ঢাকা    শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

মার্চ থেকে চসিক-এর নিজস্ব পরিচ্ছন্নকর্মীরা ডোর-টু-ডোর বর্জ্য সংগ্রহ করবেন

চট্টগ্রামে ডোর-টু-ডোর বর্জ্য সংগ্রহে ভেন্ডরদের যুগ শেষ


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

চট্টগ্রামে ডোর-টু-ডোর বর্জ্য সংগ্রহে ভেন্ডরদের যুগ শেষ
ছবি: সংগৃহীত

গামী মার্চ মাস থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায় বাসাবাড়ির ডোর-টু- ডোর ময়লা সংগ্রহে ভেন্ডরদের কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে। এর ফলে, বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহের জন্য এপ্রিল মাস থেকে আর ভেন্ডরদের টাকা দিতে হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে ডোর-টু-ডোর কার্যক্রম বিষয়ে ভেন্ডরদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় চসিক মেয়র এ ঘোষণা দেন।

সভায় চসিক মেয়র বলেন, চলতি ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভেন্ডররা বাসাবাড়ি থেকে ময়লা সংগ্রহ করবেন। ফেব্রুয়ারির বকেয়া টাকা মার্চ মাসে ভেন্ডররা সংগ্রহ করবেন। তিনি আরও বলেন, মার্চ মাস থেকে চসিক-এর পরিচ্ছন্ন বিভাগে কর্মরত দুই হাজার পরিচ্ছন্নকর্মী বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করবেন। ফলে, আলাদাভাবে নগরবাসীকে বাসার ময়লার জন্য এপ্রিল মাস থেকে কোনো টাকা দিতে হবে না।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামে উৎপাদিত বর্জ্যের একটি অংশ খাল-নালায় চলে যায়। এ জন্য উৎপাদিত বর্জ্যের শতভাগ সংগ্রহের লক্ষ্যে বেসরকারি ভেন্ডরদের বেশ কিছু ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্জ্য সংগ্রহে ভেন্ডররা ঠিকমতো সেবা দিতে পারছেন না— এমন অভিযোগ পাওয়ায়, আমরা ভেন্ডরদের বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ করে দিচ্ছি।

চসিক মেয়র বলেন, মার্চ থেকে সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাসার ময়লা সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, ‘নগরবাসীর কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে- যত্রতত্র ময়লা ফেললে না, এতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ও পরিবেশ নষ্ট হয়।’

চসিক মেয়র আরও বলেন, আমাদের যে সব কর্মচারী আপনাদের কাছ থেকে ময়লা নিতে আসবেন, তাদের কাছে নিয়মিত ময়লা দেবেন। এতে ময়লা জমে থাকবে না, মশার উপদ্রব কমে আসবে ও পরিবেশ পরিষ্কার থাকবে। তিনি বলেন, চসিক-এর দুটি বর্জ্যাগারে জমা বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস, গ্রিন ফুয়েল ও জ্বালানি উৎপাদন করে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছি।

চসিক মেয়র বলেন, উৎপাদিত বর্জ্য থেকে চসিক-এর আয় বাড়বে। শহর পরিষ্কার রাখতে হলে, শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন— চসিক-এর প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীসহ প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা।

বিষয় : চসিক

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চট্টগ্রামে ডোর-টু-ডোর বর্জ্য সংগ্রহে ভেন্ডরদের যুগ শেষ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

গামী মার্চ মাস থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায় বাসাবাড়ির ডোর-টু- ডোর ময়লা সংগ্রহে ভেন্ডরদের কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে। এর ফলে, বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহের জন্য এপ্রিল মাস থেকে আর ভেন্ডরদের টাকা দিতে হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে ডোর-টু-ডোর কার্যক্রম বিষয়ে ভেন্ডরদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় চসিক মেয়র এ ঘোষণা দেন।

সভায় চসিক মেয়র বলেন, চলতি ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভেন্ডররা বাসাবাড়ি থেকে ময়লা সংগ্রহ করবেন। ফেব্রুয়ারির বকেয়া টাকা মার্চ মাসে ভেন্ডররা সংগ্রহ করবেন। তিনি আরও বলেন, মার্চ মাস থেকে চসিক-এর পরিচ্ছন্ন বিভাগে কর্মরত দুই হাজার পরিচ্ছন্নকর্মী বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করবেন। ফলে, আলাদাভাবে নগরবাসীকে বাসার ময়লার জন্য এপ্রিল মাস থেকে কোনো টাকা দিতে হবে না।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামে উৎপাদিত বর্জ্যের একটি অংশ খাল-নালায় চলে যায়। এ জন্য উৎপাদিত বর্জ্যের শতভাগ সংগ্রহের লক্ষ্যে বেসরকারি ভেন্ডরদের বেশ কিছু ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্জ্য সংগ্রহে ভেন্ডররা ঠিকমতো সেবা দিতে পারছেন না— এমন অভিযোগ পাওয়ায়, আমরা ভেন্ডরদের বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ করে দিচ্ছি।

চসিক মেয়র বলেন, মার্চ থেকে সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাসার ময়লা সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, ‘নগরবাসীর কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে- যত্রতত্র ময়লা ফেললে না, এতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ও পরিবেশ নষ্ট হয়।’

চসিক মেয়র আরও বলেন, আমাদের যে সব কর্মচারী আপনাদের কাছ থেকে ময়লা নিতে আসবেন, তাদের কাছে নিয়মিত ময়লা দেবেন। এতে ময়লা জমে থাকবে না, মশার উপদ্রব কমে আসবে ও পরিবেশ পরিষ্কার থাকবে। তিনি বলেন, চসিক-এর দুটি বর্জ্যাগারে জমা বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস, গ্রিন ফুয়েল ও জ্বালানি উৎপাদন করে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছি।

চসিক মেয়র বলেন, উৎপাদিত বর্জ্য থেকে চসিক-এর আয় বাড়বে। শহর পরিষ্কার রাখতে হলে, শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন— চসিক-এর প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীসহ প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত