ঢাকা    শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

২০০৯ সালের হত্যাকাণ্ডে এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ উচ্চপদস্থ নেতাদের আসামি করা হচ্ছে।

পিলখানা হত্যা মামলায় নতুন চমক


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

পিলখানা হত্যা মামলায় নতুন চমক
ছবি: সংগৃহীত

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানা হামলার ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিনের বিচার ও আপিলের মধ্য দিয়ে আসামি ও নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারদের ধৈর্য পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এবার মামলায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে—প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে আসামি করা হচ্ছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ওই ঘটনায় সেনা বাহিনীর ৫৭ জন কর্মকর্তা নিহত হন। তখন থেকে হত্যাকাণ্ডের মামলাটি দীর্ঘসূত্রে চলেছে। বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় দেন—১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড। হাইকোর্ট ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ২৮৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারাধীন।

তবে এ ঘটনায় নতুন আবিষ্কার হিসেবে এসেছে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা। চিফ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, সম্পূরক চার্জশিটে শেখ হাসিনা, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং তৎকালীন কয়েকজন মন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের উচ্চপদস্থ নেতাদের নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আইনে এই ধরনের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘসময় মামলা পরিচালনা করতে করতে তারা ক্লান্ত, এবং দীর্ঘসূত্রী বিচার প্রক্রিয়ার কারণে হতাশ পরিবারের অসন্তোষও বেড়েছে। আইনজীবী পারভেজ হোসাইন বলেন, ‘হত্যা মামলায় যারা খালাস পেয়েছেন, বিস্ফোরক মামলায় একই আসামির অন্তর্ভুক্ত থাকার কারণে তারা এখনও জামিন পাননি। এটি আইনি জটিলতা আরও বাড়িয়েছে।’চূড়ান্তভাবে মামলাগুলো কখন নিষ্পত্তি হবে, তা এখনো অজানা। তবে প্রসিকিউশনের দাবি, নতুন চার্জশিটের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যুক্ত হয়েছে, যা মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

বিষয় : শেখ হাসিনা

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পিলখানা হত্যা মামলায় নতুন চমক

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানা হামলার ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিনের বিচার ও আপিলের মধ্য দিয়ে আসামি ও নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারদের ধৈর্য পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এবার মামলায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে—প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে আসামি করা হচ্ছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ওই ঘটনায় সেনা বাহিনীর ৫৭ জন কর্মকর্তা নিহত হন। তখন থেকে হত্যাকাণ্ডের মামলাটি দীর্ঘসূত্রে চলেছে। বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় দেন—১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড। হাইকোর্ট ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ২৮৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারাধীন।

তবে এ ঘটনায় নতুন আবিষ্কার হিসেবে এসেছে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা। চিফ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, সম্পূরক চার্জশিটে শেখ হাসিনা, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং তৎকালীন কয়েকজন মন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের উচ্চপদস্থ নেতাদের নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আইনে এই ধরনের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘসময় মামলা পরিচালনা করতে করতে তারা ক্লান্ত, এবং দীর্ঘসূত্রী বিচার প্রক্রিয়ার কারণে হতাশ পরিবারের অসন্তোষও বেড়েছে। আইনজীবী পারভেজ হোসাইন বলেন, ‘হত্যা মামলায় যারা খালাস পেয়েছেন, বিস্ফোরক মামলায় একই আসামির অন্তর্ভুক্ত থাকার কারণে তারা এখনও জামিন পাননি। এটি আইনি জটিলতা আরও বাড়িয়েছে।’চূড়ান্তভাবে মামলাগুলো কখন নিষ্পত্তি হবে, তা এখনো অজানা। তবে প্রসিকিউশনের দাবি, নতুন চার্জশিটের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যুক্ত হয়েছে, যা মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত