ঢাকা    শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

তবে অন্য দেশের জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে বলে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি

হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের জন্য বন্ধ: ইরান



হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের জন্য বন্ধ: ইরান

আলোচিত হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল বাদে সবার জন্য উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরান ও ওমানের উপকূল ঘেঁষে থাকা এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। এ এলাকায় উত্তেজনার কারণে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারেরও ঊর্ধ্বে উঠেছে।

আরাগচি জানান, প্রণালিটি ‘আমাদের শত্রুদের জাহাজ ও ট্যাঙ্কারের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।’ তবে তিনি স্পষ্ট করেন, ‘প্রণালিটি সম্পূর্ণ বন্ধ নয়। এটি কেবল আমেরিকান ও ইসরায়েলি জাহাজ ও ট্যাঙ্কারের জন্য বন্ধ, অন্যদের জন্য নয়।’

এদিকে রাশিয়া ও চীন ‘সামরিক সহযোগিতাসহ’ বিভিন্ন উপায়ে সহায়তা করছে বলেও জানিয়েছেন আব্বাস আরাগচি। শনিবার (১৪ মার্চ) এমএস নাউ-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে কাজ করছে রাশিয়া ও চীন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগেও আমাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ছিল এবং তা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে সামরিক সহযোগিতাও অন্তর্ভুক্ত। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এমনকি সামরিক ক্ষেত্রেও এই দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের ভালো সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে।’

এর আগে শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, রাশিয়াসম্ভবত ইরানকে ‘কিছুটা’ সহায়তা করছে। তবে এই সহায়তার পক্ষে নিজেই যুক্তি তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যোগ করেন, ‘আমরাও তো ইউক্রেনকে সাহায্য করছি’।

গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার প্রেক্ষাপটে ইরান ও রাশিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ইরান নিজস্বভাবে তৈরি শাহেদ ড্রোন রাশিয়াকে সরবরাহ করছে, যা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করছে মস্কো। এমনকি এ ধরনের ড্রোন উৎপাদনের জন্য রাশিয়ায় কারখানাও স্থাপন করা হয়েছে।



এদিকে ২০২১ সালে চীনের সঙ্গে ২৫ বছরের একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। যার মূল কেন্দ্র ছিল ইরানের সমৃদ্ধ তেলের মজুত চীনের কাছে বিক্রি করা।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের জন্য বন্ধ: ইরান

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

আলোচিত হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল বাদে সবার জন্য উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরান ও ওমানের উপকূল ঘেঁষে থাকা এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। এ এলাকায় উত্তেজনার কারণে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারেরও ঊর্ধ্বে উঠেছে।

আরাগচি জানান, প্রণালিটি ‘আমাদের শত্রুদের জাহাজ ও ট্যাঙ্কারের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।’ তবে তিনি স্পষ্ট করেন, ‘প্রণালিটি সম্পূর্ণ বন্ধ নয়। এটি কেবল আমেরিকান ও ইসরায়েলি জাহাজ ও ট্যাঙ্কারের জন্য বন্ধ, অন্যদের জন্য নয়।’

এদিকে রাশিয়া ও চীন ‘সামরিক সহযোগিতাসহ’ বিভিন্ন উপায়ে সহায়তা করছে বলেও জানিয়েছেন আব্বাস আরাগচি। শনিবার (১৪ মার্চ) এমএস নাউ-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে কাজ করছে রাশিয়া ও চীন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগেও আমাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ছিল এবং তা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে সামরিক সহযোগিতাও অন্তর্ভুক্ত। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এমনকি সামরিক ক্ষেত্রেও এই দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের ভালো সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে।’

এর আগে শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, রাশিয়াসম্ভবত ইরানকে ‘কিছুটা’ সহায়তা করছে। তবে এই সহায়তার পক্ষে নিজেই যুক্তি তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যোগ করেন, ‘আমরাও তো ইউক্রেনকে সাহায্য করছি’।

গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার প্রেক্ষাপটে ইরান ও রাশিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ইরান নিজস্বভাবে তৈরি শাহেদ ড্রোন রাশিয়াকে সরবরাহ করছে, যা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করছে মস্কো। এমনকি এ ধরনের ড্রোন উৎপাদনের জন্য রাশিয়ায় কারখানাও স্থাপন করা হয়েছে।



এদিকে ২০২১ সালে চীনের সঙ্গে ২৫ বছরের একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। যার মূল কেন্দ্র ছিল ইরানের সমৃদ্ধ তেলের মজুত চীনের কাছে বিক্রি করা।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত