টেলিটক-বাংলালিংক সম্ভাব্য একীভূতকরণে নতুন দিগন্তের ইঙ্গিত
বাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জোহান হেন্ড্রিক মার্টিনাস বুস গত ২৮ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের কাছে এই বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকেরও অনুরোধ জানান।গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম টেলিকম অপারেটর বাংলালিংক, বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটকের সাথে একীভূত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গ্লোবাল ডিজিটাল অপারেটর 'ভিয়ন'-এর সহযোগী এই প্রতিষ্ঠানটি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর সাথেও অংশীদারিত্বের প্রস্তাব দিয়েছে।বাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জোহান হেন্ড্রিক মার্টিনাস বুস গত ২৮ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের কাছে এই বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকেরও অনুরোধ জানান।টেলিটকের সাথে একীভূত হতে চায় বাংলালিংক, বিটিসিএলের সাথে অংশীদারিত্বের প্রস্তাববাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জোহান হেন্ড্রিক মার্টিনাস বুস গত ২৮ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের কাছে এই বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকেরও অনুরোধ জানান।গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম টেলিকম অপারেটর বাংলালিংক, বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটকের সাথে একীভূত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গ্লোবাল ডিজিটাল অপারেটর 'ভিয়ন'-এর সহযোগী এই প্রতিষ্ঠানটি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর সাথেও অংশীদারিত্বের প্রস্তাব দিয়েছে।বাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জোহান হেন্ড্রিক মার্টিনাস বুস গত ২৮ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের কাছে এই বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকেরও অনুরোধ জানান।বাংলালিংক ও টেলিটকের একীভূতকরণ বা অংশীদারিত্বের প্রস্তাবচিঠিতে বলা হয়েছে, "বাংলালিংক এবং টেলিটকের মধ্যে একটি সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব বা একীভূতকরণ বাংলাদেশের টেলিকম খাতের চিত্র উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে দিতে পারে। বাংলালিংকের পরিচালনাগত দক্ষতা ও বাজার অভিজ্ঞতার সাথে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে টেলিটকের সুবিধা এবং এর তরঙ্গ সম্পদের সমন্বয় ঘটিয়ে এই সহযোগিতার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক কভারেজ বাড়ানো সম্ভব হবে, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ এলাকায়। এছাড়া টাওয়ার, তরঙ্গ ও প্রযুক্তির যৌথ ব্যবহারের মাধ্যমে অবকাঠামোগত বিনিয়োগের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা যাবে।"প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়, এই উদ্যোগ দেশজুড়ে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি টেলিটকের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকেও শক্তিশালী করতে পারে। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে দুই অপারেটরের মধ্যে সক্রিয় নেটওয়ার্ক শেয়ারিং এবং জাতীয় রোমিং-এর একটি পাইলট উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।বিটিসিএলের সাথে সম্ভাব্য অংশীদারিত্ববাংলালিংক এবং বিটিসিএলের মধ্যকার সহযোগিতা 'ট্রিপল-প্লে' (ভয়েস, ডাটা ও আইপিটিভি) এবং মোবাইল সেবাসহ 'কোয়াড্রপল-প্লে' সেবার মতো বান্ডেল টেলিকম সেবা চালু করতে সক্ষম করবে। বিটিসিএলের বিস্তৃত ফিক্সড-লাইন ও ফাইবার অবকাঠামোর সাথে বাংলালিংকের মোবাইল নেটওয়ার্ক সক্ষমতা এবং তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'টফি'—যা দেশের অন্যতম শীর্ষ ওটিটি সেবা—এর সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্রাহক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমন্বিত ডিজিটাল সমাধান প্রদান করা সম্ভব হবে। বাংলালিংকের মতে, এই কৌশলগত জোট গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত করবে, আয়ের উৎস বহুমুখী করবে এবং একটি ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে উভয় প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকরভাবে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সহায়তা করবে।স্টারলিংকের মাধ্যমে ডাইরেক্ট-টু-কল সেবা চালুর প্রস্তাবস্টারলিংকের মাধ্যমে 'ডাইরেক্ট-টু-সেল' স্যাটেলাইট সংযোগ চালু করা দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মোবাইল কভারেজ বাড়ানোর একটি বৈপ্লবিক সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো বিশেষ সরঞ্জাম ছাড়াই সাধারণ মোবাইল ডিভাইস সরাসরি স্যাটেলাইটের সাথে সংযুক্ত হতে পারবে, যা নেটওয়ার্কের সক্ষমতা এবং গ্রামীণ কানেক্টিভিটি বৃদ্ধি করবে। ভিয়ন ইতিমধ্যে ইউক্রেন ও কাজাখস্তানে তাদের সহযোগীদের মাধ্যমে এই সেবা চালু করেছে। তবে বাংলাদেশে স্যাটেলাইট-ভিত্তিক মোবাইল সেবা চালুর জন্য তরঙ্গের নীতিমালা এবং লাইসেন্সিং বিধানসহ বিদ্যমান আইনি কাঠামো হালনাগাদ করার প্রয়োজনীয়তার কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলালিংকের প্রয়োজন লো-ব্যান্ড তরঙ্গনেটওয়ার্ক কভারেজ বাড়ানো এবং বিশেষ করে গ্রামীণ ও শহরতলি এলাকায় ভবনের ভেতরে নেটওয়ার্কের প্রবেশাধিকার শক্তিশালী করতে বাংলালিংকের জন্য লো-ব্যান্ড তরঙ্গ (যেমন ৭০০ মেগাহার্টজ বা ৮০০ মেগাহার্টজ) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তরঙ্গগুলো উচ্চতর ব্যান্ডের তুলনায় অনেক বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে এবং ভবনের দেয়াল ভেদ করে ভেতরে পৌঁছাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে, যা নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস ও ডাটা সেবার জন্য অপরিহার্য।সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত নিলামে একমাত্র অংশগ্রহণকারী হিসেবে গ্রামীণফোন ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ লাভ করেছে, যা এই ব্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব এবং সীমিত প্রতিযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে। এর পাশাপাশি বাংলালিংক ইজিএসএম ব্যান্ডে তরঙ্গ অধিগ্রহণেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আন্তঃসীমান্ত হস্তক্ষেপের কারণে এই ব্যান্ডটি আংশিক দূষিত বলে মনে করা হলেও, সঠিক পরিকল্পনা ও রিফার্মিংয়ের মাধ্যমে এর নির্দিষ্ট অংশ কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব বলে বাংলালিংক মনে করে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, এসব তরঙ্গ সম্পদ নিশ্চিত করা সম্ভব হলে বাংলালিংক তাদের সেবার মান উন্নত করতে, ৪জি এবং ভবিষ্যতে ৫জি কভারেজ সম্প্রসারণ করতে এবং বাংলাদেশের টেলিকম বাজারে নিজেদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে।