পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গায় আগামী বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বাবরি মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। তৃণমূল নেতা ও জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির এই তথ্য জানিয়েছেন।
হুমায়ুন কবির জানান, বুধবার সকাল ১০টায় কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় ১,২০০ জন মাওলানা ও মুফতি হাফেজ অংশ নেবেন। দুপুর ১২টার পর মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, দুই বছরের মধ্যে মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন হবে।
হুমায়ুন কবির আরও বলেছেন, তার জীবন শেষ হলেও তিনি মসজিদ নির্মাণ কাজ থামাবেন না। তিনি বলেন, “আমি বাবরি মসজিদ নির্মাণ করব এবং কারো ক্ষমতা নেই আমাদের বাধা দেওয়ার।”
মসজিদ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা মুর্শিদাবাদে পৌঁছেছেন। পাশাপাশি, কাজ শুরু হওয়ার পরের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) হুমায়ুন কবির নদীয়া জেলার পলাশী থেকে ২৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে ‘বাবরি যাত্রা’ শুরু করবেন। এই যাত্রা শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহারে শেষ হবে।
এ নিয়ে রাজ্যের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্ব হিন্দু রক্ষা কমিটি মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগিয়ে ঘোষণা করেছে, তারা বাবরি মসজিদ নির্মাণে বাধা দেবে।
হুমায়ুন কবির বলেছেন, তিনি হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোনো বিরোধিতা করছেন না। তবে কেউ মসজিদ ভাঙার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “এটা মুর্শিদাবাদ, আমার মসজিদ নির্মাণের অধিকার আছে এবং সুপ্রিম কোর্টও মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।”
বিষয় : বাবরি মসজিদ বাবরি যাত্রা

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গায় আগামী বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বাবরি মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। তৃণমূল নেতা ও জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির এই তথ্য জানিয়েছেন।
হুমায়ুন কবির জানান, বুধবার সকাল ১০টায় কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় ১,২০০ জন মাওলানা ও মুফতি হাফেজ অংশ নেবেন। দুপুর ১২টার পর মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, দুই বছরের মধ্যে মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন হবে।
হুমায়ুন কবির আরও বলেছেন, তার জীবন শেষ হলেও তিনি মসজিদ নির্মাণ কাজ থামাবেন না। তিনি বলেন, “আমি বাবরি মসজিদ নির্মাণ করব এবং কারো ক্ষমতা নেই আমাদের বাধা দেওয়ার।”
মসজিদ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা মুর্শিদাবাদে পৌঁছেছেন। পাশাপাশি, কাজ শুরু হওয়ার পরের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) হুমায়ুন কবির নদীয়া জেলার পলাশী থেকে ২৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে ‘বাবরি যাত্রা’ শুরু করবেন। এই যাত্রা শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহারে শেষ হবে।
এ নিয়ে রাজ্যের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্ব হিন্দু রক্ষা কমিটি মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগিয়ে ঘোষণা করেছে, তারা বাবরি মসজিদ নির্মাণে বাধা দেবে।
হুমায়ুন কবির বলেছেন, তিনি হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোনো বিরোধিতা করছেন না। তবে কেউ মসজিদ ভাঙার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “এটা মুর্শিদাবাদ, আমার মসজিদ নির্মাণের অধিকার আছে এবং সুপ্রিম কোর্টও মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।”

আপনার মতামত লিখুন