তরুণ কবি সোহান, পেশায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, তার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে লিখেছেন “অসমাপ্ত যাত্রা” শিরোনামের কবিতাটি। কবিতায় তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—মানুষ কি এতই মূল্যহীন? শহরের অযত্ন, নির্মাণস্থলের অসুরক্ষিত কাজ এবং নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের কারণে প্রতিদিন নিরপরাধ মানুষের প্রাণ ঝরে যাচ্ছে। ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারী, ক্লান্ত শ্রমিক, বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা দেওয়া যুবক—সবাই সম্ভাব্য ঝুঁকির মুখোমুখি। নির্মাণাধীন ভবনের ইট ও লোহা পড়ে মানুষের মৃত্যু এখন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কবিতার মাধ্যমে সমাজের দায়িত্বশীলদের প্রতি এক সতর্কবার্তা জানানো হয়েছে। প্রশ্ন করা হয়েছে—এই অনাবশ্যক মৃত্যু কি থামানো সম্ভব? আর যারা দায়িত্বে আছেন, তারা কি এ দায় এড়িয়ে যেতে পারবেন?
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন পাঠকদের জন্য আজ এই কবিতাটি প্রকাশ করা হলো। আশা করা যায়, “অসমাপ্ত যাত্রা” শহরের নিরাপত্তাহীনতা ও দায়বদ্ধতার সচেতনতা জাগ্রত করবে।
— সহ-সম্পাদক, সাহিত্যপাতা
অসমাপ্ত যাত্রা
মানুষ কি এতই মুল্যহীন?
অপঘাতে প্রাণ ঝরছে প্রতিদিন
কখনো নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের ধাক্কায়
রডের আঘাতে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকায়
দৈত্যকার গার্ডারের চাপায়
কখনো আবার পরিত্যক্ত কুয়ায়
নির্মাণাধীন ভবনের মালামাল পড়ে
কতই না নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে
দুপুরের লাঞ্চের পর ক্লান্ত আশফাক
রাস্তায় আড্ডায় বন্ধুর সাথে করছিল স্মোক
নির্মাণের দানব মুখ থেকে ঝরে ইট-লোহার বৃষ্টি,
তা নিয়ন্ত্রণে নাই কারো দায়- দৃষ্টি
পথচারীর মস্তকে ফোটে রক্তাক্ত ফুল
এই দেশে জন্ম নেয়াই কি আমাদের ভুল!
এই অপমৃত্যু থামানোর নাই কি কোনো উপায়!
দায়িত্বশীল রা কি এড়াতে পারে এই দায়?
... সোহান....

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
তরুণ কবি সোহান, পেশায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, তার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে লিখেছেন “অসমাপ্ত যাত্রা” শিরোনামের কবিতাটি। কবিতায় তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—মানুষ কি এতই মূল্যহীন? শহরের অযত্ন, নির্মাণস্থলের অসুরক্ষিত কাজ এবং নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের কারণে প্রতিদিন নিরপরাধ মানুষের প্রাণ ঝরে যাচ্ছে। ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারী, ক্লান্ত শ্রমিক, বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা দেওয়া যুবক—সবাই সম্ভাব্য ঝুঁকির মুখোমুখি। নির্মাণাধীন ভবনের ইট ও লোহা পড়ে মানুষের মৃত্যু এখন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কবিতার মাধ্যমে সমাজের দায়িত্বশীলদের প্রতি এক সতর্কবার্তা জানানো হয়েছে। প্রশ্ন করা হয়েছে—এই অনাবশ্যক মৃত্যু কি থামানো সম্ভব? আর যারা দায়িত্বে আছেন, তারা কি এ দায় এড়িয়ে যেতে পারবেন?
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন পাঠকদের জন্য আজ এই কবিতাটি প্রকাশ করা হলো। আশা করা যায়, “অসমাপ্ত যাত্রা” শহরের নিরাপত্তাহীনতা ও দায়বদ্ধতার সচেতনতা জাগ্রত করবে।
— সহ-সম্পাদক, সাহিত্যপাতা
অসমাপ্ত যাত্রা
মানুষ কি এতই মুল্যহীন?
অপঘাতে প্রাণ ঝরছে প্রতিদিন
কখনো নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের ধাক্কায়
রডের আঘাতে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকায়
দৈত্যকার গার্ডারের চাপায়
কখনো আবার পরিত্যক্ত কুয়ায়
নির্মাণাধীন ভবনের মালামাল পড়ে
কতই না নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে
দুপুরের লাঞ্চের পর ক্লান্ত আশফাক
রাস্তায় আড্ডায় বন্ধুর সাথে করছিল স্মোক
নির্মাণের দানব মুখ থেকে ঝরে ইট-লোহার বৃষ্টি,
তা নিয়ন্ত্রণে নাই কারো দায়- দৃষ্টি
পথচারীর মস্তকে ফোটে রক্তাক্ত ফুল
এই দেশে জন্ম নেয়াই কি আমাদের ভুল!
এই অপমৃত্যু থামানোর নাই কি কোনো উপায়!
দায়িত্বশীল রা কি এড়াতে পারে এই দায়?
... সোহান....

আপনার মতামত লিখুন