ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

যতদিন সমস্যা থাকবে, ততদিন এভাবেই ব্যবহার করবেন বলে জানিয়েছেন নূর মোহাম্মদ

কার্ডের ঝামেলা এড়াতে অভিনব উদ্যোগ, গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট



কার্ডের ঝামেলা এড়াতে অভিনব উদ্যোগ, গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট
ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে মোটরসাইকেলে করে ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায় নূর মোহাম্মদ নামের ওই ব্যবসায়ীকে।

তিনি উপজেলার বড়পাকুরিয়া এলাকার মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং জামতৈল বাজারে তার ‘সোনালী টেলিকম অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল সিরাজগঞ্জের কাজীপুর মোড় এলাকায় একটি তেলের পাম্পে তেল নিতে গেলে তাকে তেল দেওয়া হয়নি। তাকে বলা হয়, তেল নিতে ফুয়েল কার্ড লাগবে। এরপর ৬ এপ্রিল তিনি ফুয়েল কার্ডটি গেঞ্জির সঙ্গে প্রিন্ট করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

গেঞ্জির সম্মুখভাগে ফুয়েল কার্ডের প্রথম অংশ প্রিন্ট করা রয়েছে, যেখানে তার নাম, পরিচয় ও ছবি সংযুক্ত আছে। অন্যদিকে গেঞ্জির পেছনের অংশে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা প্রিন্ট করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নূর মোহাম্মদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি যখন প্রয়োজনীয় তেলের জন্য যেতাম, তখন পাম্পে গেলে বলতো, তেল নেই, তেল নেই। যখন ফুয়েল কার্ড আসল, তখন আমি কার্ড সংগ্রহ করলাম। কার্ড সংগ্রহ করার পর বড় কার্ড ক্যারি করতে পারি নাই ভুলবশত। তেলের জন্য গেলে বলে কার্ড দেন। বলে কার্ড ছাড়া তেল নেই, ছবি দেখানো সত্ত্বেও বলে এভাবে হবে না, কার্ড লাগবে। তখন আমি চিন্তা করলাম ফুয়েল কার্ডটা অনেক বড়, তাই গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, যতদিন এই অবস্থা থাকবে, ততদিন আমি এই গেঞ্জি ব্যবহার করব। 

বিষয় : ফুয়েল কার্ড

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


কার্ডের ঝামেলা এড়াতে অভিনব উদ্যোগ, গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে মোটরসাইকেলে করে ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায় নূর মোহাম্মদ নামের ওই ব্যবসায়ীকে।

তিনি উপজেলার বড়পাকুরিয়া এলাকার মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং জামতৈল বাজারে তার ‘সোনালী টেলিকম অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল সিরাজগঞ্জের কাজীপুর মোড় এলাকায় একটি তেলের পাম্পে তেল নিতে গেলে তাকে তেল দেওয়া হয়নি। তাকে বলা হয়, তেল নিতে ফুয়েল কার্ড লাগবে। এরপর ৬ এপ্রিল তিনি ফুয়েল কার্ডটি গেঞ্জির সঙ্গে প্রিন্ট করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

গেঞ্জির সম্মুখভাগে ফুয়েল কার্ডের প্রথম অংশ প্রিন্ট করা রয়েছে, যেখানে তার নাম, পরিচয় ও ছবি সংযুক্ত আছে। অন্যদিকে গেঞ্জির পেছনের অংশে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা প্রিন্ট করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নূর মোহাম্মদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি যখন প্রয়োজনীয় তেলের জন্য যেতাম, তখন পাম্পে গেলে বলতো, তেল নেই, তেল নেই। যখন ফুয়েল কার্ড আসল, তখন আমি কার্ড সংগ্রহ করলাম। কার্ড সংগ্রহ করার পর বড় কার্ড ক্যারি করতে পারি নাই ভুলবশত। তেলের জন্য গেলে বলে কার্ড দেন। বলে কার্ড ছাড়া তেল নেই, ছবি দেখানো সত্ত্বেও বলে এভাবে হবে না, কার্ড লাগবে। তখন আমি চিন্তা করলাম ফুয়েল কার্ডটা অনেক বড়, তাই গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, যতদিন এই অবস্থা থাকবে, ততদিন আমি এই গেঞ্জি ব্যবহার করব। 


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত