আদালতের আদেশে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে বৈধ ঘোষণা করেছেন। এতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নারী আসনের এমপি হওয়ার পথ তার জন্য সুগম হলেও জটিলতা এখনো কাটেনি।
জোট ও দলের অন্য নেত্রী মনিরা শারমিনের রিটই এই জটিলতার প্রধান কারণ। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা বলছেন, আদালতের আদেশে নুসরাতের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়েছে এবং তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন। তাই নুসরাতের ক্ষেত্রে এখন কেবল একটি ধাপ বাকি রয়েছে-বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ। এরপর তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে এবং পরবর্তীতে বেসরকারি ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করবে কমিশন।
আইন অনুযায়ী, বাছাইয়ের পরের দিন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করতে হয়। সে অনুযায়ী রবিবার (৩ মে) তালিকাটি প্রকাশ করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এরপর তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনিরা শারমিনের রিটের বিষয়ে আদালতের আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান।
ইসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানান, মনিরা শারমিন তার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার পর আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করলেও কৃষি ব্যাংকে প্রায় দুই বছর চাকরি করেছেন। তিন বছর পূর্ণ না হলেও তিনি বেতন-ভাতা সরকারকে ফেরত দিয়েছেন। এছাড়া তিনি নিম্নপদে কর্মরত থাকায় প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ ছিল না-এ বিষয়গুলো আদালত বিবেচনায় নিতে পারেন। আদালত যদি নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন অথবা মনিরার মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন, তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। এমনকি ভোটগ্রহণের নির্দেশনাও আসতে পারে, এ সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, মনিরা শারমিনের আপিল আবেদনের শুনানি রবিবার (৩ মে) হতে পারে। তাই অন্তত ওই সময় পর্যন্ত আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান বলেন, আইন অনুযায়ী নুসরাতের ক্ষেত্রে এখন কেবল বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ বাকি। রবিবার তা করা হবে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হতে পারে এবং কমিশন গেজেট প্রকাশ করতে পারে। তবে মনিরা শারমিনের বিষয়ে আদালতের রায় কী আসে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
আদালতের আদেশে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে বৈধ ঘোষণা করেছেন। এতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নারী আসনের এমপি হওয়ার পথ তার জন্য সুগম হলেও জটিলতা এখনো কাটেনি।
জোট ও দলের অন্য নেত্রী মনিরা শারমিনের রিটই এই জটিলতার প্রধান কারণ। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা বলছেন, আদালতের আদেশে নুসরাতের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়েছে এবং তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন। তাই নুসরাতের ক্ষেত্রে এখন কেবল একটি ধাপ বাকি রয়েছে-বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ। এরপর তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে এবং পরবর্তীতে বেসরকারি ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করবে কমিশন।
আইন অনুযায়ী, বাছাইয়ের পরের দিন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করতে হয়। সে অনুযায়ী রবিবার (৩ মে) তালিকাটি প্রকাশ করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এরপর তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনিরা শারমিনের রিটের বিষয়ে আদালতের আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান।
ইসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানান, মনিরা শারমিন তার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার পর আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করলেও কৃষি ব্যাংকে প্রায় দুই বছর চাকরি করেছেন। তিন বছর পূর্ণ না হলেও তিনি বেতন-ভাতা সরকারকে ফেরত দিয়েছেন। এছাড়া তিনি নিম্নপদে কর্মরত থাকায় প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ ছিল না-এ বিষয়গুলো আদালত বিবেচনায় নিতে পারেন। আদালত যদি নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন অথবা মনিরার মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন, তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। এমনকি ভোটগ্রহণের নির্দেশনাও আসতে পারে, এ সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, মনিরা শারমিনের আপিল আবেদনের শুনানি রবিবার (৩ মে) হতে পারে। তাই অন্তত ওই সময় পর্যন্ত আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান বলেন, আইন অনুযায়ী নুসরাতের ক্ষেত্রে এখন কেবল বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ বাকি। রবিবার তা করা হবে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হতে পারে এবং কমিশন গেজেট প্রকাশ করতে পারে। তবে মনিরা শারমিনের বিষয়ে আদালতের রায় কী আসে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

আপনার মতামত লিখুন