ঢাকা    রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

১৯৬১ সালের পুরোনো বিধান বাতিল, মানসিক চাপ কমানোর উদ্যোগ

আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা: তুলে দেওয়া হলো ‘নীরব বহিষ্কার’



আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা: তুলে দেওয়া হলো ‘নীরব বহিষ্কার’

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশের পর পাবলিক পরীক্ষায় সাইলেন্ট এক্সপেল (নীরব বহিষ্কার)–এর পুরোনো নিয়ম বাদ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে নীতিমালা ২৯ ধারা বাতিল বলে গণ্য হবে।

এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালায় অনুচ্ছেদ নম্বর ২৯ ধারায় সাইলেন্ট এক্সপেলের কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা–সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬–এর ২৯ অনুচ্ছেদটি বাতিল করা হলো।

এর আগে শনিবার দুপুরে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ প্রথা বাতিলের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, মূলত ১৯৬১ সালের একটি সেকেলে নীতিমালার কারণে এই ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা চালু ছিল। অথচ ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনেই এর কোনো অস্তিত্ব নেই।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধিতে কোনো অযৌক্তিক বিষয় থাকতে পারে না। বর্তমানে পরীক্ষাকেন্দ্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই, তাই এই আদিম নীতিমালা বহাল রাখার কোনো মানে হয় না।’

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নীতিমালা পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার্থীরা আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা দেবে। তাদের ওপর এমন কোনো বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেয়া যাবে না যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

বিষয় : আ ন ম এহছানুল হক মিলন সাইলেন্ট এক্সপেল

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা: তুলে দেওয়া হলো ‘নীরব বহিষ্কার’

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশের পর পাবলিক পরীক্ষায় সাইলেন্ট এক্সপেল (নীরব বহিষ্কার)–এর পুরোনো নিয়ম বাদ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে নীতিমালা ২৯ ধারা বাতিল বলে গণ্য হবে।

এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালায় অনুচ্ছেদ নম্বর ২৯ ধারায় সাইলেন্ট এক্সপেলের কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা–সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬–এর ২৯ অনুচ্ছেদটি বাতিল করা হলো।

এর আগে শনিবার দুপুরে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ প্রথা বাতিলের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, মূলত ১৯৬১ সালের একটি সেকেলে নীতিমালার কারণে এই ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা চালু ছিল। অথচ ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনেই এর কোনো অস্তিত্ব নেই।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধিতে কোনো অযৌক্তিক বিষয় থাকতে পারে না। বর্তমানে পরীক্ষাকেন্দ্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই, তাই এই আদিম নীতিমালা বহাল রাখার কোনো মানে হয় না।’

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নীতিমালা পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার্থীরা আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা দেবে। তাদের ওপর এমন কোনো বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেয়া যাবে না যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত