ঢাকা    শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

চিলমারীতে কুলা প্রতীকে প্রচারে ভোটারদের কৌতূহল ও আতঙ্ক

ভোটের মাঠে ‘ভূতুড়ে প্রার্থী’!


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ভোটের মাঠে ‘ভূতুড়ে প্রার্থী’!

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে ‘ভুয়া প্রার্থী’ ইস্যু। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে দুদু জোদ্দার নামে এক ব্যক্তি নিজেকে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী দাবি করে ‘কুলা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে পোস্টারিং ও প্রচার চালাচ্ছেন। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী কে. এম. ফজলুল হক মন্ডল এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মনোনীত প্রার্থী সেফালী বেগমের বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। হাইকোর্টের আদেশের পর সেফালী বেগমের মনোনয়ন বাতিল হয়।

এরপর বৈধ প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। ঠিক এই সময়েই হঠাৎ করে দুদু জোদ্দার নামে ওই ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে। তিনি নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করে ‘কুলা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে এলাকায় পোস্টারিং ও প্রচার চালান, যা ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

দুদু জোদ্দার উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল নতুন আশ্রয়ন কেন্দ্র এলাকার ধনীয়া জোদ্দারের ছেলে। এর আগেও তিনি উলিপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পরিচয়ে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে হেলিকপ্টার প্রতীকে সংসদ সদস্য প্রার্থী দাবি করে পোস্টারিং ও মাইকিং করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দুদু জোদ্দার দাবি করেন, তিনি মনোনয়ন ফরম কিনে জমা দিয়েছেন এবং নিজেকে বৈধ প্রার্থী বলে দাবি করেন।

রমনা মডেল ইউনিয়নের আলম মিয়া বলেন, “দুদু প্রায়ই নির্বাচনে প্রার্থী না হয়েও পোস্টার ও প্রচার-প্রচারণা করেন, এতে ভোটারদের সমস্যা হয়।”

চিলমারী ইউনিয়নের করাইবরিশাল এলাকার খলিল মিয়া বলেন, “দুদুর পোস্টার দেখা যাচ্ছে, এতে আমরা বিভ্রান্ত হচ্ছি।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে থানায় জানানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : ভূতুড়ে প্রার্থী

আপনার মতামত লিখুন

বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভোটের মাঠে ‘ভূতুড়ে প্রার্থী’!

প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে ‘ভুয়া প্রার্থী’ ইস্যু। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে দুদু জোদ্দার নামে এক ব্যক্তি নিজেকে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী দাবি করে ‘কুলা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে পোস্টারিং ও প্রচার চালাচ্ছেন। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী কে. এম. ফজলুল হক মন্ডল এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মনোনীত প্রার্থী সেফালী বেগমের বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। হাইকোর্টের আদেশের পর সেফালী বেগমের মনোনয়ন বাতিল হয়।

এরপর বৈধ প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। ঠিক এই সময়েই হঠাৎ করে দুদু জোদ্দার নামে ওই ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে। তিনি নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করে ‘কুলা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে এলাকায় পোস্টারিং ও প্রচার চালান, যা ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

দুদু জোদ্দার উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল নতুন আশ্রয়ন কেন্দ্র এলাকার ধনীয়া জোদ্দারের ছেলে। এর আগেও তিনি উলিপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পরিচয়ে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে হেলিকপ্টার প্রতীকে সংসদ সদস্য প্রার্থী দাবি করে পোস্টারিং ও মাইকিং করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দুদু জোদ্দার দাবি করেন, তিনি মনোনয়ন ফরম কিনে জমা দিয়েছেন এবং নিজেকে বৈধ প্রার্থী বলে দাবি করেন।

রমনা মডেল ইউনিয়নের আলম মিয়া বলেন, “দুদু প্রায়ই নির্বাচনে প্রার্থী না হয়েও পোস্টার ও প্রচার-প্রচারণা করেন, এতে ভোটারদের সমস্যা হয়।”

চিলমারী ইউনিয়নের করাইবরিশাল এলাকার খলিল মিয়া বলেন, “দুদুর পোস্টার দেখা যাচ্ছে, এতে আমরা বিভ্রান্ত হচ্ছি।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে থানায় জানানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন

সম্পাদক ও প্রকাশক : এম. আর. আলম
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ মহসিন পারভেজ

কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত