ঢাকা    রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

নির্বাচনী মাঠে অনুপস্থিত থাকলেও ঢাকা-১৪ আসনের ভোটের সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলছেন আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন পারভেজ।

ভোটের লড়াইয়ে নেই, তবুও ঢাকা-১৪ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মোঃ মহসিন পারভেজ



ভোটের লড়াইয়ে নেই, তবুও ঢাকা-১৪ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মোঃ মহসিন পারভেজ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-১৪ এবার বিশেষভাবে আলোচনার কেন্দ্রে। একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও এই আসনের নির্বাচনী সমীকরণে সবচেয়ে আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন—নির্বাচনের মাঠে না থাকা আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক, মোঃ মহসিন পারভেজ।

ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি, গণফোরামসহ বিভিন্ন দলের মোট নয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া তালিকায় রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া বিএনপি নেতা সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু, যিনি বৃহত্তর মিরপুর এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম এস এ খালেকের পুত্র। জানা গেছে, তিনি এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন।

এই বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেই ভোটারদের আলোচনার বড় অংশ জুড়ে রয়েছেন আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন পারভেজ। প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েই তিনি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন। তাঁর সাংগঠনিক সক্ষমতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, দেশপ্রেম এবং সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ মনোভাব খুব অল্প সময়েই তাঁকে নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলে।

বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন পারভেজকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এলাকাবাসীর বড় একটি অংশ তাঁকে ভবিষ্যৎ রাজনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করছিল।

তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ মুহূর্তে নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে তাঁর কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ হতাশ হন। এরপরও তিনি স্পষ্ট করে জানান, নির্বাচনে অংশ না নিলেও তিনি সবসময় জনগণের পাশে থাকবেন এবং সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

এই প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক, মোঃ মহসিন পারভেজ মাঠে না থাকায় কার লাভ? এলাকাবাসীর কথাবার্তায় তার উত্তরও মিলছে। এক নারী ভোটার স্পষ্ট ভাষায় বলেন,

“এখানে দল নয়, মানুষই আসল বিষয়। যাকে মানুষ সুখে-দুঃখে পাশে পেয়েছে, শেষ পর্যন্ত ভোটও তার কথাতেই ঘুরবে।”

একজন তরুণ ভোটারের বক্তব্য আরও একধাপ এগিয়ে যায়। তিনি বলেন,

“মহসিন পারভেজ ভাই যাকে সমর্থন দেবেন, তার জয়ের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। কারণ মানুষের আস্থা তাঁর ওপর।”

সব মিলিয়ে, ঢাকা-১৪ আসনের নির্বাচন কেবল ঘোষিত প্রার্থীদের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। বরং ভোটের মাঠে অনুপস্থিত থেকেও আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন পারভেজ একটি বড় রাজনৈতিক ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তাঁর অবস্থান, নীরব ভূমিকা কিংবা সম্ভাব্য সমর্থন—সবকিছুই এই আসনের ভোটের হিসাবকে আরও জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


ভোটের লড়াইয়ে নেই, তবুও ঢাকা-১৪ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মোঃ মহসিন পারভেজ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-১৪ এবার বিশেষভাবে আলোচনার কেন্দ্রে। একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও এই আসনের নির্বাচনী সমীকরণে সবচেয়ে আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন—নির্বাচনের মাঠে না থাকা আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক, মোঃ মহসিন পারভেজ।

ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি, গণফোরামসহ বিভিন্ন দলের মোট নয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া তালিকায় রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া বিএনপি নেতা সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু, যিনি বৃহত্তর মিরপুর এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম এস এ খালেকের পুত্র। জানা গেছে, তিনি এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন।

এই বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেই ভোটারদের আলোচনার বড় অংশ জুড়ে রয়েছেন আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন পারভেজ। প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েই তিনি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন। তাঁর সাংগঠনিক সক্ষমতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, দেশপ্রেম এবং সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ মনোভাব খুব অল্প সময়েই তাঁকে নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলে।

বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন পারভেজকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এলাকাবাসীর বড় একটি অংশ তাঁকে ভবিষ্যৎ রাজনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করছিল।

তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ মুহূর্তে নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে তাঁর কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ হতাশ হন। এরপরও তিনি স্পষ্ট করে জানান, নির্বাচনে অংশ না নিলেও তিনি সবসময় জনগণের পাশে থাকবেন এবং সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

এই প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক, মোঃ মহসিন পারভেজ মাঠে না থাকায় কার লাভ? এলাকাবাসীর কথাবার্তায় তার উত্তরও মিলছে। এক নারী ভোটার স্পষ্ট ভাষায় বলেন,

“এখানে দল নয়, মানুষই আসল বিষয়। যাকে মানুষ সুখে-দুঃখে পাশে পেয়েছে, শেষ পর্যন্ত ভোটও তার কথাতেই ঘুরবে।”

একজন তরুণ ভোটারের বক্তব্য আরও একধাপ এগিয়ে যায়। তিনি বলেন,

“মহসিন পারভেজ ভাই যাকে সমর্থন দেবেন, তার জয়ের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। কারণ মানুষের আস্থা তাঁর ওপর।”

সব মিলিয়ে, ঢাকা-১৪ আসনের নির্বাচন কেবল ঘোষিত প্রার্থীদের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। বরং ভোটের মাঠে অনুপস্থিত থেকেও আমজনতার দলের ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন পারভেজ একটি বড় রাজনৈতিক ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তাঁর অবস্থান, নীরব ভূমিকা কিংবা সম্ভাব্য সমর্থন—সবকিছুই এই আসনের ভোটের হিসাবকে আরও জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত