ঢাকা    শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

পোস্তার আড়তে শুরু হয়েছে বাছাই, ওজন নির্ধারণ ও লবণ দিয়ে সংরক্ষণের কাজ

ঈদের পরও তিন দিন চলবে চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম



ঈদের পরও তিন দিন চলবে চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম

রাজধানীর লালবাগের পোস্তায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার বেচাকেনা। ঈদের দিন সকাল থেকেই ট্রাক, ভ্যান ও পিকআপে করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চামড়া নিয়ে আসছেন ফড়িয়া, মাদ্রাসার প্রতিনিধি ও মৌসুমি সংগ্রহকারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো পোস্তা এলাকায় চামড়া কেনাবেচায় সরগরম পরিবেশ দেখা যায়।

তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেক বিক্রেতা। তাদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এ বছর চামড়ার দাম কিছুটা কম। সাইজভেদে বেশিরভাগ চামড়া ৩০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে পাইকার ও আড়তদাররা বলছেন, চামড়া সংরক্ষণ, শ্রমিক, পরিবহন ও গুদামজাতকরণের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি লবণ ও রাসায়নিকের দাম বৃদ্ধির কারণে বেশি দামে চামড়া কেনা সম্ভব হচ্ছে না।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনজুর হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির পাশাপাশি দেশে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত লবণ ও রাসায়নিকের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাঁচা চামড়ার বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের তুলনামূলক কম দামে চামড়া কিনতে হচ্ছে।

চামড়া ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের পরবর্তী তিন দিন সারা দেশে চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে। এরই মধ্যে পোস্তার আড়তগুলোতে সংগ্রহ করা চামড়া বাছাই, ওজন নির্ধারণ এবং লবণ দিয়ে সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে।

চলতি বছর সরকার গরুর প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ৬২ থেকে ৬৭ টাকা এবং ছাগলের চামড়ার দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করেছে।

বিষয় : কাঁচা চামড়া

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


ঈদের পরও তিন দিন চলবে চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর লালবাগের পোস্তায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার বেচাকেনা। ঈদের দিন সকাল থেকেই ট্রাক, ভ্যান ও পিকআপে করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চামড়া নিয়ে আসছেন ফড়িয়া, মাদ্রাসার প্রতিনিধি ও মৌসুমি সংগ্রহকারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো পোস্তা এলাকায় চামড়া কেনাবেচায় সরগরম পরিবেশ দেখা যায়।

তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেক বিক্রেতা। তাদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এ বছর চামড়ার দাম কিছুটা কম। সাইজভেদে বেশিরভাগ চামড়া ৩০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে পাইকার ও আড়তদাররা বলছেন, চামড়া সংরক্ষণ, শ্রমিক, পরিবহন ও গুদামজাতকরণের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি লবণ ও রাসায়নিকের দাম বৃদ্ধির কারণে বেশি দামে চামড়া কেনা সম্ভব হচ্ছে না।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনজুর হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির পাশাপাশি দেশে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত লবণ ও রাসায়নিকের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাঁচা চামড়ার বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের তুলনামূলক কম দামে চামড়া কিনতে হচ্ছে।

চামড়া ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের পরবর্তী তিন দিন সারা দেশে চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে। এরই মধ্যে পোস্তার আড়তগুলোতে সংগ্রহ করা চামড়া বাছাই, ওজন নির্ধারণ এবং লবণ দিয়ে সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে।

চলতি বছর সরকার গরুর প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ৬২ থেকে ৬৭ টাকা এবং ছাগলের চামড়ার দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করেছে।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত