রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার (২৪ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ অভিযোগপত্র জমা দেন।
এর আগে সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ডিএনএ প্রতিবেদন শনিবার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রোববার বলেছেন, এ মামলার বিচার প্রক্রিয়া পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা আক্তার আবদুল হান্নান মোল্লার মেয়ে। অভিযুক্ত সোহেল রানা পার্শ্ববর্তী একটি ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া ছিলেন। তিনি শিশুটিকে কৌশলে তার কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে রামিসার ছিন্নভিন্ন মরদেহ বিছানার নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় এবং তার কাটা মাথা বাথরুমের একটি বালতির ভেতর থেকে পাওয়া যায়।
ঘটনার সময় স্বপ্না আক্তারকে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে সোহেল রানা পালিয়ে যান। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বিষয় : সালাহউদ্দিন আহমদ রামিসা আক্তার

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার (২৪ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ অভিযোগপত্র জমা দেন।
এর আগে সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ডিএনএ প্রতিবেদন শনিবার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রোববার বলেছেন, এ মামলার বিচার প্রক্রিয়া পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা আক্তার আবদুল হান্নান মোল্লার মেয়ে। অভিযুক্ত সোহেল রানা পার্শ্ববর্তী একটি ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া ছিলেন। তিনি শিশুটিকে কৌশলে তার কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে রামিসার ছিন্নভিন্ন মরদেহ বিছানার নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় এবং তার কাটা মাথা বাথরুমের একটি বালতির ভেতর থেকে পাওয়া যায়।
ঘটনার সময় স্বপ্না আক্তারকে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে সোহেল রানা পালিয়ে যান। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন