ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনালে অলস পড়ে থাকা বাসগুলো পূর্বাচলে অস্থায়ী ডিপোতে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে ২০টি বাস সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
এ উদ্যোগের ফলে মহাখালী এলাকায় যানজট কমে আসবে বলে মনে করছেন সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
এ কার্যক্রম শুরুর আগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিমুল বিশ্বাস ছাড়াও ঢাকা পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
যানজটকে ‘বড় সমস্যা’ হিসেবে অভিহিত করে শিমুল বিশ্বাস বলেন, ঢাকার ভেতরের বাস টার্মিনালগুলো পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে মহাখালী বাস টার্মিনালে অযথা পড়ে থাকা বাসগুলো সরিয়ে পূর্বাচলে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, “এগুলোর যখন ট্রিপ হবে, সে অনুযায়ী বাসগুলো টার্মিনালে সিরিয়াল অনুযায়ী ঢুকবে।”
পূর্বাচলের ৩ নম্বর সেক্টরে রাজউকের ১০ একর জায়গায় বাসগুলো রাখা হবে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেন।
তার হিসাবে, সেখানে ৫০০টি বাস রাখার সুযোগ রয়েছে।
এর আগে গত জুনে সচিবালয়ে ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নসংক্রান্ত এক সভায় চারটি বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর থেকেই এ নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়।
স্থানান্তরের তালিকায় রয়েছে ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনালটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হবে। সেখানে বড় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। গাবতলী বাস টার্মিনালটি হেমায়েতপুরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও আপাতত টার্মিনালের পাশে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি খালি জায়গা রয়েছে। সেখানে এটি সম্প্রসারণ করা হবে। সায়েদাবাদ টার্মিনালটি কাঁচপুরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। সেখানেও সংস্কারের কাজ চলছে।
তিনি আরও জানান, মহাখালী বাস টার্মিনালের ট্রিপ না থাকা বাসগুলো আপাতত পূর্বাচলে নেওয়া হলেও পরে সেগুলোকে স্থায়ীভাবে টঙ্গীর কাছে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিষয় : মহাখালী বাস টার্মিনাল

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনালে অলস পড়ে থাকা বাসগুলো পূর্বাচলে অস্থায়ী ডিপোতে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে ২০টি বাস সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
এ উদ্যোগের ফলে মহাখালী এলাকায় যানজট কমে আসবে বলে মনে করছেন সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
এ কার্যক্রম শুরুর আগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিমুল বিশ্বাস ছাড়াও ঢাকা পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
যানজটকে ‘বড় সমস্যা’ হিসেবে অভিহিত করে শিমুল বিশ্বাস বলেন, ঢাকার ভেতরের বাস টার্মিনালগুলো পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে মহাখালী বাস টার্মিনালে অযথা পড়ে থাকা বাসগুলো সরিয়ে পূর্বাচলে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, “এগুলোর যখন ট্রিপ হবে, সে অনুযায়ী বাসগুলো টার্মিনালে সিরিয়াল অনুযায়ী ঢুকবে।”
পূর্বাচলের ৩ নম্বর সেক্টরে রাজউকের ১০ একর জায়গায় বাসগুলো রাখা হবে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেন।
তার হিসাবে, সেখানে ৫০০টি বাস রাখার সুযোগ রয়েছে।
এর আগে গত জুনে সচিবালয়ে ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নসংক্রান্ত এক সভায় চারটি বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর থেকেই এ নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়।
স্থানান্তরের তালিকায় রয়েছে ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনালটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হবে। সেখানে বড় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। গাবতলী বাস টার্মিনালটি হেমায়েতপুরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও আপাতত টার্মিনালের পাশে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি খালি জায়গা রয়েছে। সেখানে এটি সম্প্রসারণ করা হবে। সায়েদাবাদ টার্মিনালটি কাঁচপুরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। সেখানেও সংস্কারের কাজ চলছে।
তিনি আরও জানান, মহাখালী বাস টার্মিনালের ট্রিপ না থাকা বাসগুলো আপাতত পূর্বাচলে নেওয়া হলেও পরে সেগুলোকে স্থায়ীভাবে টঙ্গীর কাছে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন