ঢাকা    বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

ঢাবি শিক্ষার্থী রাহিদ পাভেল মারধর মামলায় বিচারিক অগ্রগতি

‘এফআইআর একবার হলে তা প্রত্যাহার করা যায় না’—হাইকোর্ট



‘এফআইআর একবার হলে তা প্রত্যাহার করা যায় না’—হাইকোর্ট

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। 

এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তী নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এসময় হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার এজাহার প্রসঙ্গ তুলে আনা হয়। হাইকোর্ট বলেন, একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। 

গত ৮ মার্চ দিবাগত রাত তিনটার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের পর তাকে শাহবাগ থানায় রেখে আসা হয়। রাহিদ অভিযোগ করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাকে মারধর করেছিলেন। 

রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তিনি।

ঘটনার সময় রাহিদ বলেন, ‘ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাইভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।’

রাহিদ অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন তাকে মারধর করেছেন।

তবে রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন কিনা, সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি অভিযোগকারীরা।

পরে এ ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।

বিষয় : এফআইআর সাত খুন মামলা

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


‘এফআইআর একবার হলে তা প্রত্যাহার করা যায় না’—হাইকোর্ট

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। 

এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তী নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এসময় হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার এজাহার প্রসঙ্গ তুলে আনা হয়। হাইকোর্ট বলেন, একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। 

গত ৮ মার্চ দিবাগত রাত তিনটার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের পর তাকে শাহবাগ থানায় রেখে আসা হয়। রাহিদ অভিযোগ করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাকে মারধর করেছিলেন। 

রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তিনি।

ঘটনার সময় রাহিদ বলেন, ‘ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাইভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।’

রাহিদ অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন তাকে মারধর করেছেন।

তবে রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন কিনা, সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি অভিযোগকারীরা।

পরে এ ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত