ঢাকা    বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

৩৩১৪ একর অনুমোদনের বিপরীতে প্রকল্পে পাওয়া গেছে ৩৪০৪ একর জমি

বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পে সরকারি জমির খোঁজ পেল মন্ত্রণালয়



বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পে সরকারি জমির খোঁজ পেল মন্ত্রণালয়

রাজধানীর বেসরকারি আবাসিক প্রকল্প বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ২২২ বিঘা সরকারি জমি চিহ্নিত করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছ থেকে প্রকল্প অনুমোদনের নথিপত্র যাচাই শেষে ৩ হাজার ৩১৪ দশমিক ৮৯ একর জমির অনুমোদনের প্রমাণ পেয়েছে সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু বাস্তবে বাড্ডা, ভাটারা, খিলখেত ও ক্যান্টনমেন্ট থানার মোট ৯টি মৌজায় ৩ হাজার ৪০৪ দশমিক ৪০ একর জমি বসুন্ধরার মালিকানাধীন ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে। ফলে ৭৪ দশমিক ১৮ একরকে সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট জমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৫ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সারসংক্ষেপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সরকারি জমি চিহ্নিত হওয়ার বিষয়টি গত ৫ মে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। চিঠিতে লেখা হয়েছে, বিষয়টির লিখিত সারসংক্ষেপ গণপূর্ত মন্ত্রী দেখেছেন এবং মন্ত্রী-সভা বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য সম্মতি দিয়েছেন।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাভুক্ত করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে একটি অনুশাসন দেওয়া হয়। এরপর মন্ত্রণালয় ও রাজউকের একটি দল মিলে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে চিঠি আকারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্লট-ফ্ল্যাট হস্তান্তরে ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে যে ফি আদায় করা হয়, তা বাতিলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আগামী সোমবার (১১ মে) সভা ডাকা হয়েছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এমনিতেই ডিএনসিসির অধীনে রয়েছে। খাস জমি উদ্ধার শুধু বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়ই নয়, সারা দেশেই উদ্ধার করা হবে। যা হবে, সব আইনগতভাবেই হবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার উদ্যোক্তা কোম্পানী সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই তাদের প্রকল্পের ম্যাপ ও জিআইএস ডাটাবেস গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। 

বিষয় : বসুন্ধরা

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পে সরকারি জমির খোঁজ পেল মন্ত্রণালয়

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বেসরকারি আবাসিক প্রকল্প বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ২২২ বিঘা সরকারি জমি চিহ্নিত করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছ থেকে প্রকল্প অনুমোদনের নথিপত্র যাচাই শেষে ৩ হাজার ৩১৪ দশমিক ৮৯ একর জমির অনুমোদনের প্রমাণ পেয়েছে সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু বাস্তবে বাড্ডা, ভাটারা, খিলখেত ও ক্যান্টনমেন্ট থানার মোট ৯টি মৌজায় ৩ হাজার ৪০৪ দশমিক ৪০ একর জমি বসুন্ধরার মালিকানাধীন ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে। ফলে ৭৪ দশমিক ১৮ একরকে সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট জমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৫ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সারসংক্ষেপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সরকারি জমি চিহ্নিত হওয়ার বিষয়টি গত ৫ মে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। চিঠিতে লেখা হয়েছে, বিষয়টির লিখিত সারসংক্ষেপ গণপূর্ত মন্ত্রী দেখেছেন এবং মন্ত্রী-সভা বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য সম্মতি দিয়েছেন।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাভুক্ত করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে একটি অনুশাসন দেওয়া হয়। এরপর মন্ত্রণালয় ও রাজউকের একটি দল মিলে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে চিঠি আকারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্লট-ফ্ল্যাট হস্তান্তরে ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে যে ফি আদায় করা হয়, তা বাতিলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আগামী সোমবার (১১ মে) সভা ডাকা হয়েছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এমনিতেই ডিএনসিসির অধীনে রয়েছে। খাস জমি উদ্ধার শুধু বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়ই নয়, সারা দেশেই উদ্ধার করা হবে। যা হবে, সব আইনগতভাবেই হবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার উদ্যোক্তা কোম্পানী সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই তাদের প্রকল্পের ম্যাপ ও জিআইএস ডাটাবেস গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। 



বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত