ঢাকা    রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

আর্কাইভ দেখুন

জ্বালানি খাত: রাষ্ট্রীয় লাভের উৎস না জনদুর্ভোগের কারণ?

জ্বালানি খাত: রাষ্ট্রীয় লাভের উৎস না জনদুর্ভোগের কারণ?

জ্বালানি তেল বিক্রি করে বিপিসি বিরাট অংকের লাভ করে। অবাক করা বিষয় হলেও-জনগণের সাথে সরাসরি সরকারের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা এটি। বিপিসির ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী করপোরেশনটি নিট লাভ করেছে ৪ হাজার ৩১৬ কোটি (৪৩,১৬৭,৬২৭,১৯৬) টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন লাভ হয়েছে ১১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। ওই বছরে আমদানি শুল্ক, ভ্যাট, আয়কর এবং লভ্যাংশ বাবদ সব মিলিয়ে বিপিসি সরকারকে দিয়েছে ১৩ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। অথচ লোকসানের কারণ দেখিয়ে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করছে সরকার।  বছর জুড়ে লাভ করা বিপিসি কিছুদিন যদি লোকসানও দেয় তাহলেও এই খাত থেকে সরকারের দৈনিক আয় থেমে নেই। আমদানি শুল্ক, ভ্যাট এসব থেকে প্রতিদিন কোষাগারে টাকা আসতে থাকে। এই খাতে এটাই সরকারের বড় আয়ের উৎস। বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করলে আগের লাভের সাথে সমন্বয় হতে থাকবে শুধু। আরেকটা কথা, ডিজেলের চেয়ে অক্টেন ও পেট্রোল তুলনামুলক বিলাসপণ্য। ডিজেলের ব্যবহার কমলে জাতীয় উৎপানে আঘাত আসে। ফসলের ক্ষেতে প্রভাব পড়ে। ডিজেলের দাম বাড়লে পরিবহণ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে নিত্যপণ্যের দাম লাফিয়ে বাড়ে, মুল্যস্ফীতি লাগামহীন হয়। বুদ্ধিমান সরকার অক্টেন-পেট্রোলের মুনাফা দিয়ে হলেও আরো কিছুদিন ডিজেলে ভুর্তুকি দিতে পারতো। ডিজেলে ভর্তুকি দিলে সুবিধা পায় সাধারণ জনগণ। আর অক্টেনে দিলে পায় উচ্চবিত্তরা। যে গ্রাহকের কাছ থেকে এতদিন লাভ করেছে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকদের বিশেষ করে ডিজেলের ব্যবহারকারীদের ভর্তুকি দেওয়া সরকারের অন্যতম করণীয় বলে মনে হয়।


সাবেক পরিচয় মুখ্য নয়, সবাই এনসিপিতে আসতে পারবেন: নাহিদ ইসলাম

সাবেক পরিচয় মুখ্য নয়, সবাই এনসিপিতে আসতে পারবেন: নাহিদ ইসলাম

ছাত্রশিবির কিংবা ছাত্রলীগ সাবেক কোনো পরিচয় আমাদের কাছে মুখ্য নয়, ছাত্রলীগ নেতারাও আমাদের এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।রোববার (১৯ এপ্রিল) এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে বিভিন্ন সংগঠনের ৩০ নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।নাহিদ বলেন, এনসিপি গঠিত হওয়ার সময় খুব পরিষ্কারভাবেই বলেছিলাম, এনসিপিতে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সাবেক পরিচয় মুখ্য নয়। ছাত্রদল হোক, ছাত্রশিবির হোক, ছাত্রঅধিকার পরিষদ, এমনকি ছাত্রলীগ হোক— কারো সাবেক পরিচয় আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজকে থেকে যখন কেউ এনসিপিতে আসবে, সে এনসিপির সংগঠন ও এনসিপি নেতাকর্মী হিসেবেই কাজ করবে।তিনি বলেন, এনসিপির আদর্শকে ধারণ করে কাজ করতে হবে। তবে কোনো ফ্যাসিজমে অংশগ্রহণকারী, গণহত্যায় অংশগ্রহণকারী, গণহত্যাকে সমর্থনকারী, চাঁদাবাজী ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তরা কখনোই এনসিপিতে আসতে পারবেন না। তারা এনসিপিতে থাকতে পারবে না।এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যারা এনসিপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ন্যায় ও জনদাবির রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাদের নিয়ে এগিয়ে যাব। যারা বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, সেই রাজনীতিকে ধারণ করে আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে মাথায় রেখে এগিয়ে যাব।এর আগে, এনসিপি কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের অন্তত ৩০ জন নেতা দলটিতে যোগ দেন। এনসিপিতে যোগ দেওয়া কয়েকজন হলেন- আপ বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের প্রধান উদ্যোক্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক দুই সভাপতি আলী আহসান জুনায়েদ ও রাফে সালমান রিফাত। এছাড়া এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানী আবদুল হক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেনও এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন।নতুন দলটিতে আরও যুক্ত হয়েছেন শাহরিজ সুলতানা ইরা, আয়মান রাহাত, হাসান তানভীর, ওয়াহিদ আলম, মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন, সাজ্জাদ সাব্বির, এস এম সুইটসহ প্রমুখ।


সাংবাদিকদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে উদ্যোগ, আসছে অনলাইন ডাটাবেজ

সাংবাদিকদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে উদ্যোগ, আসছে অনলাইন ডাটাবেজ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই সময়ে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা নিশ্চিতকরণ এবং ভুয়া সাংবাদিকতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণসহ একটি অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে।রবিবার (১৯ এপ্রিল) বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।এদিন বিকাল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৬তম দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।লিখিত প্রশ্নে সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রবাহ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধ এবং আধুনিক সম্প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সুষ্ঠু বিকাশ, তথ্যের স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে নানা চ্যালেঞ্জ দেখা যাচ্ছে।জবাবে মন্ত্রী জানান, ভুয়া সংবাদ ও অপপ্রচার প্রতিরোধে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর মাধ্যমে এআই প্রশিক্ষণ, ন্যারেটিভ তৈরি, তথ্যনীতি সহায়তা এবং মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রতি মাসে ঢাকার বাইরে চারটি এবং ঢাকায় দুটি কর্মশালা আয়োজনের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিক নেতাদের অংশগ্রহণে মাসে অন্তত একটি কর্মশালাও আয়োজন করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করা হয়েছে। ফ্যাক্ট-চেকিং ও ভুয়া খবর প্রতিরোধে বিভিন্ন সংস্থা, মূলধারার সংবাদমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সেমিনার আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।মন্ত্রী বলেন, ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধে তথ্য অধিদফতর থেকে ২২টি ফটোকার্ড এবং গুজব প্রতিরোধবিষয়ক ১০টি তথ্যবিবরণী বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশের জন্য পাঠানো হয়েছে।তিনি উল্লেখ করেন, প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর ১২ ধারা অনুযায়ী সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা পরিপন্থি সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করতে পারে। বর্তমানে এ ধরনের আটটি অভিযোগ বিচারাধীন রয়েছে।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ঢাকাসহ দেশের ৩২টি জেলায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ এবং অনলাইন ডাটাবেইজ তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগারের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট যুগোপযোগী করে এটিকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর গণমাধ্যমবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের উদ্যোগ চলছে।এছাড়া সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে অসুস্থ, কর্মক্ষমতাহীন বা আর্থিকভাবে অসচ্ছল সাংবাদিকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এবং সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।রমজানে ২ হাজার সাংবাদিক পরিবারকে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার সহায়তাজহির উদ্দিন স্বপন জানান, ২০২৬ সালের রমজান মাসে দুই হাজার সাংবাদিক পরিবারকে এক কোটি ১২ লাখ ৩৪ হাজার টাকার ইফতার ও ঈদ উপহার দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক এবং নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত ১ হাজার ১১০ জনকে অনুদান দেওয়া হয়েছে।এছাড়া ৪০২ জন সাংবাদিক পরিবারের মেধাবী সন্তানকে ৭৩ লাখ ২৬ হাজার টাকার বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সাংবাদিক কল্যাণে সরকার মোট ৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান।


রিহ্যাব নির্বাচনে নতুন পরিচালক এম. ফখরুল ইসলাম

রিহ্যাব নির্বাচনে নতুন পরিচালক এম. ফখরুল ইসলাম

আবাসন খাতের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টা ৩২ মিনিটে শেষ হয়। পরে সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে ভোট গণনা শুরু হয়ে রাত ১টার দিকে নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করে।ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ইনটেক প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. ফখরুল ইসলাম পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ প্যানেল থেকে ৬৬ নম্বর ব্যালট নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এম. ফখরুল ইসলাম ২০১১ সাল থেকে আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন। তার নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ২৫০টির বেশি ফ্ল্যাট গ্রাহকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে আরও ৩০০টির বেশি ইউনিট হস্তান্তরের লক্ষ্য নিয়ে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। তিনি দেশ-বিদেশে মোট ৯টি রিহ্যাব ফেয়ারে অংশ নিয়েছেন।


নির্বাচনী প্রচারণায় ১১ দফা অঙ্গীকার তুলে ধরলেন কাউন্সিলর প্রার্থী উমর ফারুক

নির্বাচনী প্রচারণায় ১১ দফা অঙ্গীকার তুলে ধরলেন কাউন্সিলর প্রার্থী উমর ফারুক

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে আসন্ন কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা ও আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের ঢাকা উত্তরের সভাপতি  মোহাম্মদ উমর ফারুক তার বিস্তারিত ‘উন্নয়ন অঙ্গীকার’ নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। “জনগণের সেবায় অঙ্গীকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি একটি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ ওয়ার্ড গড়ার লক্ষ্যে তার ১১টি প্রধান প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেছেন।উমর ফারুকের নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো:১. জলাবদ্ধতা নিরসন: বর্ষা মৌসুমে এলাকার প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা দূর করতে তিনি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।২. রাস্তা ও গলি উন্নয়ন: ওয়ার্ডের ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট সংস্কার এবং সরু গলিগুলোর আধুনিকায়নের কথা বলা হয়েছে।৩. নিয়মিত ময়লা পরিষ্কার ব্যবস্থা: আবর্জনা অপসারণে একটি কার্যকর ও নিয়মিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে।৪. মশা ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ: মশার উপদ্রব এবং ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত ওষুধ ছিটানো এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আশ্বাস দিয়েছেন।৫. মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ: যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদক এবং কিশোর গ্যাং-এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।৬. স্ট্রিট লাইট ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি: রাতে জনসাধারণের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট স্থাপন এবং এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করার পরিকল্পনা।৭. বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ: ওয়ার্ডের সর্বত্র নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।৮. নাগরিক সেবা সহজীকরণ: জন্ম নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা প্রাপ্তি সাধারণ মানুষের জন্য সহজ করা।৯. তরুণদের কর্মসংস্থান ও খেলাধুলা: তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং ওয়ার্ডে খেলার পরিবেশ উন্নত করা।১০. মাসিক জনগণ সভা: ওয়ার্ডের সমস্যা ও উন্নয়নের বিষয়ে স্থানীয় জনগণের সাথে প্রতি মাসে সরাসরি আলোচনার ব্যবস্থা করা।১১. স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক সেবা: ওয়ার্ডের সকল উন্নয়ন কাজ এবং সেবাকে স্বচ্ছ ও জনসাধারণের কাছে জবাবদিহিতামূলক করার প্রতিশ্রুতি।জনগণ ফারুকের এই অঙ্গীকারগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক ওয়ার্ড গঠনে তার প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছে। “উন্নয়ন হবে বাস্তবতায়, সেবা হবে অঙ্গীকারে”—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে মোহাম্মদ উমর ফারুক বিশ্বাস করেন যে, তার এই ১১টি দফাই হবে ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়নের চাবিকাঠি।


সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর উদ্যোগ

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর উদ্যোগ

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বিদ্যমান সাব-পোস্ট অফিসের পাশাপাশি নৈশকালীন ডাকঘর বা দ্বিতীয় শিফট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।ডাকঘর অধিদপ্তর, আগারগাঁও গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এ সংক্রান্ত একটি পত্র জারি করেছে। পত্রটি মেট্রোপলিটন সার্কেল ঢাকার পোস্টমাস্টার জেনারেলের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।এতে জনসাধারণের ডাকসেবা সহজতর করা এবং সরকারি কার্যক্রমের গতি বাড়ানোর স্বার্থে হাইকোর্ট উপ-ডাকঘরের গ্রাহকদের চাহিদার ভিত্তিতে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়।পত্র অনুযায়ী, নৈশকালীন পোস্ট অফিস বা দ্বিতীয় শিফট চালুর পর তিন মাসের কার্যক্রম শেষে ‘ভ্যালু রিটার্ন’সহ একটি প্রতিবেদন ডাক অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড এস এম আরিফ মণ্ডল ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে একটি আবেদন করেন।ওই আবেদনে তিনি বিচারপ্রার্থী জনগণ, আইনজীবী এবং সরকারি কাজের সুবিধার্থে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সান্ধ্যকালীন বা ‘বি-গ্রেড’ ডাকসেবা চালুর দাবি জানান।বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের সাব-পোস্ট অফিসটি দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা থাকে। নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ডাকসেবা গ্রহণ করা যাবে, যা আদালত-সংক্রান্ত যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।নৈশকালীন ডাকসেবা চালু হলে বিচারপ্রার্থীদের কাছে আদালতের আদেশ দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব হবে। বিশেষ করে ফৌজদারি মামলার জামিন আদেশ দ্রুত সংশ্লিষ্ট জেলা জজ আদালতে পৌঁছালে একজন নিরপরাধ ব্যক্তি অযথা দেরি ছাড়াই কারামুক্ত হতে পারবেন।এছাড়া দেওয়ানি ও রিট মামলার আদেশ, যা আগে অনেক সময় মাসের পর মাস বিলম্বে পৌঁছাত, এখন দ্রুত প্রেরণ করা সম্ভব হবে। সুপ্রিম কোর্টের ডেসপ্যাচ সেকশনে ফাইলের জট কমবে এবং প্রতিদিনের আদেশ একই দিনে রাতের মধ্যেই পাঠানো সম্ভব হবে।অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, হাইকোর্ট বিভাগ থেকে কোনো অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ পাওয়ার পর আপিল বিভাগে কেভিয়েট না থাকলে প্রতিপক্ষ চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করে সেই আদেশ স্থগিত করিয়ে নেয়।এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট পক্ষ ডাকযোগে দেরিতে বিষয়টি জানতে পারেন। নৈশকালীন ডাকসেবা চালু হলে এই ধরনের বিলম্ব কমে যাবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট এস এম আরিফ মণ্ডল জানান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম-এর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে।তিনি বলেন, “বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য নৈশকালীন পোস্ট অফিস চালু হওয়া একটি বড় নাগরিক সুবিধা। বিশেষ করে জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তির দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে এবং বিচার প্রক্রিয়ার গতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।


রাষ্ট্রপতি হওয়ার গুঞ্জন প্রসঙ্গে অবস্থান জানালেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

রাষ্ট্রপতি হওয়ার গুঞ্জন প্রসঙ্গে অবস্থান জানালেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে দেশের বইপড়া কর্মসূচির বিষয়ে আলাপ হয়েছে বলে কালবেলাকে জানিয়েছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সেই সঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনীতিতে জড়ানো কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার কোনো বাসনাই তার নেই।গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাতের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই বলতে থাকেন, প্রথিতযশা এই শিক্ষাবিদকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করতে পারে বিএনপি।কিন্তু এই আলোচনায় রীতিমতো জল ঢেলে দিয়ে কালবেলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ৮৬ বছর বয়সী আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বললেন, ‘আমি কোনো ব্যক্তিগত আলোচনায় কোথাও যাইনি। সুতরাং এখানে সেটা হবে না। আমার কোনো ব্যক্তিগত বিষয় না। দেশের কালচার কী হতে পারে, পড়াশোনা কী হতে পারে... এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব পেলে গ্রহণ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমরা তো ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় হবো কী করে!’হাসি থামিয়ে এরপর বলেন, ‘আমরা তো এসবের ভেতর যেতে পারি না। জীবনে বড় কিছুকেই সবসময় খুঁজি।’


রাশেদ খান-এর অভিযোগ, নুরকে সরাতে ‘ষড়যন্ত্র’

রাশেদ খান-এর অভিযোগ, নুরকে সরাতে ‘ষড়যন্ত্র’

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতা রাশেদ খান অভিযোগ করেছেন, দলটির ভেতরে লুকিয়ে থাকা জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা নুরুল হক নুরকে মন্ত্রীত্ব থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র করছে এবং তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে তরুণদের রাজনীতিতে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় জামায়াত-শিবির সেই সম্ভাবনাকে নষ্ট করে দিয়েছে।শনিবার (১৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েজ পেজে এই অভিযোগ করেন তিনি।রাশেদ খানের দাবি, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৯ দফা ঘোষণা দিয়েও ডাকসুর ভিপি হতে পারেননি আব্দুল কাদের। এর পেছনে তার ব্যক্তিগত ব্যর্থতার চেয়ে সমন্বিত রাজনৈতিক বাধা বড় কারণ ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবির একযোগে কাজ করে তাকে ভিপি হতে দেয়নি।তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াত-শিবির প্রোপাগান্ডা, সহানুভূতি ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে। নতুন রাজনৈতিক দলগুলো সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারেনি। রাশেদ খান দাবি করেন, এনসিপি (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি) যাতে স্বাধীনভাবে শক্তিশালী হতে না পারে, সেজন্য শুরু থেকেই সেখানে জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের প্রবেশ করানো হয়। তার মতে, এনসিপির প্রায় ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী ওই উৎস থেকে আসা, ফলে দলটি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।তিনি বলেন, একই কারণে তিনি গণঅধিকার পরিষদ ত্যাগ করেন। তার অভিযোগ, দলটির ভেতরে থাকা একটি অংশ গণঅধিকার পরিষদকে জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছিল। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় তাকে মানসিকভাবে চাপে রাখা হয়।রাশেদ খান আরও দাবি করেন, নির্বাচনের আগে নুরুল হক নুরকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং এ সংক্রান্ত ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়।বর্তমানে নুরুল হক নুরকে মন্ত্রীত্ব থেকে সরিয়ে দিতে এবং তার রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করতে একটি মহল সক্রিয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।তার মতে, নিজেদের লোকজন বিভিন্ন দলে প্রবেশ করিয়ে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি—উভয় দলের স্বাভাবিক রাজনৈতিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে এবং সম্ভাবনাময় এই দুই রাজনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।


ট্রাম্পকে নোবেল মেডেল দেওয়ায় অনুতাপ নেই: মারিয়া মাচাদো

ট্রাম্পকে নোবেল মেডেল দেওয়ায় অনুতাপ নেই: মারিয়া মাচাদো

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো জানিয়েছেন, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল প্রতীকীভাবে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো অনুশোচনা অনুভব করেন না।শনিবার (১৮ এপ্রিল) মাদ্রিদে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বে এমন একজন নেতা আছেন, যিনি ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার জন্য নিজের দেশের নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছেন।’মাচাদো জানান, জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই মেডেলটি তাকে দেন। এর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে অভিযান চালিয়ে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায়। বর্তমানে মাদুরো নিউইয়র্কে মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগে আটক আছেন।মাচাদো বলেন, ট্রাম্পের এই সামরিক অভিযান ভেনেজুয়েলার জনগণ কখনো ভুলবে না। তাই তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি যা করেছি, তা নিয়ে আমার কোনো অনুশোচনা নেই।’তিনি আরও জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি শিগগিরই ভেনেজুয়েলায় ফেরার পরিকল্পনা করছেন। মাদ্রিদে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সবাইকে দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।মাচাদো বলেন, ‘গত ২৭ বছর আমরা যে সংগ্রাম করেছি, তা ছিলো এমন একটি দিনের জন্য—যেদিন আমরা একসঙ্গে ফিরে এসে একটি স্বাধীন দেশ গড়ে তুলবো। ‘উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার বিরোধী দল প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে। মাচাদো এখনো জানাননি তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে তাকে প্রার্থী হতে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, যেখানে মাদুরো পুনর্নির্বাচিত হন, যা বিরোধীরা কারচুপি বলে দাবি করে। -তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।


আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা: তুলে দেওয়া হলো ‘নীরব বহিষ্কার’

আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা: তুলে দেওয়া হলো ‘নীরব বহিষ্কার’

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশের পর পাবলিক পরীক্ষায় সাইলেন্ট এক্সপেল (নীরব বহিষ্কার)–এর পুরোনো নিয়ম বাদ দেওয়া হয়েছে।শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে নীতিমালা ২৯ ধারা বাতিল বলে গণ্য হবে।এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালায় অনুচ্ছেদ নম্বর ২৯ ধারায় সাইলেন্ট এক্সপেলের কথা বলা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা–সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬–এর ২৯ অনুচ্ছেদটি বাতিল করা হলো।এর আগে শনিবার দুপুরে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ প্রথা বাতিলের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।শিক্ষামন্ত্রী জানান, মূলত ১৯৬১ সালের একটি সেকেলে নীতিমালার কারণে এই ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা চালু ছিল। অথচ ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনেই এর কোনো অস্তিত্ব নেই।তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধিতে কোনো অযৌক্তিক বিষয় থাকতে পারে না। বর্তমানে পরীক্ষাকেন্দ্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই, তাই এই আদিম নীতিমালা বহাল রাখার কোনো মানে হয় না।’মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নীতিমালা পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার্থীরা আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা দেবে। তাদের ওপর এমন কোনো বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেয়া যাবে না যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’


জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ পাম্প মালিকদের

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ পাম্প মালিকদের

দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করার সরকারের প্রতি সাধুবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে এক বার্তায় এ তথ্য জানান সংগঠনটির সদস্য সচিব মীর আহসান উদ্দিন পারভেজ।তিনি জানান, বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সাথে দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করায় সরকারকে সাধুবাদ জানচ্ছি। এর ফলে জ্বালানি তেলের মজুত প্রবণতা কমবে, বিক্রিতে আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে আমরা মনে করি।এর আগে, শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়িয়েছে সরকার।মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অকটেন প্রতি লিটারে ২০ টাকা বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ১৪০ টাকা, পেট্রোল প্রতি লিটার পেট্রোলে ১৯ টাকা বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন প্রতি লিটারে ১৮ টাকা বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ১৩০ টাকা, ডিজেল প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ১১৫ টাকা।নতুন এ মূল্য আজ থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার ফলে রবিবার থেকে দেশের সকল ফিলিং স্টেশন ও পরিবেশক পর্যায়ে এই নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি করতে হবে।


 পাম্পে তেল নেই, ডিপোতে ঠাঁই নেই—জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতা

পাম্পে তেল নেই, ডিপোতে ঠাঁই নেই—জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতা

পেট্রোলপাম্পগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। জ্বালানি তেল নিতে প্রতিদিন মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হঠাৎ করে জ্বালানি তেল নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। অকটেন ও পেট্রোল সরবরাহ বন্ধ রাখতে ১০ দিন আগে বিপিসি চিঠি দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিপাকে পড়েছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, ডিপোগুলোতে অকটেন রাখার কোনো জায়গা নেই। রীতিমতো উপচে পড়ার মতো অবস্থা। এজন্য সরকার দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে অকটেন- পেট্রোল নেওয়া বন্ধ করেছে।জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন তথ্য সত্য হলে মানুষ আরও ক্ষুব্ধ হবে। কেন না, তেলের জন্য যেখানে মানুষের ঘুম নেই। রেশনিং করা তেল নিতে কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা থেকে শুরু করে ১০-১২ ঘণ্টাও লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে; সেখানে তেলের মজুত উপচে পড়া এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠান থেকে তেল না কেনার সিদ্ধান্ত জনমনে অনেক প্রশ্নের জন্ম দেবে। বিশেষ করে সরকারের জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনার এমন ‘ভুলনীতি’ কারা নিয়েছে সে বিষয়ে সঠিক জবাব না পেলে ক্ষোভ-অসন্তোষ আরও বাড়বে।জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকারি পরিকল্পনায় পরিপক্বতার যথেষ্ট ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যেখানে চাহিদার একটা বড় অংশ পরিমাণ অকটেন-পেট্রোল দেশে উৎপাদন হয়-সেখানে পাম্পের সামনে মানুষকে কেন ঘণ্টার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। তার মানে হচ্ছে, সরকারের সাপ্লাই চেইনে কোনো সমস্যা আছে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের বিতরণ ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের আরও অনেক আগে থেকে কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা দরকার ছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ শনিবার যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, স্থানীয় উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে জ্বালানি তেল কেনা উচিত।সূত্র জানায়, দেশে পেট্রোল ও অকটেনের মোট চাহিদার ৭৫ ভাগ পূরণ করে থাকে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। বেসরকারি চারটি এবং সরকারি একটিসহ মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান এ চাহিদার জোগান দিয়ে থাকে। প্রতিমাসে দেশে অকটেন ও পেট্রোলের প্রয়োজন হয় ৭৫ হাজার টন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক বা ৪০-৪৫ ভাগ চাহিদা পূরণ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি। এই প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে বেশি চাহিদা পূরণ করে। অথচ সরবরাহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে ৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটিকে চিঠি দিয়েছে বিপিসি।মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পাম্পের সামনে ১ থেকে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত লাইন এবং তেল নিতে জনগণের চরম দুর্ভোগের বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করছেন। যাতে জনগণের দুর্ভোগ কমানো যায়, সেজন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিচ্ছেন। জ্বালানি তেল নিয়ে কোনো অব্যবস্থাপনা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতেও তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।জানা গেছে, দেশে অকটেন মজুতের ক্ষমতা ৫৩ হাজার টন। এখন আছে প্রায় ৫৫ হাজার টন। তবে ১০ এপ্রিল ৩৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ আসার পর আরও বিপাকে পড়েছে বিপিসি।এদিকে সুপার পেট্রোকেমিক্যালের কাছ থেকে অকটেন-পেট্রোল নেওয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রণব কুমার সাহা বিপিসির চেয়ারম্যানকে ১৬ এপ্রিল চিঠি দেন। এতে বলা হয়, ৫ এপ্রিল বিপিসির সঙ্গে বৈঠকে সুপার পেট্রোকেমিক্যালের কাছ থেকে এপ্রিলে ৩৭ হাজার টন পেট্রোল-অকটেন এবং ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়। সেভাবে তারা প্রস্তুতিও নেয়। কিন্তু ৮ এপ্রিল থেকে বিতরণ কোম্পানিগুলো অকটেন-পেট্রোল নিচ্ছে না। এতে দেশীয় এ শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কারণ, সুপারপেট্রোর তিনটি ট্যাংকার উপচে পড়ছে। অথচ বিতরণ কোম্পানিগুলোকে বারবার বলা হলেও তারা তেল নিচ্ছে না।এ ব্যাপারে প্রণব কুমার সাহা যুগান্তরকে বলেন, ফেব্রুয়ারিতে অকটেনের একটি জাহাজ আসার পর বিপিসি তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তেল নেয়নি। যে কারণে মার্চে বাধ্য হয়ে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এখন আবার অকটেনের একটি জাহাজ আসার সঙ্গে সঙ্গে একই কাজ করছে বিপিসি। তিনি বলেন, অকটেন-পেট্রোল তৈরির কাঁচামাল নিয়ে ২০ এপ্রিল সুপারপেট্রোর একটি জাহাজ আসবে। সেটি নিয়ে আমরা চিন্তায় আছি। কারণ, ট্যাংক খালি না হলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া কঠিন হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীরুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, অকটেন রাখার আর কোনো জায়গা নেই। তাই অল্প অল্প করে বেসরকারি কোম্পানির কাছ থেকে তেল নেওয়া হচ্ছে।বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, প্রতিমাসে অকটেন ও পেট্রোলের চাহিদা ৭৫ হাজার টন। চলতি মাসে অকটেন-পেট্রোল এসেছে ৬০ হাজার মেট্রিক টনের কিছু বেশি এবং এ মাসে আরও আসবে ১ লাখ ২০ হাজার টনের বেশি। ফলে এ তেল রাখার আর জায়গা নেই। এজন্য গত মাসে সব বিতরণ কোম্পানিকে বলা হয় কেরোসিনের কয়েকটি ডিপোতে অকটেন রাখার জন্য। কিন্তু তারা এখনো সে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, কেরোসিনের ট্যাংকগুলো অকটেনের জন্য সময়মতো প্রস্তুত করতে পারেনি বিতরণ কোম্পানিগুলো। মূলত এ কারণে জনগণ এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে মাশুল দিতে হচ্ছে।বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, বিশ্ববাজারে অকটেন এবং ডিজেলের দাম অনেকটা দ্বিগুণ। এখন বেশি দামে তেল কিনে কম দামে বিক্রির ফলে চাহিদামতো অকটেন-ডিজেল কিনতে আগ্রহী নয় বিপিসি। যা কেনা হচ্ছে, তাতেও সরকারের এখনো প্রতিদিন শতকোটি টাকার বেশি লোকসান হচ্ছে।প্রসঙ্গত, বর্তমানে দৈনিক গড়ে ১২ হাজার ৭৭৭ টন ডিজেল, ১ হাজার ৪৯৬ টন পেট্রোল, ১ হাজার ১৯৩ টন অকটেন সরবরাহ করে তিন বিতরণ কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা। ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর পর ৭ মার্চ পর্যন্ত ইচ্ছামতো তেল বিক্রি করে ওই তিন কোম্পানি। এরপর ৮ মার্চ থেকে রেশনিং শুরু করে সরকার। বিতরণ কোম্পানিকে এক নির্দেশনায় বলা হয়, ২০২৫ সালের একই তারিখের তেলের চাহিদার চেয়ে ১০ শতাংশ কম তেল পাবে সংশ্লিষ্ট পাম্প এবং ডিলাররা। গত ঈদের তিন দিন আগে বিপিসির আরেক নির্দেশনায় বলা হয়, তেল বিতরণে কোনো রেশনিং থাকবে না। কিন্তু গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি তেল দেওয়া যাবে না। এ অবস্থায় জনমনে আতঙ্ক ও মজুতদারির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে বলে মনে করেন সরকারি কর্মকর্তারা। অবশ্য দেশের স্থানীয় প্রতিষ্ঠান থেকে অকটেন কেনা বন্ধ করায় এবং বর্তমান মজুত উপচে পড়ার মতো অবস্থা হওয়ায় সাধারণ মানুষ বিপিসির এমন তথ্য এখন আর বিশ্বাস করতে চাইবে না।স্বস্তি ফিরছে ডিজেলে: অনেকদিন পর ডিজেলে স্বস্তি ফিরছে। দেশে এখন ডিজেল মজুত আছে ১ লাখ টনের বেশি। প্রতিমাসে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৪ লাখ টন। গত মাসে যুদ্ধের কারণে এই চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল আমদানি করা যায়নি। যুদ্ধের কারণে অনেক সরবরাহকারী সময়মতো ডিজেল দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তারা এখন আবার সাড়া দিচ্ছে। মার্চে আমদানি হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৫৩ হাজার টন। সরবরাহ দেওয়া হয়েছে সাড়ে তিন লাখ টনের বেশি। যুদ্ধ থেমে যাওয়ায় চলতি মাসে ডিজেল আসছে ৪ লাখ ৭২ হাজার টন। যার মধ্যে এখন পর্যন্ত চলে এসেছে ২ লাখ টন। বাকি তেল ১১ দিনের মধ্যে দেশে ঢুকবে।


ঢাকা ১১ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন মুখ মাহবুব হায়দার আরিফ

ঢাকা ১১ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন মুখ মাহবুব হায়দার আরিফ

রামগঞ্জে মোহাম্মদপুর ওলি বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল সম্পন্ন

রামগঞ্জে মোহাম্মদপুর ওলি বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল সম্পন্ন

রামগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদপুর ওলি বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল শুক্রবার

রামগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদপুর ওলি বাড়ী হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল শুক্রবার

তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী সমন্বয়কদের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ

তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী সমন্বয়কদের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ

চেক ডিজঅনার হলে করণীয় কী? জানুন আপনার আইনি অধিকার

চেক ডিজঅনার হলে করণীয় কী? জানুন আপনার আইনি অধিকার

ভোটের লড়াইয়ে নেই, তবুও ঢাকা-১৪ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মোঃ মহসিন পারভেজ

ভোটের লড়াইয়ে নেই, তবুও ঢাকা-১৪ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মোঃ মহসিন পারভেজ

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

নীরব শ্রদ্ধায় ভাসছে কবরস্থল: বেগম খালেদা জিয়ার কবরে মানুষের অবিরাম উপস্থিতি

নীরব শ্রদ্ধায় ভাসছে কবরস্থল: বেগম খালেদা জিয়ার কবরে মানুষের অবিরাম উপস্থিতি

ইরান যুদ্ধ, নাকি মজুত ব্যর্থতা—দেশে জ্বালানি তেলের সংকটে কার দায় কতটা?

ইরান যুদ্ধ, নাকি মজুত ব্যর্থতা—দেশে জ্বালানি তেলের সংকটে কার দায় কতটা?

ছাত্র অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন বালিয়াকান্দির মাহবুবুর রহমান খান

ছাত্র অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন বালিয়াকান্দির মাহবুবুর রহমান খান

জ্বালানি খাত: রাষ্ট্রীয় লাভের উৎস না জনদুর্ভোগের কারণ?

জ্বালানি খাত: রাষ্ট্রীয় লাভের উৎস না জনদুর্ভোগের কারণ?

সাবেক পরিচয় মুখ্য নয়, সবাই এনসিপিতে আসতে পারবেন: নাহিদ ইসলাম

সাবেক পরিচয় মুখ্য নয়, সবাই এনসিপিতে আসতে পারবেন: নাহিদ ইসলাম

সাংবাদিকদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে উদ্যোগ, আসছে অনলাইন ডাটাবেজ

সাংবাদিকদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে উদ্যোগ, আসছে অনলাইন ডাটাবেজ

রিহ্যাব নির্বাচনে নতুন পরিচালক এম. ফখরুল ইসলাম

রিহ্যাব নির্বাচনে নতুন পরিচালক এম. ফখরুল ইসলাম

নির্বাচনী প্রচারণায় ১১ দফা অঙ্গীকার তুলে ধরলেন কাউন্সিলর প্রার্থী উমর ফারুক

নির্বাচনী প্রচারণায় ১১ দফা অঙ্গীকার তুলে ধরলেন কাউন্সিলর প্রার্থী উমর ফারুক

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর উদ্যোগ

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর উদ্যোগ

রাষ্ট্রপতি হওয়ার গুঞ্জন প্রসঙ্গে অবস্থান জানালেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

রাষ্ট্রপতি হওয়ার গুঞ্জন প্রসঙ্গে অবস্থান জানালেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

রাশেদ খান-এর অভিযোগ, নুরকে সরাতে ‘ষড়যন্ত্র’

রাশেদ খান-এর অভিযোগ, নুরকে সরাতে ‘ষড়যন্ত্র’

ট্রাম্পকে নোবেল মেডেল দেওয়ায় অনুতাপ নেই: মারিয়া মাচাদো

ট্রাম্পকে নোবেল মেডেল দেওয়ায় অনুতাপ নেই: মারিয়া মাচাদো

আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা: তুলে দেওয়া হলো ‘নীরব বহিষ্কার’

আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা: তুলে দেওয়া হলো ‘নীরব বহিষ্কার’