লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমের বিরুদ্ধে রামগঞ্জের উন্নয়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তার আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, মাহফুজ আলমকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আগে চিনতেন না। তবে তার বাবা বাচ্চু মোল্লা, যিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, তার ঘনিষ্ঠজন। আন্দোলনের সময় বাচ্চু মোল্লা গ্রেফতার হলে তিনি নিজ উদ্যোগে থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে মুক্তির ব্যবস্থা করেন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ড. ইউনুস ক্ষমতায় আসার পর বাচ্চু মোল্লার বাসায় একটি সাংগঠনিক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। সেদিন রাতেই টেলিভিশনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এ খবর পেয়ে আনন্দের সঙ্গে তিনি বাচ্চু মোল্লাকে অতিরিক্ত রান্নার কথাও বলেন।
তবে নিয়োগের কয়েকদিন পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে সেলিম বলেন, “সেখানে মাহফুজ আলম দূরে অবস্থান করছিলেন। আমি তার সঙ্গে একটি ছবি তুলতে চাইলে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন এবং দৃষ্টিকটু আচরণ করেন। এতে আমি বিস্মিত হই এবং সহকর্মীদের কাছে অপমানিত বোধ করি।”
এমপি সেলিম আরও অভিযোগ করেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রামগঞ্জের দৃশ্যমান উন্নয়নে মাহফুজ আলমের কোনো অবদান দেখা যায়নি। তার মতে, “তার হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও রামগঞ্জের উন্নয়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
তিনি দাবি করেন, রামগঞ্জের উন্নয়নের প্রশ্নে মাহফুজ আলম সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং কথার মাধ্যমে বাস্তবতা আড়াল করার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে মাহফুজ আলমের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমের বিরুদ্ধে রামগঞ্জের উন্নয়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তার আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, মাহফুজ আলমকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আগে চিনতেন না। তবে তার বাবা বাচ্চু মোল্লা, যিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, তার ঘনিষ্ঠজন। আন্দোলনের সময় বাচ্চু মোল্লা গ্রেফতার হলে তিনি নিজ উদ্যোগে থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে মুক্তির ব্যবস্থা করেন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ড. ইউনুস ক্ষমতায় আসার পর বাচ্চু মোল্লার বাসায় একটি সাংগঠনিক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। সেদিন রাতেই টেলিভিশনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এ খবর পেয়ে আনন্দের সঙ্গে তিনি বাচ্চু মোল্লাকে অতিরিক্ত রান্নার কথাও বলেন।
তবে নিয়োগের কয়েকদিন পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে সেলিম বলেন, “সেখানে মাহফুজ আলম দূরে অবস্থান করছিলেন। আমি তার সঙ্গে একটি ছবি তুলতে চাইলে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন এবং দৃষ্টিকটু আচরণ করেন। এতে আমি বিস্মিত হই এবং সহকর্মীদের কাছে অপমানিত বোধ করি।”
এমপি সেলিম আরও অভিযোগ করেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রামগঞ্জের দৃশ্যমান উন্নয়নে মাহফুজ আলমের কোনো অবদান দেখা যায়নি। তার মতে, “তার হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও রামগঞ্জের উন্নয়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
তিনি দাবি করেন, রামগঞ্জের উন্নয়নের প্রশ্নে মাহফুজ আলম সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং কথার মাধ্যমে বাস্তবতা আড়াল করার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে মাহফুজ আলমের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন