ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

জ্বালানি বাজারে স্বস্তির খবর

আজ থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং নেই



আজ থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং নেই

জ্বালানি তেল কেনার ক্ষেত্রে চালু থাকা রেশনিং পদ্ধতি তুলে নিচ্ছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) থেকে সব ধরনের যানবাহনের জন্য তেল কেনায় আর কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকছে না।

এর আগে গত ৬ মার্চ থেকে সারা দেশে যানবাহনের জন্য তেল বিক্রিতে রেশনিং চালু করে সরকার। রেশনিং শুরুর সময় সরকারের নির্দেশনায় মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কন্টেইনার ট্রাকের জন্য প্রতিদিন ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারিত ছিল।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় এ ব্যবস্থা আংশিক শিথিল করা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের কথা বিবেচনায় মোটরসাইকেলের তেলের সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একই সঙ্গে সামগ্রিক রেশনিং হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

এদিকে আজ থেকে রেশনিং পদ্ধতি পুরোপুরি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে এখন থেকে আগের মতোই কোনো নির্দিষ্ট সীমা ছাড়াই সব ধরনের যানবাহনের জন্য জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে।

উল্লেখ্য, ইরানে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালালে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে। ফলে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় আর এতেই দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিলে সরকার সারা দেশে তেল বিক্রিতে রেশনিং পদ্ধতি চালু করে।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


আজ থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং নেই

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

জ্বালানি তেল কেনার ক্ষেত্রে চালু থাকা রেশনিং পদ্ধতি তুলে নিচ্ছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) থেকে সব ধরনের যানবাহনের জন্য তেল কেনায় আর কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকছে না।

এর আগে গত ৬ মার্চ থেকে সারা দেশে যানবাহনের জন্য তেল বিক্রিতে রেশনিং চালু করে সরকার। রেশনিং শুরুর সময় সরকারের নির্দেশনায় মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কন্টেইনার ট্রাকের জন্য প্রতিদিন ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারিত ছিল।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় এ ব্যবস্থা আংশিক শিথিল করা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের কথা বিবেচনায় মোটরসাইকেলের তেলের সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একই সঙ্গে সামগ্রিক রেশনিং হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

এদিকে আজ থেকে রেশনিং পদ্ধতি পুরোপুরি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে এখন থেকে আগের মতোই কোনো নির্দিষ্ট সীমা ছাড়াই সব ধরনের যানবাহনের জন্য জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে।

উল্লেখ্য, ইরানে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালালে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে। ফলে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় আর এতেই দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিলে সরকার সারা দেশে তেল বিক্রিতে রেশনিং পদ্ধতি চালু করে।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত