ঢাকা    রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

কার্যপ্রণালী বিধি মেনে আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখতে স্পিকারের আহ্বান

রুমিন ফারহানার বক্তব্য চলাকালে সংসদে অশোভন অঙ্গভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জামায়াত আমির



রুমিন ফারহানার বক্তব্য চলাকালে সংসদে অশোভন অঙ্গভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জামায়াত আমির

সংসদ অধিবেশন চলাকালে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) রুমিন ফারহানা বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকার দলীয় কয়েকজন এমপির অশোভন অঙ্গভঙ্গি নিয়ে বিরোধী দলের নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এর সভাপতিত্বে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংসদ দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের জায়গা। যারা এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন দেশের জনগণের সমর্থন ভোট, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিয়ে এসেছেন। আমরা সকল সদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলব, যখন কোনো সংসদ সদস্য যখন দাঁড়িয়ে কোনো কথা বলবেন তা নিয়ন্ত্রণ অথবা তাকে এলাও করার একক এখতিয়ার হচ্ছে স্পিকারের।

তিনি বলেন, সেই জায়গায় আজকে লক্ষ্য করলাম যে একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য তিনি যখন কথা বলছিলেন দুঃখজনকভাবে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে সম্মানিত কিছু সদস্য এমন কিছু অঙ্গভঙ্গি করেছেন যেটা আমার বিবেকে আঘাত লেগেছে। আমি এটা আশা করি না। এমনকি আমি এও লক্ষ্য করলাম একবার দুইবার নয় চারবার পাঁচবার নির্বাচিত হয়ে সংসদে যারা এসেছেন তাদের কেউ কেউ এই কাজটা করেছেন। আমি এখানে তাদের নাম বলে আমি নিজে লজ্জা পেতে চাই না। 

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথম দিনই বলেছিলাম, এখানে একটি ভালো সংস্কৃতির চর্চা হোক। কিন্তু বারবার বলার পরও এমন আচরণ দুঃখজনক এবং আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে কথা বলার সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তা উদ্বেগের।

বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য অনুযায়ী স্পিকার সকলকে সংসদীয় শিষ্টাচার বজায় রাখার এবং কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী আলোচনার পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।

এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম নতুন সদস্যদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলেন, সংসদে ২২০ জন নতুন সদস্য আছেন। তারা তাদের নির্বাচনী এলাকা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলতে চান। কিন্তু অনেকেই বারবার সুযোগ পেলেও, কেউ কেউ একবারও কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না।

চিফ হুইপ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, যিনি নোটিশ আগে দেবেন, তারটা যেন সিরিয়াল অনুযায়ী আগে আসে। বিষয়টি যদি কিছুদিন অনুসরণ করা হয়, তবে নতুন সদস্যরা উৎসাহ পাবেন এবং সংসদ আরও প্রাণবন্ত হবে।

বিষয় : ডা. শফিকুর রহমান রুমিন ফারহানা

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


রুমিন ফারহানার বক্তব্য চলাকালে সংসদে অশোভন অঙ্গভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জামায়াত আমির

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সংসদ অধিবেশন চলাকালে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) রুমিন ফারহানা বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকার দলীয় কয়েকজন এমপির অশোভন অঙ্গভঙ্গি নিয়ে বিরোধী দলের নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এর সভাপতিত্বে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংসদ দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের জায়গা। যারা এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন দেশের জনগণের সমর্থন ভোট, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিয়ে এসেছেন। আমরা সকল সদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলব, যখন কোনো সংসদ সদস্য যখন দাঁড়িয়ে কোনো কথা বলবেন তা নিয়ন্ত্রণ অথবা তাকে এলাও করার একক এখতিয়ার হচ্ছে স্পিকারের।

তিনি বলেন, সেই জায়গায় আজকে লক্ষ্য করলাম যে একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য তিনি যখন কথা বলছিলেন দুঃখজনকভাবে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে সম্মানিত কিছু সদস্য এমন কিছু অঙ্গভঙ্গি করেছেন যেটা আমার বিবেকে আঘাত লেগেছে। আমি এটা আশা করি না। এমনকি আমি এও লক্ষ্য করলাম একবার দুইবার নয় চারবার পাঁচবার নির্বাচিত হয়ে সংসদে যারা এসেছেন তাদের কেউ কেউ এই কাজটা করেছেন। আমি এখানে তাদের নাম বলে আমি নিজে লজ্জা পেতে চাই না। 

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথম দিনই বলেছিলাম, এখানে একটি ভালো সংস্কৃতির চর্চা হোক। কিন্তু বারবার বলার পরও এমন আচরণ দুঃখজনক এবং আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে কথা বলার সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তা উদ্বেগের।

বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য অনুযায়ী স্পিকার সকলকে সংসদীয় শিষ্টাচার বজায় রাখার এবং কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী আলোচনার পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।

এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম নতুন সদস্যদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলেন, সংসদে ২২০ জন নতুন সদস্য আছেন। তারা তাদের নির্বাচনী এলাকা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলতে চান। কিন্তু অনেকেই বারবার সুযোগ পেলেও, কেউ কেউ একবারও কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না।

চিফ হুইপ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, যিনি নোটিশ আগে দেবেন, তারটা যেন সিরিয়াল অনুযায়ী আগে আসে। বিষয়টি যদি কিছুদিন অনুসরণ করা হয়, তবে নতুন সদস্যরা উৎসাহ পাবেন এবং সংসদ আরও প্রাণবন্ত হবে।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত