লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৭নং দরবেশপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ সমাজসেবক মোঃ মোরশেদ পাঠান। ইতোমধ্যে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন, যা স্থানীয় জনমনে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে।
তৃণমূল জনগোষ্ঠী ও তরুণ প্রজন্মের একাংশ মোরশেদ পাঠানকে ইউনিয়নের আগামী চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তরুণরা তাকে “তারুণ্যের অহংকার” ও “সমাজসেবক নেতা” হিসেবে তুলে ধরছে।
জানা গেছে, মোরশেদ পাঠান নিজেও তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। তিনি তার পোস্ট ও বক্তব্যে দরবেশপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনগণের সেবায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন মোরশেদ পাঠান। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ বিষয়ে মোরশেদ পাঠান বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। যদি জনগণ আমাকে তাদের ভোটে নির্বাচিত করেন, তাহলে দরবেশপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়নে পরিণত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
তিনি সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং ভবিষ্যতেও জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৭নং দরবেশপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ সমাজসেবক মোঃ মোরশেদ পাঠান। ইতোমধ্যে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন, যা স্থানীয় জনমনে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে।
তৃণমূল জনগোষ্ঠী ও তরুণ প্রজন্মের একাংশ মোরশেদ পাঠানকে ইউনিয়নের আগামী চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তরুণরা তাকে “তারুণ্যের অহংকার” ও “সমাজসেবক নেতা” হিসেবে তুলে ধরছে।
জানা গেছে, মোরশেদ পাঠান নিজেও তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। তিনি তার পোস্ট ও বক্তব্যে দরবেশপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনগণের সেবায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন মোরশেদ পাঠান। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ বিষয়ে মোরশেদ পাঠান বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। যদি জনগণ আমাকে তাদের ভোটে নির্বাচিত করেন, তাহলে দরবেশপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়নে পরিণত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
তিনি সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং ভবিষ্যতেও জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন