রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরা। তার আত্মহত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি করেন শেখ তানভীর আহমেদ।
এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে অভিনেতা জাহের আলভীকে। এতে আসামি করা হয়েছে আলভীর কথিত পরকীয়া প্রেমিকা ইফফাত আরা তিথিকেও।
এছাড়াও এই মামলায় আলভীর মা এবং তার সহকর্মীর বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।
মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান। তিনি জানান, মামলায় শুধু জাহের আলভী নন, তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
ওসি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তা গ্রহণ করে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ ও ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আত্মহত্যার ঘটনার পেছনে পারিবারিক অশান্তি, মানসিক চাপ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যরা ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ১ মার্চ সকালে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। সেদিন রাতেই ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার রানদিয়া গ্রামে নানাবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর আলভী ও ইকরা ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেছিলেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে একটি সন্তানও রয়েছে।
বেশ অনেকদিন ধরেই শোবিজ অঙ্গনে গুঞ্জন ছিল যে, আলভী তার সহকর্মী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছেন। ইকরার ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর দাবি অনুযায়ী, আলভী ও তিথির এই পরকীয়ার কারণেই ইকরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সেই পরিস্থিতি সামলে না উঠতে পেরে শেষ পর্যন্ত তাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন ইকরা।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরা। তার আত্মহত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি করেন শেখ তানভীর আহমেদ।
এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে অভিনেতা জাহের আলভীকে। এতে আসামি করা হয়েছে আলভীর কথিত পরকীয়া প্রেমিকা ইফফাত আরা তিথিকেও।
এছাড়াও এই মামলায় আলভীর মা এবং তার সহকর্মীর বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।
মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান। তিনি জানান, মামলায় শুধু জাহের আলভী নন, তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
ওসি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তা গ্রহণ করে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ ও ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আত্মহত্যার ঘটনার পেছনে পারিবারিক অশান্তি, মানসিক চাপ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যরা ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ১ মার্চ সকালে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। সেদিন রাতেই ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার রানদিয়া গ্রামে নানাবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর আলভী ও ইকরা ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেছিলেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে একটি সন্তানও রয়েছে।
বেশ অনেকদিন ধরেই শোবিজ অঙ্গনে গুঞ্জন ছিল যে, আলভী তার সহকর্মী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছেন। ইকরার ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর দাবি অনুযায়ী, আলভী ও তিথির এই পরকীয়ার কারণেই ইকরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সেই পরিস্থিতি সামলে না উঠতে পেরে শেষ পর্যন্ত তাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন ইকরা।

আপনার মতামত লিখুন