গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য নজর কেড়েছে স্থানীয়দের। বিশাল কর্মীবাহিনী, জীপ-গাড়ি ও বাজেটবহুল প্রচারণার মধ্যেই একাই গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরছেন স্থানীয় শিক্ষক ও প্রার্থী মো. আজিজার রহমান।
তিনি সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের খোদা বকস গ্রামের বাসিন্দা এবং রোকেয়া সামাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। প্রচারণার জন্য তার কাছে নেই কোনো প্রাইভেট গাড়ি বা বেতনভুক্ত কর্মী। আছে শুধু বহু বছরের পুরনো একটি সাইকেল এবং নির্বাচনের জন্য কেনা একটি হ্যান্ডমাইক।
প্রতিদিন ভোরে হ্যান্ডমাইক কাঁধে নিয়ে বাইসাইকেল চালিয়ে তিনি গ্রামের হাট-বাজার, চৌরাস্তা ও মানুষের দরজায় দরজায় গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন। এভাবে ইতোমধ্যেই প্রান্তিক এলাকায় শতাধিক সভা সম্পন্ন করেছেন।
আজিজার রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা নতুন নয়। এর আগেও তিনি উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবং সংসদ উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। যদিও বিজয়ী হননি, তবুও জনসেবার উদ্দেশ্যে বারবার নির্বাচনী মাঠে নামেন। এবারও তিনি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা নিয়ে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
তার এই সহজ সরল প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে। নেটিজেনরা তাকে ‘গণতন্ত্রের প্রকৃত সৈনিক’ এবং ‘সত্যিকারের জনসংযোগের প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করছেন।
আজিজার রহমান বলেন, “আমার কাছে বড় কোনো বাহন বা প্রচার টিম নেই। তবে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে আমি বিপুল সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব।”
গাইবান্ধা-৩ আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রায় ৫ লক্ষ ৬ হাজার ভোটারের মধ্যে যখন বড় দলগুলো চূড়ান্ত প্রচারণায় ব্যস্ত, তখন আজিজার রহমানের সাইকেলচালিত এই নিঃসঙ্গ প্রচেষ্টা স্থানীয়দের মনে আলাদা প্রভাব ফেলেছে।
সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তার বিজয় হোক বা না হোক, এই প্রচারণা একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করছে—রাজনীতির বাণিজ্যিকীকরণের যুগেও মানুষের কাছাকাছি পৌঁছানোর জন্য শুধুই সদিচ্ছা যথেষ্ট।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য নজর কেড়েছে স্থানীয়দের। বিশাল কর্মীবাহিনী, জীপ-গাড়ি ও বাজেটবহুল প্রচারণার মধ্যেই একাই গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরছেন স্থানীয় শিক্ষক ও প্রার্থী মো. আজিজার রহমান।
তিনি সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের খোদা বকস গ্রামের বাসিন্দা এবং রোকেয়া সামাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। প্রচারণার জন্য তার কাছে নেই কোনো প্রাইভেট গাড়ি বা বেতনভুক্ত কর্মী। আছে শুধু বহু বছরের পুরনো একটি সাইকেল এবং নির্বাচনের জন্য কেনা একটি হ্যান্ডমাইক।
প্রতিদিন ভোরে হ্যান্ডমাইক কাঁধে নিয়ে বাইসাইকেল চালিয়ে তিনি গ্রামের হাট-বাজার, চৌরাস্তা ও মানুষের দরজায় দরজায় গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন। এভাবে ইতোমধ্যেই প্রান্তিক এলাকায় শতাধিক সভা সম্পন্ন করেছেন।
আজিজার রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা নতুন নয়। এর আগেও তিনি উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবং সংসদ উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। যদিও বিজয়ী হননি, তবুও জনসেবার উদ্দেশ্যে বারবার নির্বাচনী মাঠে নামেন। এবারও তিনি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা নিয়ে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
তার এই সহজ সরল প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে। নেটিজেনরা তাকে ‘গণতন্ত্রের প্রকৃত সৈনিক’ এবং ‘সত্যিকারের জনসংযোগের প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করছেন।
আজিজার রহমান বলেন, “আমার কাছে বড় কোনো বাহন বা প্রচার টিম নেই। তবে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে আমি বিপুল সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব।”
গাইবান্ধা-৩ আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রায় ৫ লক্ষ ৬ হাজার ভোটারের মধ্যে যখন বড় দলগুলো চূড়ান্ত প্রচারণায় ব্যস্ত, তখন আজিজার রহমানের সাইকেলচালিত এই নিঃসঙ্গ প্রচেষ্টা স্থানীয়দের মনে আলাদা প্রভাব ফেলেছে।
সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তার বিজয় হোক বা না হোক, এই প্রচারণা একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করছে—রাজনীতির বাণিজ্যিকীকরণের যুগেও মানুষের কাছাকাছি পৌঁছানোর জন্য শুধুই সদিচ্ছা যথেষ্ট।

আপনার মতামত লিখুন