আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় মোট ৫৭ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নিহতদের সবার পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় ঢাকায় ৩২ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজন নিহত হন।
২০১৩ সালের ৫ মে পবিত্র কোরআন ও মহানবী (সা.)-এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদসহ ১৩ দফা দাবিতে ‘ঢাকা অবরোধ’ কর্মসূচির ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। এতে আলেম সমাজ, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ সারা দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচি শেষে আন্দোলনকারীরা মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমবেত হন।
ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করে। সন্ধ্যার আগেই শাপলা চত্বরে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চের সামনে দুইজনের মরদেহ আনা হয়। পরে মধ্যরাতে সমাবেশে অংশ নেওয়া আলেম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। গুলি, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপে পুরো এলাকা খালি হয়ে যায় এবং এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় মোট ৫৭ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নিহতদের সবার পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় ঢাকায় ৩২ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজন নিহত হন।
২০১৩ সালের ৫ মে পবিত্র কোরআন ও মহানবী (সা.)-এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদসহ ১৩ দফা দাবিতে ‘ঢাকা অবরোধ’ কর্মসূচির ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। এতে আলেম সমাজ, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ সারা দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচি শেষে আন্দোলনকারীরা মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমবেত হন।
ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করে। সন্ধ্যার আগেই শাপলা চত্বরে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চের সামনে দুইজনের মরদেহ আনা হয়। পরে মধ্যরাতে সমাবেশে অংশ নেওয়া আলেম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। গুলি, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপে পুরো এলাকা খালি হয়ে যায় এবং এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন