ঢাকা    শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

মোবাইল অ্যাপে ওয়ান-পেজ রিটার্ন:

বছরে ১০০ টাকার প্রতীকী করের প্রস্তাব



বছরে ১০০ টাকার প্রতীকী করের প্রস্তাব

নতুন করদাতাদের করভীতি দূর ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতকে সম্পৃক্ত করতে বছরে ১০০ বা এক হাজার টাকার প্রতীকী ন্যূনতম কর প্রবর্তন করার প্রস্তাব দিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। এ ছাড়া মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে ওয়ান-পেজ ডিজিটাল রিটার্ন দাখিল ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবনে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান। সেখানেই তিনি এই প্রস্তাব রাখেন।

প্রতীকী কর ও ডিজিটাল রিটার্ন প্রস্তাবের পক্ষে এমসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে এক কোটির বেশি ই-টিআইএন ধারী থাকলেও নিয়মিত রিটার্ন দাখিল করছে অর্ধেকেরও কম করদাতা। দেশের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে করের আওতায় আনতে বছরে মাত্র ১০০ বা ১০০০ টাকার একটি ‘প্রতীকী ন্যূনতম কর’ প্রবর্তন করা যেতে পারে।’ পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ‘ওয়ান-পেজ ডিজিটাল রিটার্ন’ ব্যবস্থা চালুর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

তিনি দাবি করেন, ‘বর্তমানে অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের কারণে কার্যকর কর হার অনেক ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। নগদ লেনদেন সংক্রান্ত কঠোর শর্তের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান কর হ্রাসের সুফল ভোগ কর‍তে পারে না।’

এ ছাড়া ডিজিটাল রূপান্তর ও প্রশাসনিক সংস্কার করব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংগঠনটি বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব পেশ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে, আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসের জন্য একটি সমন্বিত ‘ইউনিফাইড ট্যাক্সপেয়ার প্রোফাইল’ চালু করা, কর নির্ধারণ-আপিল ও ট্রাইব্যুনাল পর্যায়ে অনলাইন শুনানি শুরু করা, নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব প্রশাসনের মধ্যে সুস্পষ্ট বিভাজন নিশ্চিত করতে ‘রেভিনিউ পলিসি অ্যান্ড রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট অর্ডিন্যান্স ২০২৫’-এর কার্যকর বাস্তবায়ন করা।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) উদ্যোক্তাদের রক্ষায় পৃথক কর কাঠামো, টার্নওভার কর হ্রাস এবং কাঁচামালের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক কমানোরও প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘কাস্টমস, ভ্যাট ও ট্যাক্সের ভেতরে সমন্বয় করার কাজ শুরু করছে। ইম্পোর্টারের সঙ্গে ই-রিটার্ন সমন্বয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ১৬টি ট্যাক্স ও ভ্যাট অডিট এক সঙ্গে হবে।’ কেবল সাম্প্রতিক রিটার্নই নয়, করদাতার আগের রিটার্নও রিক্স বেজড করা হবে। এতে কর দাতাদের ভোগান্তি কমবে।’

বিষয় : এমসিসিআই প্রতীকী কর

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


বছরে ১০০ টাকার প্রতীকী করের প্রস্তাব

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নতুন করদাতাদের করভীতি দূর ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতকে সম্পৃক্ত করতে বছরে ১০০ বা এক হাজার টাকার প্রতীকী ন্যূনতম কর প্রবর্তন করার প্রস্তাব দিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। এ ছাড়া মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে ওয়ান-পেজ ডিজিটাল রিটার্ন দাখিল ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবনে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান। সেখানেই তিনি এই প্রস্তাব রাখেন।

প্রতীকী কর ও ডিজিটাল রিটার্ন প্রস্তাবের পক্ষে এমসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে এক কোটির বেশি ই-টিআইএন ধারী থাকলেও নিয়মিত রিটার্ন দাখিল করছে অর্ধেকেরও কম করদাতা। দেশের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে করের আওতায় আনতে বছরে মাত্র ১০০ বা ১০০০ টাকার একটি ‘প্রতীকী ন্যূনতম কর’ প্রবর্তন করা যেতে পারে।’ পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ‘ওয়ান-পেজ ডিজিটাল রিটার্ন’ ব্যবস্থা চালুর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

তিনি দাবি করেন, ‘বর্তমানে অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের কারণে কার্যকর কর হার অনেক ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। নগদ লেনদেন সংক্রান্ত কঠোর শর্তের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান কর হ্রাসের সুফল ভোগ কর‍তে পারে না।’

এ ছাড়া ডিজিটাল রূপান্তর ও প্রশাসনিক সংস্কার করব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংগঠনটি বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব পেশ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে, আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসের জন্য একটি সমন্বিত ‘ইউনিফাইড ট্যাক্সপেয়ার প্রোফাইল’ চালু করা, কর নির্ধারণ-আপিল ও ট্রাইব্যুনাল পর্যায়ে অনলাইন শুনানি শুরু করা, নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব প্রশাসনের মধ্যে সুস্পষ্ট বিভাজন নিশ্চিত করতে ‘রেভিনিউ পলিসি অ্যান্ড রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট অর্ডিন্যান্স ২০২৫’-এর কার্যকর বাস্তবায়ন করা।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) উদ্যোক্তাদের রক্ষায় পৃথক কর কাঠামো, টার্নওভার কর হ্রাস এবং কাঁচামালের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক কমানোরও প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘কাস্টমস, ভ্যাট ও ট্যাক্সের ভেতরে সমন্বয় করার কাজ শুরু করছে। ইম্পোর্টারের সঙ্গে ই-রিটার্ন সমন্বয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ১৬টি ট্যাক্স ও ভ্যাট অডিট এক সঙ্গে হবে।’ কেবল সাম্প্রতিক রিটার্নই নয়, করদাতার আগের রিটার্নও রিক্স বেজড করা হবে। এতে কর দাতাদের ভোগান্তি কমবে।’


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত