ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সারাদেশে সংঘটিত রাজনৈতিক সহিংসতার সবচেয়ে বড় অংশে বিএনপি সম্পৃক্ত।
'স্বৈরাচারের পতনের দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি' শীর্ষক এই গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত—মোট ১৭ মাসে—৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন এবং ৭,০৮২ জন আহত হয়েছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, মোট ৫৫০টি ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন, যা মোট ঘটনার ৯১.৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০.৭ শতাংশ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ৭.৭ শতাংশ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী এবং ১.২ শতাংশ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সম্পৃক্ত ছিল।
টিআইবি জানায়, সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রমের দখল নেওয়ার প্রচেষ্টা সহিংসতা ছড়ানোর একটি মূল কারণ। এতে পরিবহন টার্মিনাল, স্ট্যান্ড, সিলেটের পাথর কোয়ারি ও নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন, ব্রিজ, বাজার, ঘাট, বালু মহাল ও জলাশয় ইজারার দখলের লড়াই অন্তর্ভুক্ত।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে যে, রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনেকাংশে কার্যকর ছিল না। সহিংসতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে দলগুলো যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
টিআইবি-এর গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, "অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং ক্ষমতার লড়াই রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়াচ্ছে। দলগুলোর দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতা এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।"

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সারাদেশে সংঘটিত রাজনৈতিক সহিংসতার সবচেয়ে বড় অংশে বিএনপি সম্পৃক্ত।
'স্বৈরাচারের পতনের দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি' শীর্ষক এই গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত—মোট ১৭ মাসে—৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন এবং ৭,০৮২ জন আহত হয়েছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, মোট ৫৫০টি ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন, যা মোট ঘটনার ৯১.৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০.৭ শতাংশ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ৭.৭ শতাংশ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী এবং ১.২ শতাংশ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সম্পৃক্ত ছিল।
টিআইবি জানায়, সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রমের দখল নেওয়ার প্রচেষ্টা সহিংসতা ছড়ানোর একটি মূল কারণ। এতে পরিবহন টার্মিনাল, স্ট্যান্ড, সিলেটের পাথর কোয়ারি ও নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন, ব্রিজ, বাজার, ঘাট, বালু মহাল ও জলাশয় ইজারার দখলের লড়াই অন্তর্ভুক্ত।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে যে, রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনেকাংশে কার্যকর ছিল না। সহিংসতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে দলগুলো যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
টিআইবি-এর গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, "অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং ক্ষমতার লড়াই রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়াচ্ছে। দলগুলোর দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতা এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।"

আপনার মতামত লিখুন