ঢাকা    মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষ ও মাঠের বিশৃঙ্খলা নিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ; একাধিক ফুটবলারের ওপর নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা।

ফাইনালের পর মাঠে মারামারি, ফিফার তদন্তে আর্জেন্টিনা



ফাইনালের পর মাঠে মারামারি, ফিফার তদন্তে আর্জেন্টিনা

রোববার বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর মাঠে যে সহিংস দৃশ্য দেখা গেছে, তার তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। এ ঘটনায় নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই মাঠে দৌড়ে ঢুকে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রিকে পেটে আঘাত করেন নাহুয়েল মলিনা। এ ছাড়া মাঠের মাঝমাঠেও বড় ধরনের ধস্তাধস্তি হয়। সেখানে এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরার পর গাভিকে মাটিতে ফেলে দেন লিওনার্দো পারেদেস।

এ ঘটনার পর রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ লাল কার্ড দেখান পারেদেসকে। এই একই রেফারি নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে এনজো ফার্নান্দেজকেও মাঠ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। এ ছাড়া আর্জেন্টিনার আরও তিন খেলোয়াড় এবং কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও হলুদ কার্ড দেখান তিনি।

ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, ‘স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রাসঙ্গিক ম্যাচ প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর, ফিফা শৃঙ্খলা কোডের অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, ম্যাচপরবর্তী ঘটনাগুলো নিয়ে সম্ভাব্য বিধিভঙ্গের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একজন শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে জয়ের পর আর্জেন্টিনার আচরণ নিয়েও তদন্ত করছে ফিফা। ওই ম্যাচের পর উদযাপনের সময় ‘লাস মালভিনাস সন আর্হেন্তিনাস’ লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন খেলোয়াড়রা। সমর্থকরাই এই ব্যানারটি আটলান্টা স্টেডিয়ামে গোপনে নিয়ে গিয়েছিলেন।

খেলোয়াড় বা দলের পক্ষ থেকে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। তাই এ ঘটনায় জড়িতরাও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।

বিষয় : আর্জেন্টিনা লিওনেল স্কালোনি স্পেন ফিফা রদ্রি ফিফা নাহুয়েল মলিনা লিওনার্দো পারেদেস এরিক গার্সিয়া

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


ফাইনালের পর মাঠে মারামারি, ফিফার তদন্তে আর্জেন্টিনা

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

রোববার বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর মাঠে যে সহিংস দৃশ্য দেখা গেছে, তার তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। এ ঘটনায় নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই মাঠে দৌড়ে ঢুকে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রিকে পেটে আঘাত করেন নাহুয়েল মলিনা। এ ছাড়া মাঠের মাঝমাঠেও বড় ধরনের ধস্তাধস্তি হয়। সেখানে এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরার পর গাভিকে মাটিতে ফেলে দেন লিওনার্দো পারেদেস।

এ ঘটনার পর রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ লাল কার্ড দেখান পারেদেসকে। এই একই রেফারি নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে এনজো ফার্নান্দেজকেও মাঠ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। এ ছাড়া আর্জেন্টিনার আরও তিন খেলোয়াড় এবং কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও হলুদ কার্ড দেখান তিনি।

ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, ‘স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রাসঙ্গিক ম্যাচ প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর, ফিফা শৃঙ্খলা কোডের অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, ম্যাচপরবর্তী ঘটনাগুলো নিয়ে সম্ভাব্য বিধিভঙ্গের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একজন শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে জয়ের পর আর্জেন্টিনার আচরণ নিয়েও তদন্ত করছে ফিফা। ওই ম্যাচের পর উদযাপনের সময় ‘লাস মালভিনাস সন আর্হেন্তিনাস’ লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন খেলোয়াড়রা। সমর্থকরাই এই ব্যানারটি আটলান্টা স্টেডিয়ামে গোপনে নিয়ে গিয়েছিলেন।

খেলোয়াড় বা দলের পক্ষ থেকে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। তাই এ ঘটনায় জড়িতরাও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত