ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। আজ রবিবার (১ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি রবিবার সকালে জানায়, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শাহাদাতবরণ করেছেন।’
এর আগে খামেনির নিহতের দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের একজন, মারা গেছেন।’
রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই কাপুরুষোচিত হামলাটি শনিবার ভোরের দিকে করা হয়। সে সময় খামেনি তার কর্মস্থলে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এদিকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির শেষ শাহ-এর (রাজা) নির্বাসিত পুত্র রেজা শাহ পাহলভী।
ওয়াশিংটন পোস্টে এক লেখায় তিনি প্রথমেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত শাহের জ্যেষ্ঠ পুত্র রেজা পাহলভি।
পাহলভি লিখেছেন, ‘প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ইসলামী প্রজাতন্ত্রটি প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে, বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দিয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র ও সেগুলো বহনে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে গেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে দেশের ভেতরেই, যার মধ্যে আছে জানুয়ারিতে বিক্ষোভ দমনের সময় হাজারো প্রতিবাদকারী নিহত হওয়ার ঘটনা।
পাহলভির মতে, ইরানের ভবিষ্যৎ পথচলায় একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও গণভোটের মাধ্যমে তা অনুমোদন করা উচিত। এরপর প্রয়োজন ‘আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে’ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন। ইতিহাস তার মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত খুব কমই আগাম ঘোষণা করে। কিন্তু এমন সময় আসে, যখন সাহস, নেতৃত্ব এবং সংহতি জাতির গতিপথ বদলে দিতে পারে।
খামেনির মৃত্যুর পর ‘বিধ্বংসী আক্রমণ’ সম্পর্কে সতর্ক করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। আজ রবিবার (১ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি রবিবার সকালে জানায়, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শাহাদাতবরণ করেছেন।’
এর আগে খামেনির নিহতের দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের একজন, মারা গেছেন।’
রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই কাপুরুষোচিত হামলাটি শনিবার ভোরের দিকে করা হয়। সে সময় খামেনি তার কর্মস্থলে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এদিকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির শেষ শাহ-এর (রাজা) নির্বাসিত পুত্র রেজা শাহ পাহলভী।
ওয়াশিংটন পোস্টে এক লেখায় তিনি প্রথমেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত শাহের জ্যেষ্ঠ পুত্র রেজা পাহলভি।
পাহলভি লিখেছেন, ‘প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ইসলামী প্রজাতন্ত্রটি প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে, বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দিয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র ও সেগুলো বহনে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে গেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে দেশের ভেতরেই, যার মধ্যে আছে জানুয়ারিতে বিক্ষোভ দমনের সময় হাজারো প্রতিবাদকারী নিহত হওয়ার ঘটনা।
পাহলভির মতে, ইরানের ভবিষ্যৎ পথচলায় একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও গণভোটের মাধ্যমে তা অনুমোদন করা উচিত। এরপর প্রয়োজন ‘আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে’ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন। ইতিহাস তার মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত খুব কমই আগাম ঘোষণা করে। কিন্তু এমন সময় আসে, যখন সাহস, নেতৃত্ব এবং সংহতি জাতির গতিপথ বদলে দিতে পারে।
খামেনির মৃত্যুর পর ‘বিধ্বংসী আক্রমণ’ সম্পর্কে সতর্ক করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর।

আপনার মতামত লিখুন