ঢাকা    শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

ইয়াও ওয়েনের দাবি, শি জিনপিং–তারেক রহমান বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সামরিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সংযোগে নতুন গতি এসেছে।

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডরে তিন দেশই লাভবান হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত



বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডরে তিন দেশই লাভবান হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডর হলে তিন দেশের জনগণই উপকৃত হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাম্প্রতিক বৈঠক প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নয়নে দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা একসঙ্গে আলোচনায় বসেন। সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে যৌথ স্বার্থ নিয়ে সৌহাদ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। দুই নেতার মধ্যে (শি জিনপিং ও তারেক রহমান) টু প্লাস টু আলোচনা ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিশ্বস্ততা জোরদার হয়েছে ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের স্বার্থে নিজেদের মত করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাকে চায়না সমর্থন করে।

ইয়াও ওয়েন জানান, টেকসই তিস্তা মহাপরিকল্পনা করতে এর বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চায়না এর ওপর জোর দিচ্ছে। এ বিষয়ে চায়না বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। অতীতে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়ে চাইনিজ কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা হলেও এবার দুই দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। এ প্রকল্প এবং বাংলাদেশের নদী ব্যস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতা করতে চীনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রতিশ্রুতি এসেছে।

এসময় ব্রিকসে বাংলাদেশের সদস্যপদ সমর্থনে চীন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও জানান দেশটির রাষ্ট্রদূত।

বিষয় : তারেক রহমান শি জিনপিং

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডরে তিন দেশই লাভবান হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডর হলে তিন দেশের জনগণই উপকৃত হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাম্প্রতিক বৈঠক প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নয়নে দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা একসঙ্গে আলোচনায় বসেন। সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে যৌথ স্বার্থ নিয়ে সৌহাদ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। দুই নেতার মধ্যে (শি জিনপিং ও তারেক রহমান) টু প্লাস টু আলোচনা ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিশ্বস্ততা জোরদার হয়েছে ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের স্বার্থে নিজেদের মত করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাকে চায়না সমর্থন করে।

ইয়াও ওয়েন জানান, টেকসই তিস্তা মহাপরিকল্পনা করতে এর বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চায়না এর ওপর জোর দিচ্ছে। এ বিষয়ে চায়না বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। অতীতে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়ে চাইনিজ কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা হলেও এবার দুই দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। এ প্রকল্প এবং বাংলাদেশের নদী ব্যস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতা করতে চীনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রতিশ্রুতি এসেছে।

এসময় ব্রিকসে বাংলাদেশের সদস্যপদ সমর্থনে চীন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও জানান দেশটির রাষ্ট্রদূত।



বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত