ঢাকা    রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

চাকরির জন্য হাজারো আবেদন আসে, কিন্তু এইচআরদের কাজ মূলত যোগ্য প্রার্থী বাছাই ও রেকমেন্ড করা; তারা এককভাবে চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না।

বাংলাদেশে এইচআর: প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তবতার ফাঁক



বাংলাদেশে এইচআর: প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তবতার ফাঁক

বাংলাদেশে এইচআর পেশাটাকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা আর বাস্তবতার মাঝে বেশ বড় একটা ফাঁক আছে। অনেকেই মনে করেন, এইচআর মানেই তিনি চাইলেই যেকোনো সময় যেকোনো মানুষকে চাকরি দিতে পারেন। ফলে হাতে সিভি দিলেই বা ইনবক্সে সিভি পাঠালেই একটা নিশ্চিত চাকরির আশা জন্ম নেয়। কিন্তু বাস্তবতা আসলে এতটা সহজ বা আবেগ নির্ভর নয়।  

কোনো প্রতিষ্ঠানে কাউকে চাকরি দেওয়ার আগে সেখানে আদৌ জব ভ্যাকেন্সি আছে কিনা, সেই পদের নির্দিষ্ট রিকোয়ারমেন্ট কী, ক্যান্ডিডেটের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও স্কিলসের সাথে সেই রিকোয়ারমেন্টের মিল আছে কিনা এই সবকিছু মিলিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখানে এইচআর এককভাবে সিদ্ধান্তদাতা নন; তাদের কাজ করতে হয় প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা, বাজেট এবং ম্যানেজমেন্টের অনুমোদনের ভেতরে থেকে।

বাংলাদেশের জব মার্কেট অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। একটি মাত্র পদের জন্য শত শত, কখনো হাজারো আবেদন আসে। এই বাস্তবতায় এইচআরদের মূল ভূমিকা হয়ে দাঁড়ায় যোগ্য ও উপযুক্ত ক্যান্ডিডেট বাছাই করা। এইচআররা সাধারণত ক্যান্ডিডেটদের জন্য যা করতে পারেন, তা হলো সিভি সংরক্ষণ করা, ভবিষ্যতে প্রাসঙ্গিক কোনো ভ্যাকেন্সি হলে বিবেচনায় রাখা, অথবা উপযুক্ত মনে হলে সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টে রেকমেন্ড করা। এর বাইরে গিয়ে নিয়ম ভেঙে কাউকে চাকরি দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সার্বিক বাস্তবতা বিবেচনা করলে এইচআরদের ওপর অযৌক্তিক প্রত্যাশা না রেখে জব মার্কেটের বাস্তব দিকগুলো বোঝাই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত!!

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


বাংলাদেশে এইচআর: প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তবতার ফাঁক

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে এইচআর পেশাটাকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা আর বাস্তবতার মাঝে বেশ বড় একটা ফাঁক আছে। অনেকেই মনে করেন, এইচআর মানেই তিনি চাইলেই যেকোনো সময় যেকোনো মানুষকে চাকরি দিতে পারেন। ফলে হাতে সিভি দিলেই বা ইনবক্সে সিভি পাঠালেই একটা নিশ্চিত চাকরির আশা জন্ম নেয়। কিন্তু বাস্তবতা আসলে এতটা সহজ বা আবেগ নির্ভর নয়।  

কোনো প্রতিষ্ঠানে কাউকে চাকরি দেওয়ার আগে সেখানে আদৌ জব ভ্যাকেন্সি আছে কিনা, সেই পদের নির্দিষ্ট রিকোয়ারমেন্ট কী, ক্যান্ডিডেটের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও স্কিলসের সাথে সেই রিকোয়ারমেন্টের মিল আছে কিনা এই সবকিছু মিলিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখানে এইচআর এককভাবে সিদ্ধান্তদাতা নন; তাদের কাজ করতে হয় প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা, বাজেট এবং ম্যানেজমেন্টের অনুমোদনের ভেতরে থেকে।

বাংলাদেশের জব মার্কেট অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। একটি মাত্র পদের জন্য শত শত, কখনো হাজারো আবেদন আসে। এই বাস্তবতায় এইচআরদের মূল ভূমিকা হয়ে দাঁড়ায় যোগ্য ও উপযুক্ত ক্যান্ডিডেট বাছাই করা। এইচআররা সাধারণত ক্যান্ডিডেটদের জন্য যা করতে পারেন, তা হলো সিভি সংরক্ষণ করা, ভবিষ্যতে প্রাসঙ্গিক কোনো ভ্যাকেন্সি হলে বিবেচনায় রাখা, অথবা উপযুক্ত মনে হলে সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টে রেকমেন্ড করা। এর বাইরে গিয়ে নিয়ম ভেঙে কাউকে চাকরি দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সার্বিক বাস্তবতা বিবেচনা করলে এইচআরদের ওপর অযৌক্তিক প্রত্যাশা না রেখে জব মার্কেটের বাস্তব দিকগুলো বোঝাই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত!!


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত