঝকা করছেন।
এসময় মরিয়মকে হাত-পা ধরে কাতরাতে দেখা গেছে। মারধরের ওর জহুরুলকে বলতে শোনা যায়, ‘আজকে শেষ খেলা, আমি দেখতে যাইয়াম (যাব), তুই আঁরে (আমাকে) যা-তা বলছ।’
স্থানীয়রা জানান, দুই বছর আগে চট্টগ্রামের বাসিন্দা মরিয়মকে বিয়ের পর রামগঞ্জে নিয়ে আসেন জহিরুল। পরে ওয়াপদা টেকের পাশে ঘর করে বসবাস শুরু করেন তারা। তাদের পাঁচ মাসের একটি শিশু সন্তান রয়েছে। মরিয়মের আত্মীয়-স্বজন না থাকায় জহিরুল প্রায়ই নির্যাতন করেন।
ঘরে শিশু সন্তান থাকায় গভীর রাতে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দেখতে যেতে নিষেধ করেন মরিয়ম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জহিরুল লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে স্ত্রী মরিয়মের হাত-পা ভেঙে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসময় তার কান্নাকাটি শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এলে ঘর থেকে বেরিয়ে যান জহিরুল। পরে মরিয়মকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷
জহির মাদক ব্যবসায় জড়িত এবং মাদকসেবী বলেও জানান স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : রামগঞ্জ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখতে নিষেধ করায় মরিয়ম বেগম (২২) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
রোববার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে রামগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ব্রম্মপাড়া ওয়াপদা টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জহিরুল ব্রম্মপাড়া ছাড়া বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর থেকেই পলাতক জহিরুল।
দুই মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের পর ‘ও বাবা, ও বাবা’ বলে চিৎকার দিয়ে কান্নাকাটি করছেন মরিয়ম।
কখনো বিছানায় এবং আবার কখনো মেঝেতে শুয়ে কাতরাচ্ছেন তিনি। এসময় স্বামী জহিরুল বিছানার ওপর বসে বকাঝকা করছেন।
এসময় মরিয়মকে হাত-পা ধরে কাতরাতে দেখা গেছে। মারধরের ওর জহুরুলকে বলতে শোনা যায়, ‘আজকে শেষ খেলা, আমি দেখতে যাইয়াম (যাব), তুই আঁরে (আমাকে) যা-তা বলছ।’
স্থানীয়রা জানান, দুই বছর আগে চট্টগ্রামের বাসিন্দা মরিয়মকে বিয়ের পর রামগঞ্জে নিয়ে আসেন জহিরুল। পরে ওয়াপদা টেকের পাশে ঘর করে বসবাস শুরু করেন তারা। তাদের পাঁচ মাসের একটি শিশু সন্তান রয়েছে। মরিয়মের আত্মীয়-স্বজন না থাকায় জহিরুল প্রায়ই নির্যাতন করেন।
ঘরে শিশু সন্তান থাকায় গভীর রাতে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দেখতে যেতে নিষেধ করেন মরিয়ম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জহিরুল লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে স্ত্রী মরিয়মের হাত-পা ভেঙে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসময় তার কান্নাকাটি শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এলে ঘর থেকে বেরিয়ে যান জহিরুল। পরে মরিয়মকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷
জহির মাদক ব্যবসায় জড়িত এবং মাদকসেবী বলেও জানান স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন