বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভের পর আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে। এবার এ ইস্যুতে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন ভারতের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা আসাদ উদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে ভারতের ‘দ্বৈত নীতি’র অভিযোগ।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভারতজুড়ে কয়েকটি সংগঠনের বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাদ দেওয়া হয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ভারতীয় রাজনীতি ও ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
এই ইস্যুতে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন ভারতের রাজনৈতিক দল এআইএমআইএম-এর প্রধান আসাদ উদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর প্রশ্ন,
“যদি কেকেআর থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া যায়, তাহলে একইভাবে ভারতে আশ্রয়ে থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কেন সে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে না?”
মুস্তাফিজুর রহমান ও শেখ হাসিনা—এই দুই বাংলাদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে ভারতের ভিন্ন অবস্থানকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ করেন ওয়েইসি। গত শনিবার মুম্বাইয়ে এক জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।
সভায় ওয়েইসি বলেন,
“মুম্বাই ও ভারতের মানুষকে তারা (বিজেপি) বলছে—দেখো, আমরা একজন বাংলাদেশিকে (মুস্তাফিজুর রহমান) পাঠিয়ে দিয়েছি। কিন্তু আরেকজন বাংলাদেশিও তো ভারতে বসে আছেন, যিনি মোদির বোন হিসেবে দিল্লিতে অবস্থান করছেন, তাকেও তো ফেরত পাঠানো হচ্ছে না।”
এরপর সভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ওয়েইসি প্রশ্ন ছুড়ে দেন,
“আপনারা কি চান শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হোক?”
এ সময় উপস্থিত জনতা একযোগে ‘হ্যাঁ’ বলে সাড়া দেয়।
এরপর ওয়েইসি উপস্থিতদের স্লোগান দিতে আহ্বান জানান। সভাস্থলে সমস্বরে স্লোগান ওঠে। এ সময় ওয়েইসিকে বলতে শোনা যায়,
“মোদি জি, আপনি শুনুন—এই কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে। সবাই বলছে, উনাকে দেশ থেকে হটান, বাংলাদেশে ফেরত পাঠান।”
বিশ্লেষকদের মতে, মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা কেবল ক্রীড়াক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা এখন ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং কূটনৈতিক আলোচনার নতুন উপাদান হয়ে উঠেছে। ওয়েইসির বক্তব্য সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভের পর আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে। এবার এ ইস্যুতে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন ভারতের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা আসাদ উদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে ভারতের ‘দ্বৈত নীতি’র অভিযোগ।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভারতজুড়ে কয়েকটি সংগঠনের বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাদ দেওয়া হয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ভারতীয় রাজনীতি ও ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
এই ইস্যুতে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন ভারতের রাজনৈতিক দল এআইএমআইএম-এর প্রধান আসাদ উদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর প্রশ্ন,
“যদি কেকেআর থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া যায়, তাহলে একইভাবে ভারতে আশ্রয়ে থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কেন সে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে না?”
মুস্তাফিজুর রহমান ও শেখ হাসিনা—এই দুই বাংলাদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে ভারতের ভিন্ন অবস্থানকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ করেন ওয়েইসি। গত শনিবার মুম্বাইয়ে এক জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।
সভায় ওয়েইসি বলেন,
“মুম্বাই ও ভারতের মানুষকে তারা (বিজেপি) বলছে—দেখো, আমরা একজন বাংলাদেশিকে (মুস্তাফিজুর রহমান) পাঠিয়ে দিয়েছি। কিন্তু আরেকজন বাংলাদেশিও তো ভারতে বসে আছেন, যিনি মোদির বোন হিসেবে দিল্লিতে অবস্থান করছেন, তাকেও তো ফেরত পাঠানো হচ্ছে না।”
এরপর সভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ওয়েইসি প্রশ্ন ছুড়ে দেন,
“আপনারা কি চান শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হোক?”
এ সময় উপস্থিত জনতা একযোগে ‘হ্যাঁ’ বলে সাড়া দেয়।
এরপর ওয়েইসি উপস্থিতদের স্লোগান দিতে আহ্বান জানান। সভাস্থলে সমস্বরে স্লোগান ওঠে। এ সময় ওয়েইসিকে বলতে শোনা যায়,
“মোদি জি, আপনি শুনুন—এই কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে। সবাই বলছে, উনাকে দেশ থেকে হটান, বাংলাদেশে ফেরত পাঠান।”
বিশ্লেষকদের মতে, মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা কেবল ক্রীড়াক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা এখন ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং কূটনৈতিক আলোচনার নতুন উপাদান হয়ে উঠেছে। ওয়েইসির বক্তব্য সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন