ঋণখেলাপি হয়ে প্রার্থিতা হারানো সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে তলব করে সংযত হয়ে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় সদর সিভিল কোর্টের জ্যেষ্ঠ প্রথম শ্রেণির বিচারক তাফরিমা তাবাসুম এ নির্দেশ দেন। এ সময় বিচারক মঞ্জুরুল মুন্সীকে বলেন, তার বিরুদ্ধে ফোনে একাধিক অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালত চাপের মধ্যে রয়েছে। তিনি তাকে বক্তব্যে সংযমী হওয়ার পরামর্শ দেন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এ সময় লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে নির্বাচনী সভায় দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন।
আদালতে তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম হামিদুল মেজবাহ, কুমিল্লা বারের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল ভূঁইয়া ও অ্যাডভোকেট আমানুর রহমান খান তারিক।
এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মঞ্জুরুল মুন্সীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার মধ্যে লিখিত বক্তব্যসহ সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে তাকে নির্দেশ দেয় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রাকিবুল ইসলাম ভোটারদের হুমকির অভিযোগ এনে বিষয়টি লিখিতভাবে কমিটিকে অবহিত করেন।
এদিকে একই দিন সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, তিনি আমৃত্যু বিএনপিকে ধারণ করে চলবেন এবং একটি মহল তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রেখেছে বলে দাবি করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে দেবীদ্বারবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কুমিল্লা-৪ আসনে দলীয় প্রার্থী না থাকায় বিএনপি গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে ট্রাক প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। ঋণখেলাপি হওয়ায় তার প্রার্থিতা বাতিল হয় এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালতের আদেশে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঋণখেলাপি হয়ে প্রার্থিতা হারানো সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে তলব করে সংযত হয়ে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় সদর সিভিল কোর্টের জ্যেষ্ঠ প্রথম শ্রেণির বিচারক তাফরিমা তাবাসুম এ নির্দেশ দেন। এ সময় বিচারক মঞ্জুরুল মুন্সীকে বলেন, তার বিরুদ্ধে ফোনে একাধিক অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালত চাপের মধ্যে রয়েছে। তিনি তাকে বক্তব্যে সংযমী হওয়ার পরামর্শ দেন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এ সময় লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে নির্বাচনী সভায় দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন।
আদালতে তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম হামিদুল মেজবাহ, কুমিল্লা বারের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল ভূঁইয়া ও অ্যাডভোকেট আমানুর রহমান খান তারিক।
এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মঞ্জুরুল মুন্সীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার মধ্যে লিখিত বক্তব্যসহ সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে তাকে নির্দেশ দেয় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রাকিবুল ইসলাম ভোটারদের হুমকির অভিযোগ এনে বিষয়টি লিখিতভাবে কমিটিকে অবহিত করেন।
এদিকে একই দিন সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, তিনি আমৃত্যু বিএনপিকে ধারণ করে চলবেন এবং একটি মহল তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রেখেছে বলে দাবি করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে দেবীদ্বারবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কুমিল্লা-৪ আসনে দলীয় প্রার্থী না থাকায় বিএনপি গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে ট্রাক প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। ঋণখেলাপি হওয়ায় তার প্রার্থিতা বাতিল হয় এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালতের আদেশে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন