প্রিন্ট এর তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছুটির অলস সকাল
সোহান,, কবি ||
উদীয়মান কবি ও ইঞ্জিনিয়ার সোহানের “ছুটির অলস সকাল” কবিতায় দেখা যায় ছুটির সকালে কবির আরামের রাজ্যে ডুবে থাকার মুহূর্ত। বালিশ ও চাদর যেন তাঁর সিংহাসন, ঘড়ির কাঁটাও থমকে আছে—সময় আর কোনো কর্তৃত্ব অনুভব করতে পারছে না। এই অংশে কবি ছুটির সকালকে এক ধরনের মুক্তি ও নীরব সুখের সময় হিসেবে ফুটিয়েছেন।কিন্তু অলস আনন্দের মধ্যেই হঠাৎ বাস্তবতার ডাক আসে—গৃহকর্ত্রীর আওয়াজ: “বাজার করবে কে?”। কবি মজা করে দেখিয়েছেন কিভাবে আরাম ও অলসতা জীবনের বাস্তব দায়িত্বের সঙ্গে সংঘর্ষে আসে। শেষ পর্যন্ত কবি নিজস্ব স্বর্গ ত্যাগ করে সংসারের কাজের দিকে এগোচ্ছেন। বাজারে দরদাম করা, ঘরের দৈনন্দিন কাজ—সবই জীবনের অংশ, এবং এই দায়িত্বের মধ্যেও আছে জীবনের আনন্দ ও স্থায়ী সুখ।কবিতাটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে জীবন মূলত দায়িত্ব এবং আনন্দের এক সূক্ষ্ম ভারসাম্য, যেখানে স্বাচ্ছন্দ্য ও পরিশ্রম দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি আজকে প্রকাশিত কবিতাটি পাঠকদের কাছে উপভোগ্য হবে।— সহ-সম্পাদক, সাহিত্যপাতাছুটির অলস সকালঘুমের রাজ্যে রাজত্ব আমার, বালিশ আমার সিংহাসন,ঘড়ির কাঁটাও থমকে থাকে, মানে না কোনো শাসন।সকাল আসে, রাত গড়িয়ে, ঘুমের নাই অবসান,কেউ বলে আমি হতচ্ছরা, কেউ বলে—মহান!ছুটির দিনে আড়মোড়া, চাদর টেনে নিই গায়ে,ভাবনাহীন অলস আমি সুখের সাগর পেয়ে।এমন সময় বজ্রকণ্ঠে গিন্নির কঠিন ডাক,“বাজার করবে কে বলো? শুয়ে আছো সারাটা পাক!”গিন্নি বলে—“কাজের শেষ নাই, চোখে নাই কি লাজ?সকালভর বিছানাতে, এ কোন রাজকীয় সাজ!”হার মানি আমি আরামের, ছেড়ে দিই সেই স্বর্গ,সংসারের ডাকে সাড়া দিয়ে নামি কর্মযজ্ঞ।হাটে-বাজারে দরদাম করে প্রাণ ওঠে হাপিত্যেশ,তবু এই গিন্নি-সংসারেই জীবনটা বড় বেশ।----সোহান-----
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলা গ্লোবাল বুলেটিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত