রাজধানীর ঢাকা ১১ নম্বর ওয়ার্ডে আসন্ন কাউন্সিলর নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন বিএনপির সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুব হায়দার আরিফ। তিনি এই ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন।
জানা গেছে, ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় থাকার সময় থেকেই এলাকায় তার একটি পরিচিতি তৈরি হয়। বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম, শিক্ষার্থী অধিকার আন্দোলন এবং স্থানীয় উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি সমর্থকগোষ্ঠী গড়ে তুলেছেন।
মাহবুব হায়দার আরিফ বলেন, “রাজনীতি শুধু ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার একটি মাধ্যম। আমি চাই আমার ওয়ার্ডকে একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং উন্নত নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন এলাকায় রূপান্তর করতে।” তিনি তরুণদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ মনে করছেন, নতুন প্রার্থী হিসেবে তিনি পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে আসতে পারেন। তবে অন্যদিকে, অভিজ্ঞ প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা তার জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ঢাকা ১১ নম্বর ওয়ার্ডে এবার নতুন ও পুরোনো প্রার্থীদের মধ্যে জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে মাহবুব হায়দার আরিফের প্রচার-প্রচারণা ও জনসম্পৃক্ততা নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, যা ভোটারদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে।
বিষয় : ১১ নম্বর ওয়ার্ড

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর ঢাকা ১১ নম্বর ওয়ার্ডে আসন্ন কাউন্সিলর নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন বিএনপির সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুব হায়দার আরিফ। তিনি এই ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন।
জানা গেছে, ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় থাকার সময় থেকেই এলাকায় তার একটি পরিচিতি তৈরি হয়। বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম, শিক্ষার্থী অধিকার আন্দোলন এবং স্থানীয় উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি সমর্থকগোষ্ঠী গড়ে তুলেছেন।
মাহবুব হায়দার আরিফ বলেন, “রাজনীতি শুধু ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার একটি মাধ্যম। আমি চাই আমার ওয়ার্ডকে একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং উন্নত নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন এলাকায় রূপান্তর করতে।” তিনি তরুণদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ মনে করছেন, নতুন প্রার্থী হিসেবে তিনি পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে আসতে পারেন। তবে অন্যদিকে, অভিজ্ঞ প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা তার জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ঢাকা ১১ নম্বর ওয়ার্ডে এবার নতুন ও পুরোনো প্রার্থীদের মধ্যে জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে মাহবুব হায়দার আরিফের প্রচার-প্রচারণা ও জনসম্পৃক্ততা নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, যা ভোটারদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন