ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

ভোটকেন্দ্র জানা থেকে ব্যালট ভাঁজ ও বাক্সে ফেলা পর্যন্ত জানুন ধাপে ধাপে ভোটদানের নিয়ম

ভোট দিতে যাওয়ার আগে ও পরে যা জানা জরুরি


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ভোট দিতে যাওয়ার আগে ও পরে যা জানা জরুরি

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। দীর্ঘ প্রচার-প্রচারণা শেষে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। এখন ভোটারদের দায়িত্ব সঠিকভাবে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করা।

ভোটগ্রহণ চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট দিতে যাওয়ার আগে ভোটারদের নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র, ভোটার নম্বর ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর জানা থাকা জরুরি। এসব তথ্য নির্বাচন কমিশনের ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ, হটলাইন ১০৫ নম্বর, এসএমএস (PC NID লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠিয়ে), নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিস এবং ভোটকেন্দ্রের ভোটার তালিকা থেকে জানা যাবে। তথ্য জানার জন্য এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ প্রয়োজন হবে।

ভোট দিতে যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে রাখা ভালো, তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। ভোটার তালিকায় নাম ও ছবি থাকলে এবং পোলিং অফিসার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলে ভোট দেওয়া যাবে। কোনো ধরনের অস্ত্র বা দাহ্য পদার্থ নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর পোলিং অফিসার নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাই করবেন এবং আঙুলে অমোচনীয় কালি দেওয়া হবে। এরপর ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং একটি গণভোটের জন্য। ব্যালট পেপারের পেছনে অফিসিয়াল সিল ও প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর রয়েছে কি না তা যাচাই করে গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে ভোট দিতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ/না ভোট আলাদা ব্যালটে দিতে হবে।

সিল দেওয়ার পর ব্যালট পেপার এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যাতে কালি অন্য কোনো প্রতীকে না লাগে এবং তা নির্ধারিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। ভোট শেষে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে না। সম্পূর্ণ কাগজের ব্যালট ও ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো কেবল তথ্য ও প্রশাসনিক সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


ভোট দিতে যাওয়ার আগে ও পরে যা জানা জরুরি

প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। দীর্ঘ প্রচার-প্রচারণা শেষে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। এখন ভোটারদের দায়িত্ব সঠিকভাবে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করা।

ভোটগ্রহণ চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট দিতে যাওয়ার আগে ভোটারদের নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র, ভোটার নম্বর ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর জানা থাকা জরুরি। এসব তথ্য নির্বাচন কমিশনের ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ, হটলাইন ১০৫ নম্বর, এসএমএস (PC NID লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠিয়ে), নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিস এবং ভোটকেন্দ্রের ভোটার তালিকা থেকে জানা যাবে। তথ্য জানার জন্য এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ প্রয়োজন হবে।

ভোট দিতে যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে রাখা ভালো, তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। ভোটার তালিকায় নাম ও ছবি থাকলে এবং পোলিং অফিসার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলে ভোট দেওয়া যাবে। কোনো ধরনের অস্ত্র বা দাহ্য পদার্থ নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর পোলিং অফিসার নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাই করবেন এবং আঙুলে অমোচনীয় কালি দেওয়া হবে। এরপর ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং একটি গণভোটের জন্য। ব্যালট পেপারের পেছনে অফিসিয়াল সিল ও প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর রয়েছে কি না তা যাচাই করে গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে ভোট দিতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ/না ভোট আলাদা ব্যালটে দিতে হবে।

সিল দেওয়ার পর ব্যালট পেপার এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যাতে কালি অন্য কোনো প্রতীকে না লাগে এবং তা নির্ধারিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। ভোট শেষে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে না। সম্পূর্ণ কাগজের ব্যালট ও ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো কেবল তথ্য ও প্রশাসনিক সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত