শীতের তীব্রতায় কাবু হয়ে পড়েছে সারা দেশ। এরই মধ্যে দেশের অন্তত ১৫টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি মাসে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে এক থেকে দুটি হতে পারে তুলনামূলক তীব্র। এর প্রভাব ইতোমধ্যেই জনজীবনে স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান শৈত্যপ্রবাহে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ভোরের দিকে কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষজন কাজে বের হতে পারছেন না। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত নানা জটিলতায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় খোলা জায়গায় বসবাসকারী মানুষ শীত নিবারণের জন্য আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, ফলে কর্মজীবী মানুষ ও পণ্য পরিবহনে সৃষ্টি হয়েছে বাড়তি দুর্ভোগ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, আরিচা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, ঈশ্বরদী, বগুড়া, বদলগাছি, তাড়াশ, বাঘাবাড়ি, দিনাজপুর, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুমারখালির ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের ওপর দিয়ে দুই থেকে তিনটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এবং এক থেকে দুটি মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কুয়াশা পরিস্থিতি সম্পর্কে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদ-নদী অববাহিকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকতে পারে, যা কখনও কখনও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হতে পারে।
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
তাপমাত্রা পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের আভাস নেই। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ঈশ্বরদীতে—৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
শীতের তীব্রতায় কাবু হয়ে পড়েছে সারা দেশ। এরই মধ্যে দেশের অন্তত ১৫টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি মাসে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে এক থেকে দুটি হতে পারে তুলনামূলক তীব্র। এর প্রভাব ইতোমধ্যেই জনজীবনে স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান শৈত্যপ্রবাহে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ভোরের দিকে কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষজন কাজে বের হতে পারছেন না। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত নানা জটিলতায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় খোলা জায়গায় বসবাসকারী মানুষ শীত নিবারণের জন্য আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, ফলে কর্মজীবী মানুষ ও পণ্য পরিবহনে সৃষ্টি হয়েছে বাড়তি দুর্ভোগ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, আরিচা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, ঈশ্বরদী, বগুড়া, বদলগাছি, তাড়াশ, বাঘাবাড়ি, দিনাজপুর, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুমারখালির ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের ওপর দিয়ে দুই থেকে তিনটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এবং এক থেকে দুটি মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কুয়াশা পরিস্থিতি সম্পর্কে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদ-নদী অববাহিকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকতে পারে, যা কখনও কখনও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হতে পারে।
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
তাপমাত্রা পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের আভাস নেই। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ঈশ্বরদীতে—৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আপনার মতামত লিখুন