ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের একটি ভোটকেন্দ্রে পাঁচ তরুণ একটি ভোটকক্ষ দখল করে ব্যালট পেপারে দেদারসে সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা ৩৮ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর কিছুক্ষণ ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয় এবং পরে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
এ ঘটনায় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের লোহাবৈ বরাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেলা আড়াইটার পর তরুণদের একটি দল কেন্দ্রে প্রবেশ করে। এ সময় একটি বুথে পাঁচ তরুণ ঢুকে ব্যালট পেপারে সিল মারতে শুরু করে। বুথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মী তখন উপস্থিত ছিলেন না। ভোটকক্ষে সিল মারার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ঘটনার পর প্রায় আধা ঘণ্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকার পর পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
ভালুকা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিনকে অব্যাহতি দিয়ে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আবু হেনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, কিছু ব্যালট পেপার জব্দ করা হয়েছে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং কোন প্রার্থীর সমর্থকেরা এতে জড়িত, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোন প্রতীকে সিল মারা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে।
বিষয় : ময়মনসিংহ-১১

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের একটি ভোটকেন্দ্রে পাঁচ তরুণ একটি ভোটকক্ষ দখল করে ব্যালট পেপারে দেদারসে সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা ৩৮ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর কিছুক্ষণ ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয় এবং পরে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
এ ঘটনায় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের লোহাবৈ বরাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেলা আড়াইটার পর তরুণদের একটি দল কেন্দ্রে প্রবেশ করে। এ সময় একটি বুথে পাঁচ তরুণ ঢুকে ব্যালট পেপারে সিল মারতে শুরু করে। বুথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মী তখন উপস্থিত ছিলেন না। ভোটকক্ষে সিল মারার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ঘটনার পর প্রায় আধা ঘণ্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকার পর পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
ভালুকা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিনকে অব্যাহতি দিয়ে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আবু হেনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, কিছু ব্যালট পেপার জব্দ করা হয়েছে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং কোন প্রার্থীর সমর্থকেরা এতে জড়িত, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোন প্রতীকে সিল মারা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন