বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সদ্য অনুমোদিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মাদ আলী তোহা। সহ-সভাপতি পদমর্যাদায় অন্তর্ভুক্ত এই পদে তাঁর নিয়োগ সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতার কারণে এই নিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সংসদের ১৩৯ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সংগঠনের সভাপতি নাজমুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ হকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সভাপতি পদমর্যাদায় দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মাদ আলী তোহা। তিনি রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার কৃতি সন্তান এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মাদ আলী তোহা এর আগে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের রাজশাহী জেলা শাখার প্রতিষ্ঠা সভাপতি, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সমন্বয়ক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংগঠনিক কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁকে বরাবরই সোচ্চার থাকতে দেখা গেছে।
নবনিযুক্ত দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী তোহা প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
“২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান—শিক্ষার্থীদের প্রতিটি যৌক্তিক আন্দোলনে আমরা পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। কেবল মিছিল-মিটিং নির্ভর লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতির বাইরে এসে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, ছাত্র অধিকার পরিষদ দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলমুক্ত পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গঠনে কাজ করে যাবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং মেধাভিত্তিক জাতি নির্মাণে সংগঠনটি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে নেওয়াজ খান বাপ্পিসহ মোট ২৮ জন সহ-সভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাকিবুল ইসলামসহ ২৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী তোহা, প্রচার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, অর্থ সম্পাদক তারেক আজাদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতৃবৃন্দ অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
নেতাকর্মীরা আশা করছেন, মোহাম্মাদ আলী তোহার নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সদ্য অনুমোদিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মাদ আলী তোহা। সহ-সভাপতি পদমর্যাদায় অন্তর্ভুক্ত এই পদে তাঁর নিয়োগ সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতার কারণে এই নিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সংসদের ১৩৯ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সংগঠনের সভাপতি নাজমুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ হকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সভাপতি পদমর্যাদায় দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মাদ আলী তোহা। তিনি রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার কৃতি সন্তান এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মাদ আলী তোহা এর আগে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের রাজশাহী জেলা শাখার প্রতিষ্ঠা সভাপতি, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সমন্বয়ক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংগঠনিক কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁকে বরাবরই সোচ্চার থাকতে দেখা গেছে।
নবনিযুক্ত দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী তোহা প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
“২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান—শিক্ষার্থীদের প্রতিটি যৌক্তিক আন্দোলনে আমরা পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। কেবল মিছিল-মিটিং নির্ভর লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতির বাইরে এসে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, ছাত্র অধিকার পরিষদ দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলমুক্ত পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গঠনে কাজ করে যাবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং মেধাভিত্তিক জাতি নির্মাণে সংগঠনটি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে নেওয়াজ খান বাপ্পিসহ মোট ২৮ জন সহ-সভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাকিবুল ইসলামসহ ২৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী তোহা, প্রচার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, অর্থ সম্পাদক তারেক আজাদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতৃবৃন্দ অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
নেতাকর্মীরা আশা করছেন, মোহাম্মাদ আলী তোহার নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।

আপনার মতামত লিখুন