বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ মিলে প্রথম দিনে সর্বমোট ৭০৭টি মামলার শুনানি ও ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানির মাধ্যমে আপিল বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) ৯৫টি মামলার শুনানি ও ২১টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয় এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৬১২টি মামলার শুনানি ও ১৫৬টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানিযোগ্য মামলার দৈনন্দিন কার্যতালিকা এবং ভার্চুয়াল (মিটিং) আইডি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
উভয় বিভাগে সর্বমোট ৭০৭টি মামলার শুনানি ও ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আদালতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০ এবং সুপ্রিম কোর্টের জারি করা প্র্যাকটিস নির্দেশনা অনুসরণ করে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সপ্তাহের প্রতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর উভয় বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় কমাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ মিলে প্রথম দিনে সর্বমোট ৭০৭টি মামলার শুনানি ও ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানির মাধ্যমে আপিল বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) ৯৫টি মামলার শুনানি ও ২১টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয় এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৬১২টি মামলার শুনানি ও ১৫৬টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানিযোগ্য মামলার দৈনন্দিন কার্যতালিকা এবং ভার্চুয়াল (মিটিং) আইডি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
উভয় বিভাগে সর্বমোট ৭০৭টি মামলার শুনানি ও ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আদালতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০ এবং সুপ্রিম কোর্টের জারি করা প্র্যাকটিস নির্দেশনা অনুসরণ করে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সপ্তাহের প্রতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর উভয় বিভাগে (চেম্বার জজ আদালতসহ) তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় কমাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন