প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
১০ বছর পরও অমীমাংসিত তনু হত্যা, ডিএনএ পরীক্ষায় নতুন পদক্ষেপ
অনলাইন ডেস্ক ||
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তের স্বার্থে আরও দুই সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুমিনুল হক গত ১৬ জুলাই এ আদেশ দেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ পাওয়া দুই সন্দেহভাজন হলেন সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম এবং ফয়সাল আহমেদ রাব্বী। জাহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের মেঘাই গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে ফয়সাল আহমেদ রাব্বী কুমিল্লার রাজাপাড়া লক্ষ্মীনগর এলাকার বাসিন্দা।আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক তরিকুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়। তনুর পোশাক থেকে উদ্ধার হওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তাদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখতেই এই নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এর আগে মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সাবেক সেনাসদস্য শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ক্রস-ম্যাচ করা হয়েছে।এদিকে মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শাহিন আলম কুয়েতে পালিয়ে গেছেন বলে তথ্য রয়েছে। তবে জাহিদুজ্জামানের অবস্থান এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি হাফিজুর রহমান বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন সোহাগী জাহান তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করলেও দীর্ঘদিন পরও হত্যাকাণ্ডের রহস্য পুরোপুরি উদ্ঘাটিত হয়নি।
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত