বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী Time Magazine-এর প্রকাশিত ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত এই তালিকায় তাকে নিয়ে মুখবন্ধ লিখেছেন ম্যাগাজিনটির সিঙ্গাপুর ব্যুরো সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক চার্লি ক্যাম্পবেল। সেখানে উল্লেখ করা হয়, অল্প কিছুদিন আগেও লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটালেও ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা-র ক্ষমতাচ্যুতির পর তারেক রহমান দ্রুত জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভের মাধ্যমে প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তিনি নেতৃত্বের অবস্থানে আসেন। এই রাজনৈতিক যাত্রায় তিনি তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র পথ অনুসরণ করেন। তবে দেশে ফেরার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই মায়ের মৃত্যু তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।
টাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান জানান, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি দেশের ১৭ কোটির বেশি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান এবং অর্থনীতিকে নতুন করে গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়েছেন। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যুব বেকারত্ব এবং ভারত-এর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তার সামনে রয়েছে।
এছাড়া অতীতের দুর্নীতির অভিযোগ—যদিও পরবর্তীতে আদালতে খারিজ হয়েছে—তার রাজনৈতিক সময়ের প্রাথমিক সুবিধা (হানিমুন পিরিয়ড) কমিয়ে দিতে পারে বলেও মন্তব্য করা হয়।
এই তালিকায় তারেক রহমানের পাশাপাশি আরও রয়েছেন সুন্দর পিচাই, ডোনাল্ড ট্রাম্প, শি জিনপিং, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং পোপ লিও চতুর্দশসহ বিশ্ব রাজনীতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা।
বিষয় : তারেক রহমান Time Magazine খালেদা জিয়া

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী Time Magazine-এর প্রকাশিত ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত এই তালিকায় তাকে নিয়ে মুখবন্ধ লিখেছেন ম্যাগাজিনটির সিঙ্গাপুর ব্যুরো সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক চার্লি ক্যাম্পবেল। সেখানে উল্লেখ করা হয়, অল্প কিছুদিন আগেও লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটালেও ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা-র ক্ষমতাচ্যুতির পর তারেক রহমান দ্রুত জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভের মাধ্যমে প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তিনি নেতৃত্বের অবস্থানে আসেন। এই রাজনৈতিক যাত্রায় তিনি তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র পথ অনুসরণ করেন। তবে দেশে ফেরার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই মায়ের মৃত্যু তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।
টাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান জানান, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি দেশের ১৭ কোটির বেশি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান এবং অর্থনীতিকে নতুন করে গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়েছেন। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যুব বেকারত্ব এবং ভারত-এর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তার সামনে রয়েছে।
এছাড়া অতীতের দুর্নীতির অভিযোগ—যদিও পরবর্তীতে আদালতে খারিজ হয়েছে—তার রাজনৈতিক সময়ের প্রাথমিক সুবিধা (হানিমুন পিরিয়ড) কমিয়ে দিতে পারে বলেও মন্তব্য করা হয়।
এই তালিকায় তারেক রহমানের পাশাপাশি আরও রয়েছেন সুন্দর পিচাই, ডোনাল্ড ট্রাম্প, শি জিনপিং, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং পোপ লিও চতুর্দশসহ বিশ্ব রাজনীতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা।

আপনার মতামত লিখুন