চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে তাদের কনজ্যুমার ডিভাইস ব্যবসা পুনরায় চালু করেছে। এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি ১৩টি নতুন পণ্য উন্মোচন করেছে এবং দেশব্যাপী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন অংশীদারিত্বের ঘোষণা দিয়েছে।
রোববার ঢাকায় আয়োজিত 'নাউ ইজ ইয়োর স্পার্ক' শীর্ষক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ ডিভাইস অফিস স্মার্টফোন, ফোল্ডেবল ডিভাইস, ট্যাবলেট, স্মার্টওয়াচ এবং অডিও পণ্যসহ বিভিন্ন নতুন ডিভাইস উন্মোচন করে। এর মাধ্যমে দেশের ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স বাজারে নতুন করে অবস্থান শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশে কয়েক বছর সীমিত কার্যক্রম পরিচালনার পর হুয়াওয়ে আবারও কনজ্যুমার ডিভাইস ব্যবসায় সক্রিয় হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন থেকে তাদের পণ্য অনুমোদিত বিক্রয় চ্যানেলের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি থাকবে ওয়ারেন্টি সুবিধা, আসল খুচরা যন্ত্রাংশ এবং বিক্রয়োত্তর সেবা।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশ ডিভাইস অফিসের কান্ট্রি হেড এরিক প্যাং বলেন, "আমাদের লক্ষ্য হলো আরও শক্তিশালী ও সহজলভ্য একটি ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাহকদের কাছে উদ্ভাবনী পণ্য ও স্মার্ট অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া।"
অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে তাদের ফ্ল্যাগশিপ মেট ৮০ প্রো স্মার্টফোন, মেট এক্স৭ ফোল্ডেবল স্মার্টফোন, মেটপ্যাড ১১.৫ ট্যাবলেট, ওয়াচ ফিট ৫ সিরিজের স্মার্টওয়াচ এবং ফ্রিক্লিপ ২ ওয়্যারলেস ইয়ারবাড প্রদর্শন করে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, তাদের কৌশল শুধু পৃথক ডিভাইস বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, পরিধানযোগ্য ডিভাইস এবং অডিও পণ্যকে একীভূত করে একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দিকে তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন।
হুয়াওয়ে তাদের পরিবেশক হিসেবে ডিএক্স গ্রুপকে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে বিক্রয় ও বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিএক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান কানন বলেন, "উদ্ভাবন ও মানের জন্য হুয়াওয়ে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। দেশের ভোক্তাদের কাছে এসব পণ্য পৌঁছে দিতে একসঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত।"
সংশ্লিষ্ট খাতের বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো ব্যবসার বাইরে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ভোক্তা প্রযুক্তি বাজারে পুনরায় অবস্থান তৈরি করার কৌশলের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নিয়েছে হুয়াওয়ে।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, প্রযুক্তি–বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা নতুন উন্মোচিত ডিভাইসগুলো সরাসরি ব্যবহারের সুযোগও পান।
নতুন এ যাত্রায় হুয়াওয়ে তাদের প্রিমিয়াম হার্ডওয়্যার, সংযুক্ত ডিভাইস ইকোসিস্টেম এবং সম্প্রসারিত বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান স্মার্টফোন ও স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে প্রতিযোগিতা করার আশা করছে।
বিষয় : হুয়াওয়ে

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে তাদের কনজ্যুমার ডিভাইস ব্যবসা পুনরায় চালু করেছে। এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি ১৩টি নতুন পণ্য উন্মোচন করেছে এবং দেশব্যাপী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন অংশীদারিত্বের ঘোষণা দিয়েছে।
রোববার ঢাকায় আয়োজিত 'নাউ ইজ ইয়োর স্পার্ক' শীর্ষক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ ডিভাইস অফিস স্মার্টফোন, ফোল্ডেবল ডিভাইস, ট্যাবলেট, স্মার্টওয়াচ এবং অডিও পণ্যসহ বিভিন্ন নতুন ডিভাইস উন্মোচন করে। এর মাধ্যমে দেশের ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স বাজারে নতুন করে অবস্থান শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশে কয়েক বছর সীমিত কার্যক্রম পরিচালনার পর হুয়াওয়ে আবারও কনজ্যুমার ডিভাইস ব্যবসায় সক্রিয় হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন থেকে তাদের পণ্য অনুমোদিত বিক্রয় চ্যানেলের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি থাকবে ওয়ারেন্টি সুবিধা, আসল খুচরা যন্ত্রাংশ এবং বিক্রয়োত্তর সেবা।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশ ডিভাইস অফিসের কান্ট্রি হেড এরিক প্যাং বলেন, "আমাদের লক্ষ্য হলো আরও শক্তিশালী ও সহজলভ্য একটি ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাহকদের কাছে উদ্ভাবনী পণ্য ও স্মার্ট অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া।"
অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে তাদের ফ্ল্যাগশিপ মেট ৮০ প্রো স্মার্টফোন, মেট এক্স৭ ফোল্ডেবল স্মার্টফোন, মেটপ্যাড ১১.৫ ট্যাবলেট, ওয়াচ ফিট ৫ সিরিজের স্মার্টওয়াচ এবং ফ্রিক্লিপ ২ ওয়্যারলেস ইয়ারবাড প্রদর্শন করে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, তাদের কৌশল শুধু পৃথক ডিভাইস বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, পরিধানযোগ্য ডিভাইস এবং অডিও পণ্যকে একীভূত করে একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দিকে তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন।
হুয়াওয়ে তাদের পরিবেশক হিসেবে ডিএক্স গ্রুপকে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে বিক্রয় ও বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিএক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান কানন বলেন, "উদ্ভাবন ও মানের জন্য হুয়াওয়ে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। দেশের ভোক্তাদের কাছে এসব পণ্য পৌঁছে দিতে একসঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত।"
সংশ্লিষ্ট খাতের বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো ব্যবসার বাইরে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ভোক্তা প্রযুক্তি বাজারে পুনরায় অবস্থান তৈরি করার কৌশলের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নিয়েছে হুয়াওয়ে।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, প্রযুক্তি–বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা নতুন উন্মোচিত ডিভাইসগুলো সরাসরি ব্যবহারের সুযোগও পান।
নতুন এ যাত্রায় হুয়াওয়ে তাদের প্রিমিয়াম হার্ডওয়্যার, সংযুক্ত ডিভাইস ইকোসিস্টেম এবং সম্প্রসারিত বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান স্মার্টফোন ও স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে প্রতিযোগিতা করার আশা করছে।

আপনার মতামত লিখুন