দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে রাজধানীর কড়াইল বস্তিসহ ৫৮টি এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এছাড়া গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্বল্প ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ এবং বস্তিবাসীদের উন্নত আবাসন নিশ্চিত করতে একাধিক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, রাজউক প্রণীত ঢাকা মহানগরীর ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ২০২২ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে কড়াইল বস্তিসহ ৫৮টি সাইট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে।
তিনি জানান, গাজীপুরের টঙ্গীর দত্তপাড়ায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন ৯৮ একর জমিতে পর্যায়ক্রমে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণে একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার আর্থিক সহায়তায় রাজশাহী, দিনাজপুর, বরিশাল, খুলনা, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকার মোট ৩৭টি বস্তিতে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ‘পদ্মা আবাসিক এলাকা’র ৫৭৮ নম্বর প্লটে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ১৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছে।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ খুলনা শহরের হরিণটানা মৌজায় প্রায় ৮ একর জমিতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন সল্টগোলা এলাকায় চউকের মালিকানাধীন প্রায় ৮৩ কাঠা জমিতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য মাসিক ভাড়াভিত্তিক আবাসিক সুবিধা গড়ে তুলতে স্ব-অর্থায়ন বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে বলেও সংসদকে জানান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী।
বিষয় : জাকারিয়া তাহের কড়াইল বস্তি

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে রাজধানীর কড়াইল বস্তিসহ ৫৮টি এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এছাড়া গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্বল্প ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ এবং বস্তিবাসীদের উন্নত আবাসন নিশ্চিত করতে একাধিক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, রাজউক প্রণীত ঢাকা মহানগরীর ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ২০২২ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে কড়াইল বস্তিসহ ৫৮টি সাইট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ১ লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে।
তিনি জানান, গাজীপুরের টঙ্গীর দত্তপাড়ায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন ৯৮ একর জমিতে পর্যায়ক্রমে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণে একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার আর্থিক সহায়তায় রাজশাহী, দিনাজপুর, বরিশাল, খুলনা, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকার মোট ৩৭টি বস্তিতে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ‘পদ্মা আবাসিক এলাকা’র ৫৭৮ নম্বর প্লটে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ১৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছে।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ খুলনা শহরের হরিণটানা মৌজায় প্রায় ৮ একর জমিতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন সল্টগোলা এলাকায় চউকের মালিকানাধীন প্রায় ৮৩ কাঠা জমিতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য মাসিক ভাড়াভিত্তিক আবাসিক সুবিধা গড়ে তুলতে স্ব-অর্থায়ন বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে বলেও সংসদকে জানান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন