ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

জামায়াত নেতার বহিষ্কার প্রসঙ্গে ফেসবুক পোস্টে বলেন, সমালোচনার চাপেই এসেছে সাংগঠনিক ব্যবস্থা; প্রভাবশালী নেতাদের নীরবতাও প্রশ্নবিদ্ধ।

'সাতক্ষীরায় পূর্ণ ক্ষমতা পেয়েই আসল চেহারা দেখিয়েছে জামায়াত'—রাকসু জিএস আম্মার



'সাতক্ষীরায় পূর্ণ ক্ষমতা পেয়েই আসল চেহারা দেখিয়েছে জামায়াত'—রাকসু জিএস আম্মার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন, জামায়াতকে আল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা না দিলেও এই এক জেলায় পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে তাদের ভেতরের ঘৃণিত চেহারাটা দেখিয়ে দিলেন।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের বহিষ্কারের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ফেসবুক পোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মার লেখেন, ৩ বারের এমপি, সাতক্ষীরার মতো নির্যাতিত এলাকার মানুষের প্রতিনিধি হয়ে অনৈতিক কাজে জড়ানো। সাতক্ষীরা এলাকায় গেলে বুঝবেন মানুষ কতটা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। প্রায় প্রত্যেক পরিবারেই ফ্যাসিবাদের নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। জামায়াতকে আল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা না দিলেও এই এক জেলায় পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে তাদের ভেতরের ঘৃণিত চেহারাটা দেখিয়ে দিলেন।

তিনি আরও লেখেন, নিজের নেতার বেলায় চোখ-মুখ বন্ধ রাখা এদেশের প্রায় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের স্বভাব। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের ভেতরেই এক ধরনের ইন্টারনাল ডিক্টেটরশিপ চলে। জামায়াত থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো প্রভাবশালী নেতাকে কিছু লিখতে দেখা যায়নি।

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, বহিষ্কারের কৃতিত্ব তো সমালোচকদেরই। তারা সমালোচনা না করলে জামায়াত তাকে বহিষ্কার করতো এমনটা আমারও মনে হয় না।

বিষয় : রাকসু সালাহউদ্দিন আম্মার

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


'সাতক্ষীরায় পূর্ণ ক্ষমতা পেয়েই আসল চেহারা দেখিয়েছে জামায়াত'—রাকসু জিএস আম্মার

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন, জামায়াতকে আল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা না দিলেও এই এক জেলায় পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে তাদের ভেতরের ঘৃণিত চেহারাটা দেখিয়ে দিলেন।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের বহিষ্কারের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ফেসবুক পোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মার লেখেন, ৩ বারের এমপি, সাতক্ষীরার মতো নির্যাতিত এলাকার মানুষের প্রতিনিধি হয়ে অনৈতিক কাজে জড়ানো। সাতক্ষীরা এলাকায় গেলে বুঝবেন মানুষ কতটা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। প্রায় প্রত্যেক পরিবারেই ফ্যাসিবাদের নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। জামায়াতকে আল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা না দিলেও এই এক জেলায় পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে তাদের ভেতরের ঘৃণিত চেহারাটা দেখিয়ে দিলেন।

তিনি আরও লেখেন, নিজের নেতার বেলায় চোখ-মুখ বন্ধ রাখা এদেশের প্রায় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের স্বভাব। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের ভেতরেই এক ধরনের ইন্টারনাল ডিক্টেটরশিপ চলে। জামায়াত থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো প্রভাবশালী নেতাকে কিছু লিখতে দেখা যায়নি।

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, বহিষ্কারের কৃতিত্ব তো সমালোচকদেরই। তারা সমালোচনা না করলে জামায়াত তাকে বহিষ্কার করতো এমনটা আমারও মনে হয় না।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত