আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূইয়ার বিরুদ্ধে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মডেল স্নিগ্ধা চৌধুরী (ইসরাত জাহান)। রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার পর থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন, প্রাণনাশের হুমকি এবং জোর করে মাদকজাতীয় কিছু পান করানো হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নজরুল ইসলাম ভূইয়া বা আশিয়ান গ্রুপের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে ইসরাত জাহান উল্লেখ করেন, গত ২৪ জুলাই বিকাল ৪টার দিকে ইমন নামে এক ব্যক্তি তাকে আশিয়ান গ্রুপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার প্রস্তাব দেন। এ জন্য ১৬ লাখ টাকায় চুক্তির কথা হয়। পরে ওই দিন রাত ৮টার দিকে মাকে সঙ্গে নিয়ে খিলক্ষেতের ৩০০ ফুট এলাকায় আশিয়ান মেডিক্যাল কলেজের একটি কার্যালয়ে আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূইয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান।
তার দাবি, মা বাসায় ফিরে যাওয়ার পর নজরুল ইসলাম ভূইয়া তাকে অন্য এক নারী ভেবে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন। তিনি ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলে সেখানে উপস্থিত ইমন নামের ব্যক্তি ইশারায় তাকে অভিযুক্তের কথা মেনে নিতে বলেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম ভূইয়া একটি শর্টগান বের করে গুলি করার হুমকি দেন। পরে তার হাত-পা বেঁধে গলা চেপে ধরা হয় এবং লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। চুল ধরে টেনে মেঝেতে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসরাত জাহান অভিযোগ করেন, অভিযুক্তের ব্যক্তিগত সহকারী তাকে জোর করে কফি পান করানোর চেষ্টা করেন। তিনি রাজি না হলে তার মুখে গরম কফি ছুড়ে মারা হয়। পরে কাঁচি দিয়ে মুখ বিকৃত করার হুমকি দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাকে মারধর করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রায় দুই ঘণ্টা নির্যাতনের পর তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক মদের সঙ্গে ওষুধজাতীয় কিছু মিশিয়ে পান করানো হয়। পরে নজরুল ইসলাম ভূইয়া অন্য কক্ষে গেলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভবনের প্রথম তলার বারান্দা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি।
ইসরাত জাহান অভিযোগে উল্লেখ করেন, ঘটনার পর এক দিন অচেতন ছিলেন। ২৬ জুলাই কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে খিলক্ষেত থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্ভিস ডেলিভারি অফিসার (এসডিও) বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে পরে জানাতে পারবেন।
অন্যদিকে, অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনাগুলোর বিষয়ে নজরুল ইসলাম ভূইয়া বা আশিয়ান গ্রুপের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূইয়ার বিরুদ্ধে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মডেল স্নিগ্ধা চৌধুরী (ইসরাত জাহান)। রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার পর থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন, প্রাণনাশের হুমকি এবং জোর করে মাদকজাতীয় কিছু পান করানো হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নজরুল ইসলাম ভূইয়া বা আশিয়ান গ্রুপের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে ইসরাত জাহান উল্লেখ করেন, গত ২৪ জুলাই বিকাল ৪টার দিকে ইমন নামে এক ব্যক্তি তাকে আশিয়ান গ্রুপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার প্রস্তাব দেন। এ জন্য ১৬ লাখ টাকায় চুক্তির কথা হয়। পরে ওই দিন রাত ৮টার দিকে মাকে সঙ্গে নিয়ে খিলক্ষেতের ৩০০ ফুট এলাকায় আশিয়ান মেডিক্যাল কলেজের একটি কার্যালয়ে আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূইয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান।
তার দাবি, মা বাসায় ফিরে যাওয়ার পর নজরুল ইসলাম ভূইয়া তাকে অন্য এক নারী ভেবে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন। তিনি ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলে সেখানে উপস্থিত ইমন নামের ব্যক্তি ইশারায় তাকে অভিযুক্তের কথা মেনে নিতে বলেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম ভূইয়া একটি শর্টগান বের করে গুলি করার হুমকি দেন। পরে তার হাত-পা বেঁধে গলা চেপে ধরা হয় এবং লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। চুল ধরে টেনে মেঝেতে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসরাত জাহান অভিযোগ করেন, অভিযুক্তের ব্যক্তিগত সহকারী তাকে জোর করে কফি পান করানোর চেষ্টা করেন। তিনি রাজি না হলে তার মুখে গরম কফি ছুড়ে মারা হয়। পরে কাঁচি দিয়ে মুখ বিকৃত করার হুমকি দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাকে মারধর করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রায় দুই ঘণ্টা নির্যাতনের পর তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক মদের সঙ্গে ওষুধজাতীয় কিছু মিশিয়ে পান করানো হয়। পরে নজরুল ইসলাম ভূইয়া অন্য কক্ষে গেলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভবনের প্রথম তলার বারান্দা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি।
ইসরাত জাহান অভিযোগে উল্লেখ করেন, ঘটনার পর এক দিন অচেতন ছিলেন। ২৬ জুলাই কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে খিলক্ষেত থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্ভিস ডেলিভারি অফিসার (এসডিও) বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে পরে জানাতে পারবেন।
অন্যদিকে, অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনাগুলোর বিষয়ে নজরুল ইসলাম ভূইয়া বা আশিয়ান গ্রুপের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন