রাজধানীর গুলশানে নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে রড পড়ে মো. আশফাকুজ্জামান চৌধুরী (৩৫) নামের এক বেসরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের শ্বশুর মো. সিরাজুল ইসলাম তালুকদার বাদী হয়ে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গুলশান থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কনকর্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান এস এম কামাল উদ্দিন (৭২) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার কামাল (৪৫)-কে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি দুপুর ২টা থেকে ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে গুলশান থানাধীন ১৪০ নম্বর সড়কের ২২ নম্বর বাড়ির সামনে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় নির্মাণাধীন ভবনের ওপর থেকে একটি রড নিচে পড়ে আশফাকুজ্জামানের মাথায় ঢুকে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঘটনাটি চরম দায়িত্বে অবহেলা ও অপরাধমূলক গাফিলতির ফল, যার দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
তবে কনকর্ড গ্রুপ দাবি করেছে, যে রডের আঘাতে আশফাকুজ্জামান চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে, সেটি তাদের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়েনি; বরং পাশের অন্য একটি ভবন থেকে রডটি পড়ে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ঘটনার সময় নিহত ব্যক্তি ওই ভবনের সামনের ফুটপাতে অবস্থান করছিলেন।
এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রওনক আলম বলেন, ‘মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।’
উল্লেখ্য, নিহত আশফাকুজ্জামান গুলশানের একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বরুমচড়া গ্রামে।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর গুলশানে নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে রড পড়ে মো. আশফাকুজ্জামান চৌধুরী (৩৫) নামের এক বেসরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের শ্বশুর মো. সিরাজুল ইসলাম তালুকদার বাদী হয়ে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গুলশান থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কনকর্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান এস এম কামাল উদ্দিন (৭২) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার কামাল (৪৫)-কে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি দুপুর ২টা থেকে ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে গুলশান থানাধীন ১৪০ নম্বর সড়কের ২২ নম্বর বাড়ির সামনে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় নির্মাণাধীন ভবনের ওপর থেকে একটি রড নিচে পড়ে আশফাকুজ্জামানের মাথায় ঢুকে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঘটনাটি চরম দায়িত্বে অবহেলা ও অপরাধমূলক গাফিলতির ফল, যার দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
তবে কনকর্ড গ্রুপ দাবি করেছে, যে রডের আঘাতে আশফাকুজ্জামান চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে, সেটি তাদের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়েনি; বরং পাশের অন্য একটি ভবন থেকে রডটি পড়ে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ঘটনার সময় নিহত ব্যক্তি ওই ভবনের সামনের ফুটপাতে অবস্থান করছিলেন।
এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রওনক আলম বলেন, ‘মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।’
উল্লেখ্য, নিহত আশফাকুজ্জামান গুলশানের একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বরুমচড়া গ্রামে।

আপনার মতামত লিখুন